valobasar kobita bangla font

valobasar kobita bangla font


valobashar kobita bangla,premer kobita bangla,premer kobita in bangla,premer kobita bangla collection,bangla sad valobashar kobita,bangla valobashar kobita lyrics,premer kobita bangla download,valobashar kobita bangla love poems,premer kobita in bengali language,premer kobita bangla lyrics,valobasar kobita bangla font,


শেষ পদচিহ্ন

মনিরুজ্জামান অনিক


প্রিয়তম’র মুখে শুনতে পেলাম অমীয় বাণী,

আমি নাকি বর্বর, জঘন্য, আদিম প্রজাতি!

আমার নাকি পচন ধরেছে পুরোটা শরীর জুড়ি।।

 

হবে হয়তো তার কথাই ঠিক…

হয়তো আমি তার বাণীর চেয়েও আরো নিম্ন প্রজাতির কোন কীট।

মানুষ নয় কুকুর কিংবা তারও নিচের কিছু একটা।

আমায় দেখলে ঘেন্নায় নাক সিটকায় একাকী অবহেলিত কাকটা।।

 

তবে জেনে রেখো প্রিয়…

যতটুকু ভালোবাসা ছিলো অবলীয়ালায় বিকিয়ে দিয়েছি তোমার পবিত্র মন মন্দিরে।

আমার এখন ছুটি।

আসমানের তারার মতোই, একাকী চাঁদের মতোই।

ক্ষমা করে দিয়ো যদি পারো, অযাচিত ভুল-ত্রুটি।

 

ভালো থাকুক তোমার উত্তরের জানালা।

ভালো থাকুক তোমার প্রাপ্ত নামটা।

ভালো থাকুক তোমার চোখের চশমা।

ভালো থাকুক আমার নামে তৈরী ঘৃণার লাশটা।

ভালো থাকুক সব…তোমার কলবর।

ক্লান্ত বিকেল.. তোমার খুঁজে ফিরা সেই অবয়ব।।

 

মনে রেখো, মানুষ হারালে আর ফিরে আসেনা।

সে আর মানুষ থাকেনা, পুড়ে হয় শব।

পদচিহ্ন সে আর আঁকেনা..

কোথাও হয়না তার শেষকৃত্যের উৎসব।।


একদিন

মনিরুজ্জামান অনিক


একদিন ভেঙে যাবে সব ভুল!

আয়নাও বলে দিবে কতখানি ভুলে হেঁটেছ পথ,

গুনে গুনে হাতের আঙুল।।

সেদিন হয়তো মনে পড়বে সে কথা___

আমি ছিলাম কেমন!

কতটুকু তোমাতেই ছিলাম মশগুল।।

 

খুঁজবে সেদিন আমায়…

আমার চেনা চায়ের কাপে,কাগজে কলমে,আর ফেলে আসা রাস্তায়, অথবা বড্ড অভিমানী মনে লিখা দু’একটা কবিতার পাতায়।

পাবেনা তুমি,আর পাবেনা আমায়…

 

মানুষ বড্ড অভিমানী প্রাণী;

অভিমান জিইয়ে রেখেই সে ওপারে পাড়ি জমায়।।

সাদা মেঘ,আলোকিত তারকা,কিংবা জোৎস্না! 

সবাই একা, ভীষণ একা।।

আমরা শুধু বুঝতে পারিনা তাঁদের,

ভেতরে ভেতরে অসীম গর্ত পোষা যাদের,

কতটুকু নিঃসীম নিরবতা ঘিরে থাকে ওদের।।


জলের ক্ষয়

মনিরুজ্জামান অনিক


কোন বন্দরে নোঙর ফেলো,

কোথায় তোমার তীর্থস্থান?

কোন হৃদয়ে মুক্তি খোঁজ,

চিরস্থায়ী গোরস্থান।

 

কোন দেনাতে আটকে আছে

শেখল ভাঙা অভিমান।

কোন আকাশে ঝড় উঠেছে

মনের ভেতর গহীন টান।

 

প্রাপ্তিটুকু তোমায় দিলাম,

বেহিসেবী আর উড়নচণ্ডী। 

শেষ পাতাটা কিনে নিলাম

ভেঙে দিয়ে তোমার গন্ডি। 

 

শ্বাস প্রশ্বাসে মুক্ত বিষাদ,

চোখে জমা নোন কাটা স্বাদ।

গহীন রাতে চিঠি পেলাম..

তোমার নাকি সোনালী প্রভাত।

 

কতটুকু আর যেতেই পারি!

কতটুকু না গেলেই নয়।

এসব হিসেব থাক পড়ে আজ,

বুক পাথরে জলের ক্ষয়।

 


মানুষ এমনই

মনিরুজ্জামান অনিক


পাখিদের কি খুব স্বাধীনতা! 

ইচ্ছে হলেই উড়ে যায়।

মানুষেরও ঠিক একই স্বাধীনতা! 

সময় পেলেই হারিয়ে যায়।

 

বন্দী বাঘের চোখেও লেপ্টে থাকে শীতলতা।

আচ্ছা! মানুষকে কি বন্দী করে রাখা যায়?

যায় বৈকি।

 

রাতের বুক বিঁধে নামে একটা স্তব্ধ নীরবতা।

মানুষের বুকেও ঠিক তাই।

পাতা ঝরার শব্দ শুনে কেউ কেউ ভয়ে কুঁকড়ে উঠে…

অথচ সেই মানুষটাই হয়ে যায় নীরবতার নিঃসীম নাবিক।

 

আচ্ছা মানুষ কেন কাঁদে, কেনই বা হাসে।

ঠিকঠাক করে কি সে নিজে বলতে পারে!

পারেনা!

কিংবা পারে।

মানুষ বড্ড মুখচোরা! 

নোনা সমুদ্র দেখে হাপিত্যেশ করে।

অথচ তার বুকের গহীনে যে মস্তবড় এক সমুদ্রের বাস তার অস্তিত্ব সে নিজেও টের পায়না।

শুধু মন খারাপিত্তে তুমুল ঝড় উঠে সে সমুদ্রে।

তখন কিছুটা টের পায় সে, তার ভেতরে কিছু একটা আছে।

কিছু একটা তাকে দুমড়েমুচড়ে ভেঙে দিচ্ছে।

এরই নাম হয়তো কষ্ট।

যাকে দেখা যায় না।

যার ঠিকানা বুকের সমুদ্র।

 

মানুষ বরাবরই শিশিরে বেঁচে দেয় ভালোবাসা।

সূর্য্যের সাথে যার আজীবন শত্রুতা।

মানুষ ধুলোপড়া চশমা মুছে,

অথচ বুজে না নিজের চোখের যত্নটা।

 

মানুষ এমনই।

দিনশেষে নিজেকে তুলে দেয় পরবর্তী দিনের কাছে।

মানুষ কিছুটা দুঃখ, কিছুটা কষ্ট,কিছুটা প্রেম আর কিছুটা অভিমানেই বাঁচে। 

 

মানুষ এমনই!


আকাশ কেনা বেচা

মনিরুজ্জামান অনিক


তোমার চোখে দেখতে পেলাম

বৃষ্টি বিলাস কাব্য।।

লুকিয়ে রাখা ভালোবাসা 

কি করে তা মাপবো।।

আমি হলাম উড়ালচন্ডী…

জলের মাঝেই স্বপ্ন।।

চোখের কোনে লুকিয়ে রাখি

না পাবার শব্দ।।

তুমি ভীষণ নাছোড়বান্দা 

ভালোবাসা চাইছো…

আমার আকাশ বেচে দিলাম 

অবশিষ্ট নাইতো।।


50% LikesVS
50% Dislikes