new love kobita bangla

New love kobita Bangla


new love kobita bangla

যেদিন তুমি ধরেছিলে হাত, কেঁদেছিলে কোন সুখে

 চোখের ভাষায় বুঝিয়েছিলে সব, এসেছিলো যা মুখে-

 গভীর সুখে রেখেছিলে মাথা আমার ব্যথার বুকে

 ভেবেছিনু হায়, এই বুঝি প্রেম, মরিব দুজন ধুকে।


 কোথাকার নদী কোথায় মিশেছে, সাগরে মুক্তি তার

 তব মুখখানি না দেখিলে মোর হইতো হ্রদয় ভার-

 সেই চিঠি পেয়ে ছুটে আসিতে আমার বক্ষ দ্বার

 ভেবেছিনু হায়, এই বুঝি প্রেম, কাঙালের কারবার।


 চোখ ভাসায়ে কাঁদিতে তুমি, যত দুঃখে আমার

 তোমারে হাসায়ে ধরেছি যে সুখ, হয়েছে কবে কার-

 হারাতে চেয়েছি যে ওপারের দেশে, পৃথিবী যে কোন ছার

 ভেবেছিনু হায়, এই বুঝি প্রেম; সাধ জাগে মরিবার।


 হেটেছি কত দুরের পথ দুজনে ধরিয়া হাত

 চোখের পরে চোখ রেখে যে, কেটেছে কতনা রাত-

 ভেবেছি এভাবে যাক যুগ যুগ, এভাবে আসুক নিপাত

 ভেবেছিনু হায়, এই বুঝি প্রেম; সুখেরই ঝঞ্ঝাপাত।


 সব নদী হায় বয়ে বয়ে যায়,তবু কভু হয় ক্ষয়

 তেমনি করিয়া ছাড়িয়া গিয়েছো, শুন্য করে হ্রদয়-

 দু’হাত শুধু শুন্যে তুলেছি আনবো তোমারে ফিরায়

 ভেবেছিনু হায়, এই বুঝি প্রেম; হ্রদয়ের দুঃসময়।


 আমারে লুকায়ে যাবে কতদুর, দেখা যে হবে আবার

 আমি যে কোথাও আবার হারাবো চোখে চোখ রেখে তোমার-

 আসিতেছি আমি তোমার কাছে, খুলে রাখো তব দ্বার

 বুঝেছিযে হায় এরে কয় প্রেম, ‘আশা, পুনঃমিলিবার’।


আমি জানি,

 তুমি ভালোবাসো তেমন করে

 মরুর বুকে যে তৃষ্ণার্ত খুঁজে পায় কাঙ্ক্ষিত পানির দেখা

 আমি জানি, আমি জানি তুমি ভালোবাসো।


 কিন্তু আবার ভাবি,

 যদি সবগুলো তারা খসে পড়ে,

 কিংবা মনে কর সব শুকিয়ে গেল,

 পথিক হারাল না তার পথ।


 তারপর…???

 তারপরও আমি জানি,

 আমি জানি তুমি ভালোবাসো

 তেমন করে,

 আমি ভালবাসি তোমায় যেমন করে।


ভালোবাসবো বলেই বেসেছি..

 কোনোকিছু না ভেবেই বেসেছি..

 কিছু চাই না..

 তুমি যেমন আছ সেইরকম-ই থেকো..

 ব্যস এইটুকু..


 রোজ সকালে ঘুম ভাঙানোর এস.এম.এস..

 কলেজ ক্যাম্পাসের খুনসুটি..

 আর সেই রাগ দেখানো তুমি..

 ব্যস এইটুকু..


 সত্যি বলছি আর কিছু চাই না..

 অতীতের কালো মুছে আলোকিত করেছ আমার জীবন…

 সর্বত্র তোমার আলোয় দৃশ্যমান হচ্ছে কিছু মুহূর্ত..

 ওই মুহূ্র্ত গুলো একটু একটু করে উপভোগ করছি..

 শেষ হতে দিতে চাই না..


 কোনো আবদার, কোনো commitment, কোনো কিছুই তুমি চাওনি..

 শুধু চেয়েছিলে আমায়…

 ব্যস এইটুকু..


 বিকেলে রাস্তায় তোমার সাথে কাটানো সময়..

 তখনো তুমি কিছু চাওনি..

 শুধুই হেসেছিলে…

 আর চেয়েছিলে আমায়, তোমার পাশে..

 ব্যস এইটুকু…


তখন নীল ধ্রুবতারা জাগেনি

 ঘুমন্ত ঘড়ির পানে চেয়ে বসে

 অন্ধকারের প্রতীক্ষায়

 দিন পেরোনোর অগোছালোতা

 সন্ধ্যার স্তব্ধতাটাকে গ্রাস করছে |


 একে একে সবাই চলে গেছে-

 ঘুম ভাঙানো সাইরেন,

 নীল পাড়ের শাড়ির তুমি |


 এই সময়টা আমার

 একান্ত ব্যক্তিগত..

 তুমি মুখ বাড়িও না প্লিজ..

 ভয় লাগে |


 এখানে আসা তোমার বারণ ||

 

প্রতি নিয়ত শিখছি..

 বেঁচে থাকার কায়দা..

 কখনো জানলাতে চোখ রেখে..

 কখনো বা মেঘটা কে দেখে..

 তোমার রূপকে আড়াল করার ক্ষমতা আমার নেই…

 কিছুক্ষণের জন্যও তুমি শুধু আমার…


 তোমার কথার চার দেওয়ালে বন্দী..

 ফোনের প্রেমালাপ চলত..

 মাঝরাতে তোমার টানে আমি মিথ্যুক সেজেছি…

 সব কথা বলা হয়নি…

 ওগুলো না বলাই থাক…

 পাপড়ি গুলো শুকিয়ে গেছে..

 মূল্য হারিয়েছে দু টাকার গোলাপ ।


একটু উষ্ণতার জন্য

 কত শত দিনের অপেক্ষা

 অবশেষে সেই মাহেন্দ্রখন,

 এতোটুকু স্পর্শে

 তুমি এতোটা জ্বলে উঠবে

 তা সত্যিই আমার বোধগম্য ছিল না।


 সে যেন এক উত্তাল তরঙ্গ,

 এদিক থেকে ওদিকে ভেসে বেড়ানো

 তরঙ্গের সেই অভিনব রুপ

 আমায় যেন অন্ধ করে দিয়েছে।


 উত্তাল তরঙ্গ যখন আরো বেশী উত্তাল

 তখন আমার অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি,

 এই মাতাল কে আরো বেশী মাতাল

 করেছিল তোমার স্পর্শ।


 তুমি যে অবর্ননীয় ছিলে

 তাতে কোন সন্দেহ ছিলনা,

 তারপরেও তোমাকে এতোটা

 কাছ থেকে না দেখলে

 তোমাকে আবিষ্কার করা

 এতোটা সহজ হতো না।


 তুমি সুন্দর, তুমি ভ..

 তুমি ধনুকের তীর।

 

 তুমি অগ্নি, তুমি অগ্নি মশাল

 চাইলেই আমায় জ্বালিয়ে দিতে পারে।


এ এক আজব দুনিয়া

 বড্ড আজব মনে হয় মাঝে মাঝে।

 এখনে মেঘের ঘনঘটা ছাড়াই বৃষ্টির দেখা মেলে

 এখানে গ্রীষ্ম বর্ষা শরৎ হেমন্তের কোন ভেদাভেদ নেই

 এখানে কখনো শীতের হিম সকাল আবার

 কখনো বসন্তের কোকিল ডাকা ভোর।


 এখানে,

 এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য পথ

 এ পথে হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে গেলেও

 গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে না।


 তারপরেও , সকাল সন্ধা এ পথেই হাঁটছে মানুষ,

 বড্ড আজব এ দুনিয়া আজব এ দুনিয়ার মানুষ।


 এখানের আকাশে তারা জ্বলে না

 এখানে জোসনা বলে কিছু নেই

 এখানে অমাবশ্যা আর পূর্নিমা যেন সমার্থক শব্দ।


 এখানে চব্বিশ ঘণ্টাই দিন আবার চব্বিশ ঘণ্টাই রাত

 আজব এই দুনিয়া বেহুঁশ এই দুনিয়ার মানুষ।


যেদিন আমার

 জীবন নামাক কলমের কালি হয়ে যাবে শেষ

 বাড়ীতে পরিবে কান্নার রোল,

 আত্নীয় স্বজন পাইবে খবর

 আসিবে দেখিতে আমায়।

 মা আমার কাঁদিবে সেদিন

 বলে হায় হায়।


 সেদিন,

 কেউ আনিবে কাফনের কাপড়

 কেউ গরম করিবে জল.

 কেউ কাঁটিবে ঝাড়ের বাঁশ

 কেউ আসিয়া খুঁজিবে আমার লাশ।

 কেউ খুড়িবে কবর,

 মা আমার সেদিন

 কান্নার থাকিবে বিভোর।


 গোসল দিয়ে সাদা কাপড়ে জড়াবে

 কাঠের পালকি সাজাবে

 প্রার্থনা শেষে কাঁধে তুলিবে লাশ

 সবাই জানাবে আমায় বিদায়,

 মা আমার কাঁদিবে সেদিন

 বলে হায় হায়।


গত রাতে আমি ঘুমাইনি

 বসে বসে দেখিছি চাঁদের হাসি

 তাঁরাদের মেলা,

 বসেই ছিলাম জানালার পাশে

 একটুও ঘুমাইনি।


 আমি শুনেছি পুরানো দিনের গান

 হারিয়ে গিয়েছিলাম গানের মাঝে

 মনে হচ্ছিল,

 কোন পরিচিত একজন

 আমায় গান শুনাচ্ছে।


Next Page

50% LikesVS
50% Dislikes