mojar golpo ।।২৩ বেস্ট  মজার গল্প ।।


 

প্রিয় পাঠকগণ। mojar golpo গুলো পড়তে কার না ভালো লাগে। তাই আজকে আমরা আপনাদের জন্য। খুব মজার মজার গল্প গুলি নিয়ে এসেছি যেমন। পাগল পরীক্ষা,কুমির,রাগ,গাধার বাচ্চা,মিস কল,তেল বাজি ,থ্রীইডিয়েড,চাপা বাজি ১,চাপাবাজি ২,বাবার উপর রাগ,কৌতুক ১,কৌতুক ২,তিন দোস্ত,পুরো দুনিয়া,লাইট ছাড়া কাজ করবো কেমন করে,পাঁচ ইঞ্চি দাড়ি,পল্টু ও পল্টুর দাদু,২০৩০ সালের ভিক্ষুকের ভিক্ষা,ছোট গল্প দুই চাপাবাজের সঙ্গে গল্প হচ্ছে, ছোট গল্প ১,ছোট গল্প ২,ছোট গল্প ৩,mojar golpo,


পাগল পরীক্ষা ১ | Mojar Golpo


 

একদিন পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি, আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে। ডাক্তার তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা পানিশূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন। প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙ্গে ফেলল। দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের কথা মতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙ্গে ফেলল।

 

কিন্তু তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তার আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন, আরে, তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ। তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই। আচ্ছা বলো তো তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না?

জবাবে সে বললো, ‘আমি তো সাঁতার জানি না’।


 

কুমির ২ |Mojar Golpo


 

ক্লাস থ্রীর এক ছেলে প্রথম সাময়ীক পরীক্ষার সময় ‘কুমির’ রচনা শিখেছে। সমস্যা হল এর পর যে পরীক্ষাই আসুক সে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই কুমিরের রচনাই লেখে। যেমন একবার রচনা এলো বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের কর্তব্য। তো সে লিখলো- বাবা মা আমাদের জন্ম দেয়। তারা আমাদের লালন পালন করে। কুমিররাও তাই করে। জেনে রাখা ভালো যে, কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা…দশ পৃষ্ঠা শেষ।

 

এরপরের পরীক্ষায় রচনা এলো আমার প্রিয় শিক্ষক। সে লিখল- আমার প্রিয় শিক্ষক এর নাম মোহাম্মদ আসাদ। তার চোখ গুলো গোলগোল। কুমিরেরও চোখ গোল গোল। জেনে রাখা ভালো যে কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা…দশ পৃষ্ঠা শেষ।

 

শিক্ষক দেখলেন এতো ভারী বিপদ। শেষে তিনি অনেক ভেবে চিন্তে রচনার বিষয় ঠিক করলেন পলাশীর যুদ্ধ। লেখ ব্যাটা, এই বার দেখি কি করে তুই কুমিরের রচনা লিখিস।

 

তো ছাত্র লিখলো- ১৮৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজ এবং বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজুদ্দৌলার মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে নবাব সিরজুদ্দৌলা তার সেনাপতি মীরজাফর এর উপর ভরসা করে খাল কেটে কুমির এনেছিলেন।জেনে রাখা ভালো যে, কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা…দশ পৃষ্ঠা শেষ!


 

রাগ ৩ | Mojar Golpo


 

একদিন ছেলে বসে পড়ছিল তখন বাবা ছেলের পাসে বসল-

বাবা: তুই সারাদিন এমন চুপ চাপ থাকিস কেন?

ছেলে: কেন বাবা আমিতো কথা বলি।

বাবা: তোকে অযথা এত বকাঝকা করি অথচ কিছু বলিস না। প্রতিবাদ করিস না।

ছেলে: কেন বাবা, আমিতো প্রতিবাদ করি।

বাবা: কই করিস? আমি যে দেখি না।

ছেলে: কেন বাবা তুমি বকা দিলে আমি টয়লেটে যাই।

বাবা: টয়লেটে গেলে কি রাগ কমে? টয়লেটে গিয়ে কি করিস যে রাগ কমে?

ছেলে: টয়লেট ব্রাশ করি।

বাবা: টয়লেট ব্রাশ করলে কি রাগ কমে?

ছেলে: কেন আমি তোমার ব্রাশ (দাঁতের) দিয়ে টয়লেট ব্রাশ করি।


গল্প : গাধার বাচ্চা ৪ | Mojar Golpo


সৈয়দ রহিম মিঞার মেজাজ ভীষণ খারাপ। তার একমাত্র ছেলে মন্টু মিঞা এইবার তৃতীয়বারের মত এস,এস,সি পরীক্ষা দিয়েছে। ফলাফল সম্ভবত একই। কারন আজ পরীক্ষার রেজল্ট হবার কথা। একারনেই হয়ত সকাল থেকেই মন্টুর কোন খোজ নেই। রহিম মিঞা।

 

মন্টুকে খুজে না পেয়ে যা বোঝার বুঝে নিয়েছেন। হতচ্ছাড়া, নালায়েক পোলা আবার ফেল করেছে। পোলাকে সামনে না পেয়ে রাগটা গিয়ে পড়ল স্ত্রীর উপর। কান ফাটানো শব্দে চেচিয়ে উঠলেন, “মন্টুর মা, ও মন্টুর মা. . . . গেলা কই। মরলা নাকি?” মন্টুর মা ই বা কম যায় কিসে? হাজার হোক, তিনি সৈয়দ বাড়ীর বউ। সমান তেজে জবাব দিলেন, “কি কইবা, কও। আমি শুনতাছি।“

 

– “তোমার নালায়েক পোলা কই পালাইছে?”

– “পোলা কি শুধু আমার? তুমি খোজ রাখবার পার না?

– “দেখ মন্টুর মা, তোমার লাই পায়া পায়া পোলা গোল্লায় গেছে। কই লুকায়া রাখছ কও? আইজ আমার সাধের লাঠি ওর পিঠে আমি ভাঙ্গুমই ভাঙ্গুম।“

– “কেন? আমার পোলায় কি করছে?”

– “কেন? তুমি বোঝ না? এত বেলা হইল পোলার কোন খবর নাই। আইজ পরীক্ষার রেজল্ট দিতাছে। গাধার বাচ্চা নিশ্চই ফেল করছে। না হইলে পলাইব কেন?”

– “তাইত কই! পোলা আমার পত্যেক বার ফেল করে কেন? গাধার বাচ্চা কোন সময় পাশ করবার পারে? গাধার বাচ্চাতো সারা জীবন গাধাই থাকে।“

 

রহিম মিঞা রাগের মাথায় ভুল করে মিসটেক করা বাক্যটার হাত থেকে রেহাই পেতে লাঠি হাতে ছেলের খোজে বের হয়ে গেল।

 

যথাসময়ে পরীক্ষার রেজল্ট পাবলিশ হল। রহিম মিঞার ধারণা সত্য প্রমাণ করার জন্যই মনে হয় অনেক খুজেও মন্টু তার রোল পাশকরা ছাত্রদের মধ্যে দেখতে পেল না। মনের মধ্যে দশ নম্বর বিপদ সংকেত শুনল। আর দেরী নয়, ঝেড়ে দৌড় লাগাল মন্টু মিঞা। পরবর্তী দৃশ্য বড়ই মনোরম। মন্টু মিঞা দৌড়াচ্ছে। পিছনে লাঠি হাতে রহিম মিঞা। সমান তালে চেচ্চাচ্ছেন তিনি। “ধর, ধর”।

 

মন্টু জান প্রাণ হাতে নিয়ে দৌড়াচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে মন্টুর বন্ধু হাবলু ভাবল মন্টু নিশ্চই বিপদে পড়েছে। নিশ্চই তারে পাগলা কুত্তা তাড়া করছে। না হইলে এই ভাবে দৌড় দিবে কেন? সে আপন মনে দৃশ্যটা কল্পনা করে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেতে লাগল। রহিম মিঞা হাবলুকে পাশ কাটনোর সময় তাকে এভাবে হাসতে দেখে অবাক হলেন। কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কি হইছেরে হাবা?

 

এমুন কইরা হাসতাছস কেন?” হাবলু হাসতে হাসতে জবাব দিল, “কুত্তার তাড়া খায়া মন্টু এমুন দৌড় দিছে! দেইখা হাসতাছি।“ রহিম মিঞা হুংকার ছেড়ে বললেন, “কি? আমি কুত্তা? এত বড় সাহস!” মুহুর্তের মধ্যে রহিম মিঞার লাঠির দু ঘা হাবলূর পিঠে পড়ল। আর হাবলু? কিছু বুঝতে না পেড়ে জান বাচাতে মন্টুর সঙ্গী হল।

 

এদিকে মন্টু দিক বিদিক জ্ঞান শুন্য হয়ে দৌড়াতে গিয়ে ধাক্কা খেল পাশের বাড়ির হালিমের সাথে। হালিম আর মন্টু ধাক্কা খেয়ে চিৎপটাং। হালিম লাফিয়ে উঠে মন্টুকে জড়িয়ে ধরেই চিৎকার শুরু করল, “চোর! চোর!. . . .” মন্টু হালিমের হাতের চিপায় পড়ে চিও চিও করে বলে, “আমি চোর না। আমি মন্টু।“ হালিম মন্টুকে না ছেড়েই বলে, “ তাইলে এইভাবে চোরের লাহান দৌড় দিছিস কেন?”

 

মন্টু হালিমের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য বলল, “দেখতেছিস না আব্বারে একটু দৌড় শিখাইতেছি। এইবার ছাড় নারে ভাই, আমি পালাই।“ হালিমের তবুও সন্দেহ যায় না। বলল, “একটু খাড়া। চাচা আসুক। আসল ঘটনা জাইনা লই।“ মন্ট ভাবল, ‘আমি এইবার শেষ।“ কি করা যায়? এমন সময় হালিম দেখল গগন বিদারী চিৎকার করতে করতে হাবলূ ছুটে আসছে। পিছনে লাঠি হাতে রহিম চাচা।

 

মুহুর্তের মধ্যে মন্টুর হাত ছেড়ে সেও দৌড় দিল। পিছনে পড়ে রইল তার বিদায়ী বানী, ”চাচায় ক্ষেপছে।“ ছাড়া পেয়ে মন্টুইবা দেরী করবে কেন? সেও হাওয়া হল।

 

রহিম মিঞা বুড়া মানূষ। বেশিক্ষণ মন্টুর পিছে তাড়া করতে পারল না। সে হাটতে হাটতে এগিয়ে চলল। এই ফাকে মন্টু দৌড়ে তাদের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নিল। এক পর্যায়ে দৌড়াতে দৌড়াতে ক্লান্ত মন্টু একটা খরের গাদা দেখতে পেয়ে সেখানে আরাম করে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। মন্টু এস,এস,সি পরীক্ষা দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু কোনদিন বই খুলে দেখছে কিনা সন্দেহ আছে। তাই সে খরগোশ আর কচ্ছপের গল্পটাও হয়ত জানে না।

 

রহিম মিঞা হাটতে হাটতে খরের গাদার সামনে এসে হাজির হল। দেখল মন্টু আরাম করে ঘুমাচ্ছে। দেখে তার মেজাজ আরো খারাপ হল। মনে মনে ভাবল, “আমি সারাদিন হেটে বেড়াচ্ছি। আর নবাবজাদা আরাম করে ঘুমাচ্ছে।“ দেরী না করে হাতের লাঠি দিয়ে খোচা দিলেন তিনি। খোচা খেয়ে মন্টুর ঘুম একটু পাতলা হল। ঘুম জড়ানো কন্ঠেই সে বলল, “কোন শালারে?” এইবার রহিম মিঞা দু ঘা লাগিয়ে দিয়ে বললেন,

 

“শালা না, আমি তোর বাপ।“ দু ঘা খেয়ে মন্টুর ঘুম বাপ বাপ করে পালাল। সেই সাথে সেও বাপ বাপ করে বলল, “আব্বাগো, এই বারের মত মাফ কইরা দাও। আমি আর জীবনেও ফেল করমু না।“ রহিম মিঞা আরোও দু ঘা লাগিয়ে বললেন, “গতবারও এই কতাই কইছিলি।“ মন্টু এই বার কাদতে কাদতে বলল, “আর কোন দিন কমু না। আবার যদি ফেল কার তবে তুমি কওনের সুযোগ দিও না। কওনের আগেই. . . . .

 

“ রহিম মিঞা উত্তেজিত হয়ে বলল, “কি? কি কইতে চাস? কওনের আগেই তোরে জানে মাইরা ফালামু?” মন্টু ভয়ে ভয়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে বলল, “না। আমি কইতে চাইছিলাম, কওনের আগেই মাফ কইরা দিও।“ রহিম মিঞার লাঠির আরো দু ঘা পড়ল মন্টুর পিঠে। মন্টু এইবার বাবার পা ধরে বলল, “এইবরের মত মাফ কর বাজান। দোষী তো খালি আমি একা না।“ রহিম মিঞা অবাক হলেন। বললেন, “

 

দোষী তুই একা না, মানে?” মন্টু এবার কপট রাগ দেখিয়ে বলে, “সব দোষ বুঝি আমার? স্যারগরে দোষ নাই। স্যাররা যদি আমারে পড়াইতো, আমি কি ফেল করতাম?” রহিম মিঞা ভেবে দেখল, “তাইত! স্যারেরা যদি ঠিকমত পড়াইতো, তবে কি আর তার ছেলে ফেল করত? এইবার স্যারগরে ধরতে হইব।“ ছেলের হাত ধরে সে চলল হাইস্কুলের দিকে। এদিকে স্কুলের অংক স্যার কুদরত আলী প্রাইভেট পড়ানোর জন্য হাতে ছাতা ঝুলিয়ে সেই পথ দিয়েই যাচ্ছিল।

 

স্যারকে দেখে রহিম মিঞা হাতের লাঠি উঠিয়ে ডাক দিল, “মাস্টার সাব, ও মাস্টার সাব।“ কুদরত স্যার ইতিমধ্যেই হাবলু আর হালিমের কাছে রহিম মিঞার ক্ষেপে ওঠার ঘটনা জেনে গেছে। লাঠি হাতে রহিম মিঞাকে ছুটে আসতে দেখে তার মনের মধ্যে কু ডাক ডেকে উঠল। তিনি আর দেরী করলেন না। উল্টা দিকে ঘুরে ঝেড়ে দৌড় লাগালেন। কিন্তু তার ভাগ্য হাবলু আর হালিমের মত ভাল হল না।

 

অনভ্যস্ত শরীরে দৌড়াতে গিয়ে খেলেন আছাড়। আছাড় খেয়ে পায়ের জুতো কোথায় গেল কে জনে? ছাতাটাও গেল বাকা হয়ে। কোন মতে হাচরে পাচরে উঠে দাড়ালেন। ততক্ষণে রহিম মিঞা মন্টুকে নিয়ে পৌছে গেছেন। কুদরত স্যার পালানোর আর পথ পেলেন না। ছাতা সারা আর জুতো খোজায় মন দিলেন। রহিম মিঞা কাছে এসে জানতে চাইলেন, “ওকি মাস্টার সাব। ওভাবে দৌড় দিলেন কেন?” কুদরত স্যার নিজেকে সামলে নিয়ে বলরেন,

 

“ও কিছু না। আমাদের গেম স্যার আমাকে সকালে আধাঘন্টা আর বিকালে আধাঘন্টা করে এক ঘন্টা দৌড়াতে বলেছেন। তাইলে নাকি আমার শরীর ভাল থাকবে।“ ত্যাদর মন্টু হেসে বলল, “কিন্তু স্যার, এখনওতো বিকাল হয় নাই। এখন দুপুর বলা চলে।“ “চুপ কর বেয়াদব।“ কুদরত স্যার ধমকে উঠলেন। “তুই জানিস না, আমি অংকের স্যার। আমি অংক কষে বের করলাম, গড়ে সকালে ২০ মিনিট, দুপুরে ২০ মিনিট আর বিকালে ২০ মিনিট দৌড়ালে আমার একঘন্টা দৌড়ানো হবে। তাই সেভাবে দৌড়াই।“

 

এরপর রহিম মিঞার হাতের লাঠি দেখিয়ে কুদরত স্যার জানতে চাইলেন, “ওটার কাজ কি? লাঠি নিয়ে ঘুড়ছেন কেন? রহিম মিঞা দাত কিরমির করে বললেন, “গাধা পিটামু।“ এইবার কুদরত স্যার রেগে গেলেন। বললেন, “দেখেন, বিনা কারনে লাঠি নিয়ে তাড়া করলেন। আবার গাধা বলে গালি দিচ্ছেন। ভাল হচ্ছে না কিন্তু।“ রহিম মিঞা অবাক হয়ে বললেন, “আমি আবার আপনারে তাড়া করলাম কখন? আর গাধাই বা বললাম কখন?

 

আমিতো গাধা কইছি আমার পোলা মন্টুরে।“ কুদরত স্যার হাফ ছেড়ে বাচলেন। বললেন, “কেন, কেন? মন্টুকে গাধা বলছেন কেন? কি করেছে আমাদের মন্টু?” রহিম মিঞা বললেন, “কি করেছে মানে? কি করে নাই সেইটা কন?” কুদরত স্যার তারাতারি শুধরে নিয়ে বললেন, “কি করে নাই মন্টু?” রহিম মিঞা দ্বীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “পাশ। পাশ করে নাই মন্টু।“ কুদরত স্যার হতাশ গলায় বলেন, “আবারও ফেল।“

 

মন্টু দাত বের করে হাসতে হাসতে স্যারের পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে বলল, “জ্বী স্যার, আপনাদের বদ দোয়া।“ কুদরত স্যার লাফিয়ে তিন হাত পিছনে সরে গিয়ে বললেন, “বদ দোয়া মানে?” মন্টু দাত বের করেই উত্তর দিল, “স্যার, পাশকরা ছাত্ররা আপনাদের পায়ে হাতদিয়ে সালাম করে বলে ‘আপনাদের দোয়ায় পাশ করছি’। তাই আমি কইলাম, আপনাদের বদ দোয়ায় ফেল করছি।“ কুদরত স্যার ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে রইলেন। আর রহিম মিঞা দ্বিতীয় বারের মত মন্টুকে বললেন, “গাধার বাচ্চা।“


 

মিস কল ৫ | Mojar Golpo


 

বাংলাদেশের এক কবি সেলফোনকে আদর করে ডেকেছিলেন মুঠোফোন বলে । মোবাইল ফোন কিংবা মুঠোফোন যে নামে ডাকি না কেন, আমাদের হাবলুর খুব শখ একটি মোবাইল ফোন কেনার । কিন্তু মোবাইল সম্পর্কে তার জ্ঞান একেবারে শূন্যের কৌটায় । ফলে সে বেশ চিন্তাযুক্ত অবস্থায় দিন যাপন করতে লাগল ।

হাবলুর বাড়ি কক্সবাজার জেলার দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি । সেখানে বিদ্যুৎ নেই, বিদ্যাশিক্ষা অর্জনের জন্য কোন ইস্কুলও নেই । শহুরে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল তাদের জীবনযাত্রা । গ্রামের মানুষ সহজ সরল না হাবাগোবা ঐ বিতর্কে না গিয়ে আমাদের হাবলুকে হাবাগোবা বলাই সঙ্গত । পিতামাতার তিরোধানে সে তুর্কি সুলতানদের ভাগ্যান্বেষণে ভারতবর্ষে আগমনের মত নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়।

 

কক্সবাজার শহরে চলে আসে । হাবলুর কপাল ভাল । কিছুদিন ঘোরাঘুরি করেই সমুদ্রের তীরে একটা রেস্টুরেন্টে টেবিল বয়ের কাজ পেয়ে গেল । ধীরে ধীরে কাস্টমারদের সাথে সু-সম্পর্ক তৈরি হল তার । কাস্টমাররা হাবলুকে বেশ পছন্দও করে ।

 

কাস্টমাররা যখন চা পান করতে করতে মোবাইল ফোনে আলাপ করে, হাবলু তন্ময় হয়ে তাদের কথাবার্তা শুনে । সে লক্ষ্য করে অনেকে চাপাস্বরে কথা বলে, আবার কেউ কেউ কথা বলার সময় চিল্লায় । আবার অনেক লোককে দেখেছে গালাগালি করতে । সে বুঝতে পারে মোবাইল দিয়ে গালাগালিও করা যায় । এইটা একটা বেশ সুবিধা । সে মোবাইল কিনে প্রথমে তাদের গ্রামের মইত্যাকে গালাগালি করবে । মইত্যা তাকে একবার দিগম্বর করেছিল । সেকথা হাবলু আজও ভুলতে পারে নাই ।

 

এদিকে রেস্টুরেন্টের মালিকের কাছে হাবলুর তিন মাসের বেতনের টাকা জমা পড়ে আছে । সে মালিককে গিয়ে বলল, স্যার আমার বেতনের টাকাটা লাগব ।

মালিক জানতে চায়, এত টাকা দিয়ে কি করবি হাবলু ?

সে সলজ্জ উত্তর দেয়, মোবাইল কিনুম স্যার ।

 

মোবাইল কিনবি ! মালিক কিঞ্চিত আশ্চর্য হলেন । তারপর হাবলুর সব পাওনা বুঝিয়ে দিলেন । ডিউটি শেষ করে হাবলু মোবাইল ফোন কিনে নিয়ে এল । সে এখন একটি মোবাইল ফোনের গর্বিত মালিক । খুশিতে তার বুক উঁচু হয়ে গেল । সে দ্রুত নিজের খুপরিতে ফিরে আসে। মোবাইল সেট হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে ভাবতে লাগল মইত্যাকে গালাগালি করে নিলে ভাল হয় ।

 

সে সবুজ বোতাম চাপ দিয়ে কানের কাছে ধরল। তৎক্ষনাৎ শুনতে পেল একটি মিষ্টি মেয়েলি কন্ঠ । বলছে, আপনার একাউন্টে যথেষ্ট পরিমাণ টাকা নেই । আপনার একাউন্ট রিচার্জ করুন ।

 

বারবার এই কথা শুনতে শুনতে হাবলু বিরক্ত হয়ে ধমক দিল । এই বেটি চুপ কর । আমি আগে একটু মইত্যারে গালি দিয়া লই ।

হাবলু অপেক্ষা করতে লাগল । বুঝল মেয়েলি কন্ঠ চুপ হয়ে গেছে । সে এবার মতিকে গালাগালি শুরু করল । এই মইত্যা হারামজাদা, খানকির পোলা তুঁই তো হাবলুরে চিনস নাই । আমি এখন মোবাইল কিনছি । তরে ডেইলি গালাগালি করব । এই কুত্তার পোলা কথা কস না কেন ?

 

হাবলু বুঝতে পারে মতি ঘাবড়াই গেছে এ কারণে চুপ করে থাকছে । সে মনে মনে স্বস্থি পায় । সে তার এক বন্ধুর কাছে ফোন করার জন্য মোবাইল সেট আবার কানের কাছে ধরল এবং পূর্বের নারীকন্ঠ আবার শুনতে পেল । সে খুব চিন্তিত হয়ে ভাবতে লাগল কেন মেয়েটি বারবার একই কথা বলে যাচ্ছে । অগত্যা সে মালিকের শরণাপন্ন হলে মালিক জানায় মোবাইলে টাকা ভরতে হবে; না হয় কথা বলা যাবে না ।

 

মোবাইল কিনতেই হাবলুর সব টাকা শেষ হয়ে গেছে । তার পকেট একেবারে খালি । সে মালিকের কাছ থেকে বিশটাকা অগিম নিয়ে ফ্লেক্সিলোডের দোকানে চলে এল । দোকানিকে বলল, ভাই বিশ টেকা ভরেন ।

কত নম্বর ? দোকানি জিজ্ঞেস করে ।

হাবলু আমতা আমতা করে । সে ইংরেজি বাংলা মিশিয়ে নম্বরটি বলে ।

 

দোকানি বলে , ঠিক আছে আপনি চলে যান, আপনার কাজ হয়ে গেছে ।

হাবলু সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল দোকানির দিকে । কারণ সে দেখেছে দোকানি বিশটাকা ক্যাশ বাক্সে ভরেছে, মোবাইলে ভরে নাই । বুঝতে পারল সে ঠকবাজের পাল্লায় পড়েছে । সে রাগান্বিত হয়ে বলে, ভাই আপনি তো টেকা ক্যাশ বাক্সে ভরেছেন মোবাইলে ভরেন নাই ।

 

দোকানি অবাক হয়ে তাকাল হাবলুর দিকে । ভাবল নিশ্চয় ছেলেটির স্ক্রু ঢিলা । তিনি বললেন, এই টাকা ক্যাশ বাক্স থেকে আপনার মোবাইলে চলে যাবে । চিন্তার কারণ নেই ।

 

হাবলু ভাবে এখন তো দূর থেকে টেলিভিশন চালানো যায় । এটাও ঐরকম কোন কেরামতি হবে । সে দাঁড়িয়ে থাকলে দোকানি জিজ্ঞেস করে, আর কিছু বলবেন ?

হাবলু বলে, আমার নম্বরটা কাগজে লিখ্যা দিবেন ?

দোকানি কাগজ কলম নিয়ে জিজ্ঞেস করে, আপনার নাম কী ?

হাবলু ।

 

দোকানি কাগজে হাবলু নামটি লিখে ও এর নিচে মোবাইল নম্বর লিখে হাবলুর হাতে দিল ।হাবলু খুশি মনে খুপরিতে ফিরে আসে । সে বালিশের তলা থেকে অনেক গুলো কার্ড বের করে আনে । এসব কার্ডে তার পরিচিত কাস্টমারদের নম্বর আছে । সে চিন্তা করল সবাইকে মোবাইল ক্রয়ের সংবাদটা জানানো উচিৎ । কিন্তু এতজনকে কল করতে গেলে তার সব টাকা শেষ হয়ে যাবে । সে আগেই জেনেছিল মিস কল দিলে টাকা কাঁটা যায় না ।

 

সে ভাবে মিস কলই দেবে ।

হাবলু প্রথমে বেছে বেছে সুমি আপুর নম্বরটি বের করল । সুমির নম্বরে রিং বাজছে । সুমি রিসিভ করে বলল, হ্যালো ।

হাবলু বলে, সুমি আপু আমি হাবলু । আমি মোবাইল কিনেছি । ভাবলাম আপনারে একটা মিস কল দিই । এইটা মিস কল দিলাম । পরে আপনার সাথে কথা বলব। এখন রাখি সুমি আপু ।

সুমি অনেক কষ্ট করে হাসি চেপে রেখে বলল, হে হাবলু খুব ভাল করেছিস মিস কল দিয়ে । তুঁই এভাবে মাঝে মাঝে মিস কল দিস । কেমন ।

 

আইচ্ছা সুমি আপু । তাহলে এখন রাখি ।

হাবলু লাইন কেটে দিল । সে সজলের নম্বরটি খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে গেল । সজল কল রিসিভ করতেই হাবলু বলল, হ্যালো সজল ভাইয়া আমি হাবলু । শুনেন আমি একটা নতুন মোবাইল কিনেছি । ভাবলাম আপনাকে মিস কল দিয়ে খবরটা জানাই । এইটা আপনাকে মিস কল দিলাম ।

 

সজল হাসতে হাসতে বলল, তুঁই নাকি সুমিকেও মিস কল দিয়েছিস ?

সুমি আপু আপনাকে বলেছে ?

হে । সে তো একটু আগে আমাকে ফোন করে জানাল । আর কাকে মিস কল দিয়েছিস ?

এখনও আর কাউকে দিই নাই ।

ঠিক আছে তুঁই সবাইকে মিস কল দিতে থাক । আমি এখন রাখলাম ।

হাবলু এবার মতিন আংকেলের নম্বরে মিস কল দেয় । আরও কয়েকজনকে মিস কল দেয়ার পর সে ভাবল মিশু আপুকেও মিস কল দিয়ে খবরটা জানিয়ে দিলে ভাল হয় । কিন্তু মিশু আপুকে মিস কল দিতে গিয়ে হাবলু আবারও সে নারী কন্ঠস্বর শুনতে পেল । বলছে, আপনার একাউন্টে যথেষ্ট পরিমাণে টাকা নেই । অনুগ্রহপূর্বক আপনার একাউন্ট রিচার্জ করুন ।

 

হাবলু খুব অবাক হল । সে তো একটু আগে বিশ টেকা ভরেছে । তাহলে টেকাটা গেল কোথায় ? সে তো মিস কলই দিয়েছে । এখনও পর্যন্ত একটা ভাল কল করে নাই । হাবলু বুঝতে পারল এই বেটি ঠকবাজ । খালি টেকা ছাড়া আর কিছু চিনেনা । সে আবার চেষ্টা করল মিস কল দেয়ার জন্য । আবারও পূর্বের কন্ঠস্বর শুনতে পেল । হাবলু বলল, এই মাইয়া শুধু একবার কও হাবলু আমি তোমারে ভালোবাসি । তাহলে আমি আবারও বিশ টেকা ভরতে রাজী ।

 

পরদিন মিশু এলো রেস্টুরেন্টে । হাবলু কাপ প্লেট পরিষ্কার করে চা এনে দিল । মিশু বলল, হাবলু তুঁই তো আমাকে মিস কল দিলি না ।

 

হাবলু মুখভার করে জবাব দিল, আপু মিস কল দিতেও যে টেকা লাগে এইটা জানতাম না ।


 

তেলবাজি ৬ | Mojar Golpo


আমাদের ক্লাশে এক ছেলে পড়ে,নাম মুন্না।কথা বার্তায় খুবই ধীর স্থির ও ভদ্র(!) ছেলে,তবে মেয়ে দেখলে নজর একটু এদিক সেদিক হয়ে যায় আর কি,কি আর করবে বয়সের দোষ।

 

গল্পের আরেক চরিত্র আমাদের সবার প্রিয় চর্ম ও যৌন বিভাগের অধ্যাপক ডাক্তার+কবি বি.জামান স্যার(বিশাল ভুরি,এতোই বড় যে কোট পড়লে আর বোতাম লাগাতে পারেন না+মাথা ভর্তি পরচুলা )। তো স্যারের সাহিত্য প্রেম এমনই যে তিনি প্রতি বছর যেসব অখাদ্য কবিতা লিখবেন তা আবার উনি বিশাল এক অনুষ্ঠান করে সবাইকে ফ্রি চাইনিজ খাবার খাইয়ে তার প্রকাশ ঘটাবেন। (হে হে ফ্রি দিলে ছাড়ি কেমনে কন?)

 

তো এইসব অনুষ্ঠান আয়োজনে স্যারের ডান হাত হলো আমাদের মুন্না ভাই MBBS.

একদিন একটি অনুষ্ঠানের আগে স্যার মুন্নাকে ডাক দিলেন-

স্যার: মুন্না,এই সিডিটা রুমে নিয়ে যাও,এখানে আমার লেখা+সুর করা একটি গান একজন শিল্পীকে দিয়ে গাইয়েছিলাম,শুনে আমাকে জানাও তো কেমন হয়েছে।

মুন্না: স্যার,আমি না শুনেই বলে দিতে পারি এই গান রেডিও,টেলিভিশনে দিলে নং 1 হবে।তারপরেও আপনার কথায় রুমে গিয়ে আরও ভালো মত শুনবো।

তো মুন্না স্যারকে কিঞ্চিত পাম তেল দিয়ে নিজের রিক্সা ভাড়াটা আদায় করে নিলো।(পোলা এক পিস )

পরেরদিন—–

 

স্যার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সবাইকে নিজের চেম্বারে ডেকেছেন,মুন্নাও হাজির।

মুন্না:স্যার,আপনাকে যে কি বলবো,আমি এতো সুন্দর গান আমার জীবনেও শুনি নাই।(তেলকূপ থেকে তেল নির্গমন শুরু হলো )

বর্তমানে যারা গান গায় এদের উচিত আপনার লেখা ও সুর করা গান গাওয়া।আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না স্যার,আমি রাত্রি ১২ টা থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত বার বার আপনার এই শুনেছি,পড়ে গান শুনতে শুনতেই ঘুমিয়ে পড়লাম।

 

মুন্নার মত স্বল্পভাষী,ভালো (!) ছেলের মুখে এহেন প্রশংসামূলক বক্তব্য শুনে স্যারের শার্টের বোতামগুলো ও মারে,বাবারে করা শুরু করে দিয়েছিলো,আর স্যারের ভুরিও রুমের ছাদ ছুই ছুই করছিলো।

স্যার: তাহলে তো মুন্না,আমার এই গানটি উপস্থিত সবাইকেই শুনাতে হয়।

 

মুন্না: মুখ একটু কাচু-মাচু করে,অবশ্যই স্যার।

তো স্যার সিডিটি নিয়ে উনার ল্যাপটপে ঢুকালেন কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও গান বাজাতে সক্ষম হলেন না।

(সবার ধারনা সিডিতে মনে স্ক্রাচ সংক্রান্ত ঝামেলা হয়েছে )

 

অবশেষে বিরক্ত হয়ে স্যার সিডিটি ল্যাপি থেকে বের করে ভালোমত চেক করে দেখলেন।তারপর মুন্নার দিকে তাকিয়ে বললেন-মুন্না,আমি তোমাকে ভুলে ব্ল্যাংক সিডি দিয়েছিলাম।

এই কথা শুনে উপস্থিত সবাই- …….


 

থ্রী ইডিয়টস ৭ | Mojar Golpo


 

আমির খান : ( ক্লাসে বসে হাসছিলো ।)

টিচার : আপনি হাসছেন কেন ?

আমির : অনেকদিন থেকেই ফেসবুকের পেজ অ্যাডমিন হওয়ার ইচ্ছা ছিলো । আজ হয়েছি । খুব মজা লাগতেছে স্যার ! টিচার : বেশী মজা নেয়ার দরকার নাই । টেল মি , হোয়াট ইজ পোস্ট ?

 

আমির : এনিথিং দ্যাট ইজ পোস্টেড অন ফেসবুক ইজ পোস্ট স্যার ।

টিচার : ক্যান ইউ প্লিজ এলাবোরেট ?

 

আমির : স্যার , পাবলিক ফেবুতে যাই ই দেয় , তাই পোস্ট । ঘুরতে গেলাম , ফটো দিলাম । পোস্ট স্যার । ম্যাচ দেখতে গেলাম , স্কোর দিয়ে দিলাম । পোস্ট স্যার । আসলে পোস্ট আমাদেরকে চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে । ক্যাটরিনার পিক থেকে রোনালদোর কিক পর্যন্ত , সব পোস্ট স্যার ! এক সেকেন্ডে কমেন্ট , এক সেকেন্ডে লাইক । কমেন্ট-লাইক , কমেন্ট- লাইক!

 

টিচার : শাট আপ ! অ্যাডমিন হয়ে এগুলা করবা ? কমেন্ট-লাইক , কমেন্ট-লাইক ? চতুর তুমি বলো তো ।

চতুর : পিকচার , টেক্সটস্ অর ভিডিওস পোস্টেড থ্রো মোবাইল অর ট্যাবলেট অর ল্যাপটপ অর ডেস্কটপ উইথ ডিফারেন্ট অপারেটিং সিস্টেম ইউজিং ইন্টারনেট অন ফেসবুক ইজ কলড্ আ পোস্ট।

টিচার : বাহ !

 

আমির : কিন্তু স্যার , আমিও তো সেটাই বললাম সোজা ভাষায় ।

টিচার : সোজা ভাষায় বলতে চাইলে অন্য কোথায় গিয়ে বলো, পেজের অ্যাডমিন হয়ে নয়।

আমির : কিন্তু স্যার অন্য অ্যাডমিন রাও তো…

টিচার : গেট আউট !

আমির : ওহ , হোয়াই স্যার ?

টিচার : সোজা ভাষায় বেরিয়ে যান ।

(আমির চলে যেতে গিয়ে আবার ফিরে আসবে)

টিচার : কি হলো ? আমির : একটা কাজ ভূলে গেছিলাম স্যার ।

টিচার : কি ? আমির : এন ইউটিলিটি বাটন দ্যাট গিভ আস টু প্রোটেক্ট আওয়ার প্রাইভেট ডেটা , পিকচার , মেসেজ অর পার্সোনাল ইনফরমেশন ফর বিয়িং স্টোলেন অর ইউজড ফর ব্যাড পারপাস বাই হ্যাকারস অর অ্যানিওয়ান এলস্ । টিচার : কি বলতে চাও ??

 

আমির : লগআউট স্যার , লগআউট! করতে ভূলে গেছি !

টিচার : তো সোজা ভাষায় বলতে পারো না ?

আমির : কিছুক্ষণ আগে ট্রাই করেছিলাম স্যার , কিন্তু সোজা সোজা আপনার পছন্দ হয় নাই !

 


 

চাপাবাজি-১- ৮ |Mojar Golpo


 

একবার এক অনুষ্ঠানে এক বাংলাদেশি, সাউথ আফ্রিকান আর ইন্ডিয়ান গল্প করছে। আলোচনার বিষয়বস্তু ক্রিকেট।

 

ইন্ডিয়ান: একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল, স্টাইকার এন্ডে ছিল শচীন। বোলার বল করল, শচীন সেটা থার্ডম্যানের দিকে ঠেলে দিয়ে ৩ রান নিল, ফিল্ডার সেটা ছুড়ল নন-স্টাইকার এন্ডে। ওভার থ্রো তে শচিন আরও তিন রান নিয়ে নিল। এবার ফল্ডার সাবধান হয়ে সেটা ছুঁড়ে দিল উইকেট কিপারের দিকে, উইকেট কিপার ধরতে পারল না আর বলটা চলে গেল বাউন্ডারির ওপারে ফলে চার রান। ৩+৩+৪ =১০ আমরা জিতে গেলাম।

 

সাউথ আফ্রিকান: একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। আমদের গ্রায়েম স্মিথকে তো তোমরা চেন। তার গায়ে মারাত্মক জোর। সে এমন জোরে মারল জে বল স্টেডিয়াম পার হয়ে কয়েক শ গজ দূরে গিয়ে পড়ল। আম্পায়ারের কোন উপায় ছিল না। সে ১২ রান দিয়ে দিল। আমরা জিতে গেলাম।

 

বাংলাদেশি: একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। আমাদের আশরাফুলকে তো তোমরা চেন, সে সেইরকম মারকুটে ব্যাটসম্যান। বোলার বল করল আর আশরাফুল সজোরে ব্যাট চালাল। ব্যাটের আঘাতে বল ভেঙে দুইটুকরা হয়ে গেল। এক টুকরা উড়ে বাউন্ডারি পার হল আর অন্যটুকরা গড়াতে গড়াতে বাউন্ডারি পার হল। ফলে আমরা ৬ + ৪ = ১০ রান করে ফেললাম। আমরা জিতে গেলাম।


 

চাপাবাজি-২-৯ |Mojar Golpo


তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেকজনকে স্বপ্নের কথা বর্ণনা করছে।

 

প্রথম বন্ধুঃ “জানিস আমি স্বপ্নে দেখলাম, মরুভুমির সব বালি সোনা হয়ে গেছে আর আমি সেগুলোর মালিক হয়ে গেছি। “

 

দ্বিতীয় বন্ধুঃ “আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্ণমুদ্রা হয়ে গেছে আর আমি তার মালিক হয়ে গেছি। “

 

তৃতীয় বন্ধুঃ “আমি স্বপ্নে দেখলাম এতো কিছু পেয়ে তোরা খুশিতে হার্টফেল করেছিস আর মরবার আগে আমাকে তোদের সব সম্পদ উইল করে দিয়ে গেছিস।


 

বাবার উপর রাগ ১০ |Mojar Golpo


একদিন ছেলে বসে পড়ছিল তখন বাবা ছেলের পাসে বসল-

বাবা: তুই সারাদিন এমন চুপ চাপ থাকিস কেন?

ছেলে: কেন বাবা আমিতো কথা বলি।

বাবা: তোকে অযথা এত বকাঝকা করি অথচ কিছু বলিস না। প্রতিবাদ করিস না।

ছেলে: কেন বাবা, আমিতো প্রতিবাদ করি।

বাবা: কই করিস? আমি যে দেখি না।

ছেলে: কেন বাবা তুমি বকা দিলে আমি টয়লেটে যাই।

বাবা: টয়লেটে গেলে কি রাগ কমে? টয়লেটে গিয়ে কি করিস যে রাগ কমে?

ছেলে: টয়লেট ব্রাশ করি।

বাবা: টয়লেট ব্রাশ করলে কি রাগ কমে?

ছেলে: কেন আমি তোমার ব্রাশ (দাঁতের) দিয়ে টয়লেট ব্রাশ করি।


 

কৌতুক ১-১১ |Mojar Golpo


 

এক লোক বিয়ে.

করবে বলে মেয়ে দেখতে গেছে….

লোকটার

একটা সমস্যা ছিল,.

সে ‘ক’ কে ‘প’ বলত !!

মেয়ের

অভিভাবক.

ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল… :তোমার

নাম কি?

:আমার নাম পাদের ।

(মানে কাদের) এই

কথা শুনে মেয়ে কেদে উঠল।

.

তখন

মেয়েটিকে কাদতে দেখে ছেলেটি তাকে সান্তনা দিতে গিয়ে বলল. . . . . . . . . . .

তুমি পাদছ

পেন,পাপলি?

(মেয়ের নাম কাকলি)

পাপলি,পাপলি তুমি আর

পেদনা…

তুমি পাদলে আমিও

পিন্তু পেদে দেব ।

আর আমি পাদা শুরু

পরলে পেও আমার

পাদা থামাইতে পারবে না….


 

কৌতুক ২- ১২ |Mojar Golpo


 

এক চোর এক জুতার

দোকানে চুরি কইরা ধরা খাইছে।

কিছু মারধোর করে মালিক

তাকে

ছেড়ে দিল।।

কিছু দিন পর সে আবার ওই

দোকানে চুরি করতে আসলো

এবং এবারও ধরা খাইলো,

মালিক বলল : তোর শরম নাই ?

তুই আবার আসছোছ।

চোর বলল : আমার দোষ কি?

দোকানের সামনে লেখা,

ধন্যবাদ আবার আসবেন।।


 

তিন দোস্ত ১৩ |Mojar Golpo


তিন বন্ধু একটি হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের ৬০ তলায় থাকে। তারা তিনজন প্রতিদিন লিফট দিয়ে বাসায় আসা-যাওয়া করে। সেদিন রাতে বাইরের এক চাইনিজ হোটেলে রাতের ডিনার করে তাদের ফিরতে বেশ দেরি হয়ে গেল। অনেক রাত বিধায় লিফট বন্ধ করে লিফটম্যান বাসায় চলে গিয়েছে। তাদের আজ সিঁড়ি দিয়েই উঠতে হবে। তখন এক বন্ধু বলল, ‘আমাদের মধ্য থেকে দুইজন দুইটা হাসির গল্প বলবে,

 

আর একজন একটা কষ্টের গল্প বলবে। তাহলে আমরা গল্পগুলো এনজয় করতে করতে ৬০ তলায় পৌঁছে যাব।’ প্রথম জন একটা হাসির গল্প বলল, গল্প শেষ হতে হতে তারা ২৫ তলায় পৌঁছে গেল। আর একজন আরেকটি হাসির গল্প বলল, গল্প শুনতে শুনতে তারা ৫৫ তলায় পৌঁছে গেল।

 

এবার তৃতীয় বন্ধুর কষ্টের গল্পের পালা। তৃতীয় বন্ধু বলল, ‘কষ্টের গল্প আর কী বলব, আমরা তো ফ্ল্যাটের চাবি ওই চাইনিজ

হোটেলে ফেলে এসেছি


 

পুরো দুনিয়া ১৪ |Mojar Golpo


এক লোকের গরু হারিয়ে গেছে- কোথাও সে খুজেঁ পাচ্ছেনা,

খুজঁতে খুজঁতে ক্লান্ত হয়ে পার্কের এক কোনায় এসে বিশ্রাম করছে।

পার্কের অপর এক কোণে বসে ‘কপত কপতি আলাপ আলোচনায় বিভোর,

 

 

কপত কপতিকে বলছে – আমি তোমার চোখে চোখ রাখলে পুরো পৃথিবীটাকেই দেখি।

এমন সময় পাশে বসে থাকা গরু হারানো লোকটি উঠে এসে বলে – আমি আমার গরুটা খুঁজে পাচ্ছিনা, ভাই দয়া করে ওনার চোখে চোখ রেখে খুঁজে দেখে বলুন তো আমার গরুটা কোথায় আছে।


 

লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে ১৫ |Mojar Golpo


অপু এবং নাছের দুই বন্ধু একই অফিসে চাকরি করে।

অপু: দোস্ত, কত দিন ধরে ছুটি পাই না। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু বস তো কিছুতেই ছুটি দেবেন না।

নাছের: হুমম্। আমিও হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু আমি বসের কাছ থেকে ছুটি নিতে পারব, দেখবি?

বলেই নাছের টেবিলের ওপর উঠে দাঁড়াল এবং ছাদ থেকে বেরিয়ে আসা একটা রড ধরে ঝুলতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর বস এলেন।

 

বস: এ কী নাছের! তুমি ঝুলে আছ কেন?

নাছের খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, ‘স্যার আমি লাইট, তাই ঝুলে আছি।’

বস ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন। কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, ‘অতিরিক্ত কাজের চাপে তোমার মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখা দিচ্ছে। তুমি বরং এক সপ্তাহের ছুটি নাও।’

 

নাছের অপুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে রুম থেকে বিদায় নিল।

অপু চেয়ে চেয়ে দেখল। নাছের বেরিয়ে যেতেই সেও নাছেরের পিছু নিল।

বস: সে কী! ছুটি তো ওকে দিয়েছি! তুমি কোথায় যাচ্ছ?

অপু: কী আশ্চর্য! লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে?!

 


 

পাঁচ ইঞ্চি দাড়ি ১৬ |Mojar Golpo


এক রাজা ঘোষণা করলেন, আমার রাজ্যে যে লোকের মুখে মাত্র একটা দাড়ি আছে তার এই কৃতিত্তের জন্য আমি তাঁকে একদিনের জন্য রাজা বানাবো। তবে শর্ত হলো দাড়ির দৈর্ঘ্য কমপক্ষে ৫ ইঞ্চি হতে হবে। ৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের একমাত্র দাড়িওয়ালা এক লোক এ কথা শুনে খুব মন খারাপ করলেন। ইস্! ১ ইঞ্চির জন্য একদিনের রাজত্ব পাওয়া হলো না।

 

এক ব্যক্তি তাঁকে পরামর্শ দিলেন, প্রতিদিন সরিষার তেল দিয়ে এই দাড়ি মালিশ করলে ১ ইঞ্চি বৃদ্ধি পাবে। যেই কথা সেই কাজ। সত্যি সত্যি কয়েকদিন পর তাঁর দাড়ি ১ ইঞ্চি বাড়লো। কয়েকদিন পর মহাখুশিতে সেই লোক রাজদরবারের দিকে চলল। মনে খুশি আর ধরেনা। হাতে তেল দাড়িতে মালিশ করতে করতে যেই তিনি দরবারে ঢুকতে যাবেন। অমনি ……………………………………………………….দাড়িটা ছিড়ে গেল।


 

বল্টু & বল্টুর দাদু ১৭ |Mojar Golpo


 

..

.

বল্টুঃ দাদু ঘুম আসছে

না। একটু টিভি

দেখবো?

.

দাদুঃ টিভি থাক

দাদুভাই। তুমি আমার

সাথে গল্প কর।

.

বল্টুঃ আচ্ছা দাদু

আমাদের পরিবার কী

সারা জীবন

সাতজনেরই থেকে

যাবে? মানে তুমি, দাদি,

বাবা, মা, বোন, আমি

আর আমাদের

বিড়াল ছানা ক্যাটি।

.

দাদুঃ এবার আমরা

একটা কুকুর কিনবো

তখন আমরা আটজন

হয়ে যাবো।

.

বল্টুঃ কুকুরটা তো

বিড়াল ছানাটাকে মেরে

ফেলবে তখন আমরা

আবার সাতজন হয়ে

যাবো।

.

দাদুঃ তুমি বিয়ে করে

নতুন বউ আনবে তখন

আমরা আবার আটজন

হয়ে যাবো।

.

বল্টুঃ কিন্তু বোন

বিয়ে করে চলে গেলে

আমরা আবার সাতজন

হয়ে যাবো।

.

দাদুঃ তোমার ছেলে-

মেয়ে হলে আমরা

আবার আটজন-নয়জন

হয়ে যাবো।

.

বল্টুঃ কিন্তু তুমি

আর দাদি মারা গেলে

আমরা আবার সাতজন

হয়ে যাবো।

.

দাদুঃ হারামজাদা! তুই

যা গিয়ে টিভি দেখ।


 

২০৩০ সালের ভিক্ষুকের ভিক্ষা ১৮ |Mojar Golpo


 

করার অবস্থা এরকম হবে।,,,,,

,,,,,, একদিন কলেজে

যাওয়ার সময়

রাস্তায়

এক বালক:: এক ঘুমন্ত

ভিক্ষুককে দেখতে

পেল ৷

ভিক্ষুকের সামনে

একটা সাইনবোর্ড

দেখে বালকটি থমকে গেল ৷

তাতে লেখা ছিল….

“দয়া করে পয়সা ফেলে

শব্দ করে

ঘুমের ডিস্টার্ব

করবেন না,

টাকার নোট ফেলুন ৷”

পকেটে হাত দিয়ে বালক একটা

একশ

টাকার নোট পেল ৷

কিন্তু পুরাটাতো আর

ভিক্ষুককে

দেয়া যায় না ,তাই সে

ভিক্ষুককে

ডেকে তুললো

টাকাটা ভাংতি

করাতে৷

ভিক্ষুক:: উঠে খুব

বিরক্তি সহকারে

পাশের আরেকটা

সাইনবোর্ড বালক

দেখালো যাতে

লেখা ছিল

….

” ১০০ ও ৫০০ টাকার

ভাংতি নাই ৷

দয়াকরে ভাংতি দিন ! “

উপায় না দেখে বালকটি

বলল….

‘তাহলে আমি ভাংতি

করে নিয়ে

আসি !’

ভিক্ষুক:::

….

‘ভাই, এতকষ্ট না

কইরা আমার

নাম্বার নিয়া যান !

১০ট্যাকা ফ্লেক্সি

হি হি কি বল!!


 

ছোট গল্প-১ -দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে- ১৯ |Mojar Golpo


 

দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে-

 

প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি।

 

দ্বিতীয়চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলেতো।


 

 ছোট গল্প-২- ২০ |Mojar Golpo


 

১ম চাপাবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই!

 

২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চা-পাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!


ছোট গল্প-৩ -২১ |Mojar Golpo


 

বল্টু :লোকে বলে দুধ খেলে নাকি শক্তি বাড়ে!

 

পল্টু :হ্যাঁ, সত্যিই তো বাড়ে, কোনো সন্দেহ আছে??

 

বল্টু :ধুর বেটা! সেইদিন পাঁচ গ্লাস দুধ খেয়ে এই দেয়ালটা আধা ঘণ্টা ধইরা ধাক্কাইলাম, এক ইঞ্চিও নড়ে নাই! শক্তি টক্তি সব ভুয়া! অথচ আইজ এখন পাঁচ গ্লাস মদ খেয়ে এলাম। দেখি দেয়ালটা আমারে দেইখা নিজেই কেমন ভয়ে কাঁপতাছে। দেইখা আমার এমুন হাসি পাইতেছে না, তোরে আর কী কমু!


প্রিয় পাঠকগণ। আসা করছি। আজকের এই মজার গল্প গুলো আপনাকে ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে। ভালো বেসে পেজটিতে একটা লাইক অবশ্যই দিবেন। ভালো থাকবেন। সুস্থে থাকবেন এবং সবাইকে ভালো রাখবেন।ধন্যবাদ।


আরও ভালো ভালো মজার গল্প গুলি পেতে। Next Button এ একটা ক্লিক করুন।

Next Page


 

100% LikesVS
0% Dislikes
Categories: BANGLA GOLPO