mojar dhadha

mojar dhadha, বাছাই করা টপ ১১৪টি ,মজার ধাঁধা।


প্রিয় পাঠকগণ। আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি। খুব যত্ন সহকারে। বাছাই করা নিত্য নতুন, মোট ১১৪ টি , mojar dhadha, বাংলা,ধাঁধা, এবং আরো রয়েছে, bangla dhadha pdf free download, dhadha in bengali,এবং kothin dhadha, যা আপনাদের ভীষণ পছন্দ হবে। তাই পাঠক।একটু ধৈর্য সহকারে। মন দিয়ে প্রুব সত্যি খুব মজা পাবেন।ধন্যবাদ।


১ শীতের শেষে রাজা এলো মুড়িয়ে মাথা সাধু হলো পা কেটেছে? বসতে বলো।

 উত্তরঃ বসন্ত।


২ শীত কালে যে গায়ে উঠে অথচ ওই বনে এক পায়েতে দাঁড়িয়ে আছে স্বজাতিদের সনে।

 উত্তরঃ শাল।


 ৩ ফলের ওপর পাতার মুকুট শরীর ভরা চোখ আনন্দেতে মিষ্টি সে ফল নুন দিয়ে খায় লোক।

 উত্তরঃ আনারস।


৪ নেই তো শরীর তবু সে ভালো সে ছাড়া ভাই জগৎ-কালো।

 উত্তরঃ আলো।


৫ শির ছেঁড়া লতা শেষ ছাঁটা কথা ক্ষুদ্র সে পতঙ্গের দংশনে ব্যাথা।

 উত্তরঃ বোলতা।


 ৬ মাথার উপর পা চাপিয়া উল্টো কথা ‘কই’তিন অক্ষরে প্রশাসনে আমরা মশাই রই।

 উত্তরঃ পাইক।


 ৭ মাথা কাটলে খাটনি বুঝি পেট কাটলে হয় গাছে তিন অক্ষরে শান্তির এমন জায়গা কোথায় আছে।

 উত্তরঃ আশ্রম।


৮ মা ছাড়া ভাই ইংরেজীতে শরীরটা খারাপ মা থাকলে করতে পারি পথের পরিমাপ।

 উত্তরঃ মাইল।


 ৯ জননী থাকলে সপ্ত মাঝ সাঙ্গ হল তো সকল কাজ।

 উত্তরঃ সমাপ্ত।


 ১০  তিন অক্ষরে নাম তার জঙ্গলেতে বাস করে শেষ অক্ষর বাদ দিলে সর্বনাশ ঘটে। মাঝের অক্ষর বাদ দিলে ঘোড়ে সপ্তাময় শিরোচ্ছেদে কী আশ্চর্য জীব শ্রেষ্ঠ হয়।

 উত্তরঃ বানর।


১১  দিয়ে না তার ঠ্যাং ভেঙে যদি পাও থাকলে সবটা, দ্বিধাহীন তুমি নাও।

 উত্তরঃ পাওনা।


১২ কাটলে মাথা জল সে অথৈ কিম্বা ধণুর শর তিন অক্ষরের সবটা ফেলে ময়লা সাফাই কর।

 উত্তরঃ সাবান।


১৩  মৎস্য মকর নহে পাণী পাণী বুলে হাঙ্গর কুম্ভীর নহে দেখিলে সে গিলে গিলিয়া উগারে সেই দেখে জনগণ হিয়ালী প্রবন্ধে পন্ডিত দেহ মন।

 উত্তরঃ প্রদীপ।


 ১৪ দেখিতে রূপ দুই মুখ এক কায় এক মুখে উগারয়ে অন্য মুখে খায় মরিলে জীবন পায় হুতাস পরশে বুঝ হে পণ্ডিত ভাই সভামাঝে বৈসে।

 উত্তরঃ নৌকা।


১৫ জীয়ন্তে মৌন সেই মৈলে ভাল ডাকে গায়েতে নাইকো ছাল বিধির বিপাকে সেবা করিয়া থাকে দেবতার স্থানে অবশ্য আনয়ে নর মঙ্গল বিধানে।

 উত্তরঃ উনুন।


১৬ যোগী নয় সন্ন্যাসী নয় মাথার হুতাশন ছেলে নয় পিলে নয় ডাকে ঘনঘন চোর নয় ডাকাত নয় বর্শা মারে বুকে কন্যা নয় পুত্র নয় চুমু খায় মুখে।

 উত্তরঃ নারিকেল।


১৭  ধোঁয়াতে নিশান যদি জুড়ে দাও ভাই আকাশে অমনি তারে দেখিবারে পাই।

 উত্তরঃ ধুমকেতু।


১৮ প্রথম অক্ষর বলব না, শেষের কথা টক, দেখবো কেমন বলতে পারো, চতুর পাঠক?

 উত্তরঃ নাটক।


১৯ মাপতে লাগে কাপড় খানি দাবার ছকেও আছেন উনি।

 উত্তরঃ গজ।


২০ আমরা যমজ ভাই দাদার মাথায় বোজা আমার মাথায় নাই।

 উত্তরঃ ধাঁধা ।


২১ তিন অক্ষরে অগভীর বন মাঝে কেটে পাও বারি পা বাদ গেলে যুদ্ধ লাগবে সামলাও তারাতারি।

 উত্তরঃ জঙ্গল।


২২ উল্টো সোজা একই রয় লেজ বাদে তার সংখ্যা নয় তিন অক্ষরে সামনে বসে সবাইকে রঙ রূপ দেখায়।

 উত্তরঃ নয়ন।


২৩ সমস্তটা মুখরোচক প্রায় সকলের প্রিয় কাটলে মাথা সংখ্যা মেলে মাঝখানে পানীয়।

 উত্তরঃ আচার।


২৪ তিন অক্ষর সে যে আলোকবিহীন সাজে মাথা বাদ দিলে ঋণের বোঝা সাজে পা বাদ দিলে পুরোটা সে নয় যে।

 উত্তরঃ আঁধার।


২৫ গোলের গোড়া কণের স্বামী বর্জ্য হলেও শুদ্ধ মানি।

 উত্তরঃ গোবর।


২৬ পলক ফেলে দেখিস কি শির কেটে প্রথম রাশি।

 উত্তরঃ নিমেষ।


 ২৭ এতটুকু মেয়ে, তার লাল টুকটুকে বরণ রাজা বাদশাও কেঁদে আকুল এমন স্বভাব ধরণ।

 উত্তরঃ পাকা মরিচ।


২৮ মাথা কেটে নারদের পা রেখে মাথায় গলানো এ রূপো নাকি তাপ মাপা যায়।

 উত্তরঃ পারদ।


 ২৯ প্রথম শেষে গাঁথবে মালা দুই তিন মিলে হই পাত্র চার অক্ষরে আর কেউ নই খেলার জিনিস মাত্র।

 উত্তরঃ ফুটবল।


৩০ পেট কাটলে গলায় শোভা তিন অক্ষরের শব্দ জিতলে খুশি হারলে হবে ভিটে মাটি জব্দ।

 উত্তরঃ মামলা।


৩১ শেষ বাদে হই মাথার শোভা মুন্ডু কেটে তীর সিংহ মায়ায় পরবে মনে হয়ো না অস্থির।

 উত্তরঃ কেশর।


৩২ মিষ্টি ফকির যাযাবর সস্তা তো নয় বেশ দর।

 উত্তরঃ দরবেশ।


৩৩ আসছে কথা ভাসছে কথা কানের থেকে কানে বেতার জিনিস আসলে কী বুদ্ধিমানেই জানে।

 উত্তরঃ মোবাইল।


 ৩৪ গান শোন কথা শোন বলার উপায় নাই কেবল শ্রুতির সব বিনোদন হাওয়া থেকে পাই।

 উত্তরঃ রেডিও।


৩৫ দাঁড়ায় না সে, বসে নাকো চলাই যে তার কাজ তত্ত্ব তাহার যে না বোঝে মাথায় পড়ে বাজ।

 উত্তরঃ সময়।


 ৩৬ ওজন হবে না, লোক থাকবে না, তারে তারে আসা যাওয়া কথা কইব না, শব্দ করবে এক গ্রামখানি খাসা।

 উত্তরঃ টেলিগ্রাম।


 

৩৭ রোহি রোহিত দর্প গভীর পুস্করে। একাঙ্গুল জলে পুঁটি ছটফট করে।

 উত্তরঃ ভাত।


 ৩৮ শৈশবে নিল না ঘরে নিল বৃদ্ধকালে কাহিল করিল মোরে ভেঙে, পায়ে দ’লে। পিটাইয়া তুলি দিল মোর যত চাম; অবশেষে দিল মোরে শ্রেষ্ঠ সম্মান।

 উত্তরঃ ধান।


৩৯ ছোট্ট পুকুর দুটি, কালো জলে ভরা মাঝে তাহার কাটে সাঁতার কালো মানিক জোড়া ফেলল পাথর পুকুরেতে বহে জলের ধারা।

 উত্তরঃ চোখ।


৪০ বাচ্চা কে সে এমন মায়ের পেটে নেয়নি জন্ম বাপ দেখেনি কেমন খায় না কিছু, তেষ্টা ভীষণ জল শুধু খায় দু’মন।

 উত্তরঃ চৌবাচ্চা।


৪১ বকবক করে বেশি, ভারী হলে খুব খুশি চুপচাপ পড়ে থাকে লোকে তাকে কাঁখে রাখে।

 উত্তরঃ মাটির কলসী।


৪২ আজব কথা শোনা যায় হাতে-মূখে-পায়ে খায় মাটির ভিতর মুখ- তার কাছেই জীয়ন মন্ত্র এবং মহাসুখ।

 উত্তরঃ গাছ।


৪৩ হাজার গেলেও নেই দুখ একজনেই বাড়ায় সুখ।

 উত্তরঃ চাঁদ।


 ৪৪ চারপাশে লেপামোছা মধ্যিখানে আসন পাকা ওটার জন্যেই টিকে থাকা।

 উত্তরঃ টিকি।


 ৪৫ বলেনতো দেখি- শিরোপতি অগ্নিকুন্ড পেট ভরা পানি। নাভি তার চুষে লোকে একি আজব কাহিনী!

 উত্তরঃ হুক্কা।


৪৬ সব কিছুতে তড়বড় করে শুধু ফরফর ওড়ে, তবু পাখি নয় বলো দেখি কি হয়?

 

 উত্তরঃ আরশোলা।


৪৭) মাঠের ধারে নদীর পারে ভন্ড সাধু জপটা সারে মীন শিশুরা দেখতে গেলে এক পালকে গিলে ফ্যালে।

 উত্তরঃ বক।


৪৮ বিধাতা নির্মাণ করে নাহিক দুয়ার তাহাতে পুরুষ এক বৈসে নিরাকার যখন পুরুষবড় হয় বলবান। বিধাতার সৃজন ঘর করে খান খান।

 উত্তরঃ ডিম।


৪৯ মস্তকে করিয়া আনে হয়ে যত্নবান অপরাধ বিনে তার করে অপমান অপমানে গুণ তার কখন না যায় অবশ্য করিয়া দেয় সম্বল উপায়।

 উত্তরঃ ধান। 


 ৫০ বিষ্ণুপদ সেবা করে বৈষ্ণবে সে নয় গাছ পল্লব নয় কিন্তু অঙ্গে পত্র হয় পন্ডিতে বুঝিতে পারে দু চারি দিবসে র্মূখেতে বুঝিতে নারে বৎসর চল্লিশে।

 উত্তরঃ।


৫১ বেগে ধায় রথযান না চলে এক পা না চলে সারথি তার পসারিয়া গা হিঁয়ালি প্রবন্ধে পণ্ডিত দেহ মতি অন্তরীক্ষে যায় রথ ভূতলে সারথি।

 উত্তরঃ ঘুড়ি।


৫২ তৃষ্ণায় আকুল সেই জল খাইলে মরে স্নেহ নাহি করিলে তিলেক নাহি তরে উগারয়ে অন্য বস্তু অন্য করে পান সখা সঙ্গে আলিঙ্গনে ত্যজ্যয় পরাণ।

 উত্তরঃ দাবানল।


 ৫৩ মাথা পেট যাই কাটো না থাকবে পড়ে মাথা পা গেলে সে রাখবে ধরে, তরল পদার্থটা তিন অক্ষরে বিখ্যাত নাম পারবে কি তা বলতে?

 উত্তরঃ শিশির।


৫৪ নেইকো চাকা চলছে গাড়ি সঙ্গে চলে লোকটা সামনে গেলেই বন্ধ দুয়ার নেই আলাপের ঝোঁকটা।

 উত্তরঃ শামুক।


৫৫ ভিখারি সে নয় তবু হাত পেতে চায় পুরোহিত নয় তবু ঘন্টা বাজায়। সে পাগল তবু নয় বলতে কি পারো ভাই তার পরিচয়।

 উত্তরঃ।


৫৬পা যদি যায় পিঠে দেবে ইংরেজের ও সেপাই পেটটা গেলে ইংরেজিতে ওর কাছে ঠেলা পাই।

 উত্তরঃ পুলিশ।


৫৭ আগুন নেই পড়ছে গা ফোস্কা নেই নেইকো ঘা বলতে পারো মোর দশা।

 উত্তরঃ জ্বর।


৫৮ গাছ নেই পাতা আছে খনি ছাড়া মণি আকাশ ছাড়াই তারা ফোটে কোথা শুনি।

 উত্তরঃ চোখ।


৫৯ কান ধরে দেখায় তবু তারপরও রাগ নেই চোখে চোখ রাখছে এমন পরম যেন-সেই।

 উত্তরঃ চশমা।


৬০ চার অক্ষরের ফলটি এমন এক দুয়ে পাও খাজনাই এক তিনে তার অল্প হলেও দুই চারে চা-দুই নাই।

 উত্তরঃ করমচা।


 ৬১ ঘরের প্রধান তিন অক্ষরে পায়ে ভাসুরের বউ পা ফেলে কার মূল্য মেলে বলতে পারো কেউ।

 উত্তরঃ দরজা।


৬২ এরে মধ্যে দিয়ে দেখ জগচ্চরাচর মাথা পায়ে এক করে পাও অলিন্দর একে দুয়ে অবাঙালী বলে ওঠে প্রাণ তিন অক্ষরে বল কি তা? কার এত জ্ঞান।

 উত্তরঃ জানালা।


৬৩ বুকের কাছে আহ্লাদী যেই গুণ গুণ গান গায় আমনি গালে গাল ঠেকিয়ে প্রাণের কথা কয়।

 উত্তরঃ মোবাইল ফোন।


৬৪ আসলে বর্জ্য, তবুও কাজের রোদে পুড়িয়ে, জ্বালিয়ে আগুন তবে পাই আমি মুক্তি পাই।

 উত্তরঃ গোবর।


৬৫ পন্ডিত বাড়ি রয়েছে যে ধান চোখ দিয়ে খেতে হয় পেট ভেরে না, জ্ঞান বাড়ে নিশ্চয় এ কথাটি মিথ্যা নয়।

 উত্তরঃ বই ও বিদ্যা।


 ৬৬ ধুলে যায় না, ময়লা যার কালো তাবে কয়লা নয়।

 উত্তরঃ কালো হীরা।


৬৭ জন্মায় একই মায়ের পেটে আমি অনেক দামী ছোটটি তাই রেগে আগুন লাল করে মূখখানি।

 উত্তরঃ হীরে আর কয়লা।


৬৮ কোন সে মালায় নেই কোন ফুল দোলে না কারো বুকে গলায় নহে, চলে কেবল মুখের থেকে মুখে।

 উত্তরঃ কথামালা।


৬৯ দেখছো ছবি শব্দে ভরা হাওয়া থেকেই তাদের ধরা কোন সে জিনিস বল সে না হলে, উরিব্বাবা এ যুগ যে অচল হলো।

 উত্তরঃ টেলিভিশন।


৭০ গাছে ফলানো কানা ফল উল্টে দিলো তলিয়ে চল।

 উত্তরঃ তাল।


 ৭১ চোর নয় ডাকাত নয় তবু কয়েদ ঘরে সময় মতো ঘাড় ধরে তার মুখ ঘষে খুব করে।

 উত্তরঃ দিয়াশালাই।


 ৭২ ঈশ্বর সে চঁন্দ্রের সাথে করছে সহবাস জলহীন সেই সুধার্ণবে সাক্ষরতার বাস।

 উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।


 ৭৩ বোর মধ্যে লাগিয়ে ‘ক’ স্বর্ণ নিয়ে ওর কাছে চ।

 উত্তরঃ সেকরা।


 ৭৪ দীক্ষা দেন না এমন গুরু মন্ত্র দেন কানে তবু তাকে গুরু বলেই অনেক লোকে যানে।

 উত্তরঃ কবি গুরু।


 ৭৫ বলতে পারো কোন সে কবি বাংলা গজল গায় নলের ভিতর বউকে রেখে নামটি জানা যায়।

 উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম।


 ৭৬ বাতের স্বামী তিনি আছেন বিভোর হয়ে কোন কবি গানের ডালায় ভক্তি আনে বয়ে?

 উত্তরঃ রজনীকান্ত সেন।


 ৭৭ প্রাণী এবং কৃ্ষ্ণ-পিতার পেটের মাঝে ‘না’ পাঁচ অক্ষরে কোন সে কবি বলতে পারো তা।

 উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশ।


 ৭৮ বাপের দেওয়া নামে তেমন নেই কো পরিচিতি গুরুর দেওয়া নামে তাঁহার বিশ্বজোড়া খ্যাতি ভিখারি বেশ, কিন্তু পায়ে রাজারা লুটায়, তাঁর প্রসাদে বিশ্ব ভারত শ্রেষ্ঠ আসন পায়।

 উত্তরঃ স্বামী বিবেকানন্দ।


৭৯ ইংরেজিতে নতুন লিখে পাশে ওজন মান বিখ্যাত এক বিজ্ঞানীকে অমনি খুজে পান।

 উত্তরঃ নিউটন।


 ৮০ হাল আমলের কম্প্যুটারের জন্মদাতা তিনি বলো দেখি কোন নামেতে আমরা তাকে চিনি?

 উত্তরঃ চার্লস ব্যাবেজ।


 

৮১ যুক্তি দেওয়া অঙ্ক প্রথার আবিস্কারক কে? পারিস যদি চট করে তার নামটা বলে দে?

 উত্তরঃ জর্জ বুল।


৮২ কোন সে বাঙ্গালি, খৃষ্টান হলো হতে ইংরেজি কবি, বাঙলা ভাষায় অবশেষে হলো যুগান্তর এক কবি।

 উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।


 ৮৩ বনের সঙ্গে গ্রাম, বল স্টেশনের নাম?

 উত্তরঃ বনগাঁ।


৮৪ চারটি আখরে যত দাও নাও যাবে না মাপা কী গোনা একে তিনে হেথা বিজ্ঞানী করে পরমানু গবেষনা।

 উত্তরঃ ভালোবাসা।


 ৮৫ দেশ থেকে যাও দেশান্তরে নেই খরচের ভয় যতই ঘোরো নেইকো মানা খেললে খেলা নয়।

 উত্তরঃ গ্লোব দেখা।


৮৬ সদাই বাড়ায় চাঁদ পানে হাত কেটে মাথা দেয় মন পেট পড়ে গেলে আর এক বিপদ ঘটতে পারে প্লাবন।

 উত্তরঃ বামন।


৮৭ ব্যবহার একেই কয় মাথা গেলে পা রয়।

 উত্তরঃ আচরণ।


৮৮ মুন্ডু কেটে খায় পেট গেলে প্রাণ পায় দেশটা এমন উন্নত সকলে জয় গায় কত।

 উত্তরঃ জাপান।


৮৯ মাথা কাটলে মূল্য পাবে এবং একে শেষ তিন অক্ষরে কাকু জানায় ভাইপোর উদ্দেশে।

 উত্তরঃ আদর।


৯০ শেষ দিয়ে শুরু কর দুটি অক্ষরে, একে তিনে ‘এটি’ বল সাধু ভাষা ধরে, একে চারে আফসোস স্বর তুলে গলে অতীতের কথা চারি অক্ষরে বলে।

 উত্তরঃ ইতিহাস।


 ৯১ অল্প দিলে ভাল লাগেনা, বেশি দিলে বিষ শাশুড়ি বলে বৌকে আন্দাজ মত দিস।

 উত্তরঃ লবণ।


৯২ ফুটোর মাঝে ডুকিয়ে নাড়াচাড়া করে কখনো বোজে, কখনো খুলে থাকে ঘরে।

 উত্তরঃ তালাচাবি।


৯৩ বিয়ের সময় দাদা দেয় একবার সারাজীবন বৌদি দেয় দেয় বারবার।

 উত্তরঃ সিঁদুর।


৯৪ ঢোকেনা, তবুও ঢোকাও কেন পরের মেয়ে কাদাও, পারলে উত্তর দাও?

 উত্তরঃ হাতের চুড়ি।


 ৯৫ আইছি কাজে, কইনা লাজে, আছে দুই লরা তার মাঝে।

 উত্তরঃ গাভির দুধ।


৯৬ ঘসা দিলে মিটে আশা নইলে পড়ে সব নিরাশা।

 উত্তরঃ ম্যাচ।


 ৯৭ বুড়োদের ন’বার ছ’বার ছোকরাদের একবার।

 উত্তরঃ সুই সুতা পরান।


৯৮ ফুটোর মধ্যে দিয়ে ফাটা, নড়েছরে পড়ে আঠা, বল, কি বুঝেছিস বেটা?

 উত্তরঃ দোয়াত, কলম, কালি।


৯৯ দুই ঠ্যাং ছড়াইয়া, মাঝে দিল ভরিয়া আপন কাজ করিয়া, পড়ে দেয় ছাড়িয়া।

 উত্তরঃ যাতি দ্বারা সুপারি কাটা।


 ১০০  হাত আছে পা আছে মাথা তার কাটা আস্ত মানুষ গিলে খায় বুক তার ফাটা।

 উত্তরঃ শার্ট।


 ১০১ পাচ বেটায় ধরে, বত্রিশ বেটায় করে এক বেটা ধাক্কিয়ে নেয় ঘরে।

 উত্তরঃ ভাত খাওয়া।


 ১০২ এটার ভিতর ওটা দিয়া দুজনে রয় শুইয়া বাইরের লোকে যত ঠেলে , মুখটি মোটে নাহি খোলে।

 উত্তরঃ দরজার খিল।


 ১০৩  চিৎ করে ফেলে উপর করে এমন করা করে, গহ্না শুদ্ধ নড়ে।

 উত্তরঃ গয়না পড়ে শীল পাটায় মসলা বাটা।


১০৪ দৌড়িয়ে গিয়ে জরিয়ে ধরে করছে টানাটানি মধ্যখানে খিল মেরেছে ভিতরে পড়েছে পানি।

 উত্তরঃ খেজুর গাছ থেকে রস পড়া।


১০৫ জামাই এল কাজে বলতে পারিনা লাজে, আমার একটু কাজ আছে দুই ঠ্যাঙয়ের মাঝে।

 উত্তরঃ গাই দোহান।


 ১০৬ শুইতে গেলে দিতে হয় না দিলে ক্ষতি হয়।

 উত্তরঃ দরজার খিল।


১০৭ গলা জরিয়ে আসে রসিক যুবতী কোমরে বসায়ে সমতনে বসতি।

 উত্তরঃ কলসি।


 ১০৮ বেটির নাম পার্বতী নাচতে নাচতে গর্ভবতী।

 উত্তরঃ নাটাই সুতা।


১০৯ মুখেতে খেলে চুমু হাসে খল খল পেটের মাঝে শুধু জল করে ছল ছল।

 উত্তরঃ হুক্কা।


 ১১০ বলুন তো কি সেই জিনিস যেটা আপনি কাউকে দিলেও রাখতে আপনাকেই হবে ?

 উত্তরঃ কথা দিলে বা ওয়াদা দিলে।


১১১- ১ পাউন্ড পালকের চেয়ে ১ পাউন্ড লোহা কতগুন ভারী?

 উত্তরঃ দুটাই সমান।


১১২  কখন ১২ এর অর্ধেক ৭ হয়?

 উত্তরঃ অঙ্কে যখন ভুল হয়।


১১৩- ৪/ কখন ১১ এর সাথে ২ যোগ করলে ১ হয়?

 উত্তরঃ 11 টার পর আর 2 ঘন্টা হলে 1 টা হয়।


১১৪ কোন জিনিসটি আপনার কিন্তু আপনার বন্ধুরা সবচেয়ে বেশী USE করে?

 উত্তরঃ নাম।


প্রিয় পাঠকগণ।আসা করবো এই।  mojar dhadha গুলো আপনার ভালো লেগেছে। তাই আপনার কাছে একটাই বিশেষ অনুরোধ। পাতাটিকে একটা ভালো বেসে লাইক অবশ্যই দিবেন।ভালো থাকবেন সুস্থে থাকবেন।এবং সবাইকে ভালো রাখবেন।ধন্যবাদ।


প্রিয় পাঠক। আরো খুব সুন্দর সুন্দর, mojar dhadha গুলি পেতে। নিচে নেক্সট পেজ লিখাটিতে একটা ক্লিক করুন।ধন্যবাদ।


Next Page


 

50% LikesVS
50% Dislikes