boltu funny jokes bangla

boltu funny jokes Bangla


boltu jokes Bangla video, Bangla jokes of boltu, Bangla comedy boltu jokes, Bangla jokes with boltu, Bangla new boltu jokes,boltu jokes Bangla download,boltu funny jokes Bangla,


 

বল্টু জোকস 

 

১.প্লেটো এবং মুরগি

 

প্লেটো একবার বললেন, ‘মানুষ হলো একটি পালকবিহীন দুই পাবিশিষ্ট প্রাণী।’

এর কিছুদিন পর এক গবেষক একটি পালকবিহীন মুরগি নিয়ে প্লেটোর ক্লাসে হাজির হলেন। বললেন, ‘দেখো দেখো! এই হলো প্লেটোর মানুষ!


 

 

 

২. মহাত্মা গান্ধীর জুতো 

 

একবার ট্রেনে ওঠার সময় মহাত্মা গান্ধীর পায়ের এক পাটি জুতো খুলে পড়ে গেল। ট্রেন ততক্ষণে চলতে শুরু করেছে। নেমে জুতোটা তুলে নেওয়ার উপায়ও নেই।

গান্ধী চটজলদি তাঁর আরেক পায়ের জুতোও খুলে ফেলে দিলেন।

সহযাত্রীরা অবাক হয়ে এর কারণ জানতে চাইলেন।

গান্ধী বললেন, ‘কোনো গরিব লোক হয়তো জুতোটা খুুঁজে পাবে। এক পায়ের জুতো পেয়ে তো তাঁর কোনো লাভ নেই। তাই দুই পায়েরটাই দিয়ে গেলাম।


 

 

 

৩. তুমি তো জানো

 

একবার শন পোলকের বলে নাস্তানাবুদ হচ্ছিলেন রিকি পন্টিং। বল হাতে বাঁকা হাসি হেসে পোলক বললেন, ‘তুমি ক্রিকেট বল চেনো তো? এটা লাল, গোলাকার, ওজন পাঁচ আউন্সের কাছাকাছি।’

পরের বলেই ছক্কা হাঁকালেন পন্টিং। পোলকের কাছে গিয়ে বললেন, ‘তুমি তো জানো বলটা দেখতে কেমন। যাও, খুঁজে নিয়ে এসো।


 

 

 

৪. সত্যিই মারা গেছি

 

জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে একবার রবীন্দ্রনাথের বিসর্জন নাটকের মহড়া চলছিল। নাটকে রঘুপতি সেজেছিলেন দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর জয়সিংহের ভূমিকায় স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। একটা দৃশ্য ছিল এমন, জয়সিংহের মৃতদেহের ওপর আছড়ে পড়ে শোকবিহ্বল রঘুপতি।

দৃশ্যটার মহড়া চলছিল বারবার। দীনেন্দ্রনাথ বাবু ছিলেন কিছুটা স্থূলকায়। বারবার তাঁর ভার বহন করা কবিগুরুর জন্য কঠিন হয়ে পড়ছিল। একবার দীনেন্দ্রনাথ একটু বেকায়দায় রবিঠাকুরের ওপর আছড়ে পড়লেন। রবীন্দ্রনাথ কঁকিয়ে উঠে বললেন, ‘ওহে দিনু, মনে করিস নে আমি সত্যি সত্যিই মারা গেছি।


 

 

 

৫.গরু ও গুরু

 

পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্ৰ বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বিদ্যালয়ের এক পণ্ডিত একবার কতগুলি নিম্নমানের নীতিকথা জাতীয় কবিতা রচনা করে বিদ্যাসাগরকে দেখান। কবিতাগুলি পড়ে বিদ্যাসাগর বিরক্ত হন। কেমন লাগল। কবিতাগুলি ? সেই পণ্ডিতের প্রশ্ন শুনে কবিতাগুলির শেষে রসিকতা করে বিদ্যাসাগর লিখে দিলেন–

 

‘জেনে রেখে এ জগতে সকলেই গরু

যে যারে ঠেকাতে পারে সেই তার গুরু।

 

এই দু লাইন পড়ে সেই পণ্ডিত বুঝে গেলেন কবিতাগুলি সম্পর্কে বিদ্যাসাগরের মনোভাব।


 

 

 

৬.আমি কোথায় যাচ্ছিলাম

 

বিজ্ঞানীরা বরাবরই কিছুটা ভুলোমনা হয়ে থাকেন, তবে এদিক থেকে আইনস্টাইন বোধ হয় একটু বেশিই এগিয়ে আছেন!

একবার আইনস্টাইন ট্রেনে চড়ে যাচ্ছিলেন। চেকার এসে টিকিট দেখতে চাইলেন। কিন্তু আইনস্টাইন কিছুতেই টিকিট খুঁজে পাচ্ছিলেন না। শুধু বিড়বিড় করে বলছিলেন, ‘কোথায় যে রাখলাম টিকিটটা…।

চেকার বললেন, ‘স্যার, আমি আপনাকে চিনতে পেরেছি। আপনি নিশ্চয়ই টিকিট কেটেই উঠেছেন। আপনাকে টিকিট দেখাতে হবে না।

আইনস্টাইন চিন্তিত মুখে বললেন, ‘না না! ওটা তো খুঁজে পেতে হবে! না পেলে জানব কী করে, আমি কোথায় যাচ্ছিলাম


 

 

 

৭. মধুর সন্ধ্যা-আহ্নিক

 

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম প্রথম যখন প্রহসন ও নাটক লেখা শুরু করেন, তখন তিনি অফিসের কাজ অর্থাৎ পুলিশ-আদালতের কাজ বোলা প্ৰায় চারটের মধ্যে পাট চুকিয়ে চলে যেতেন পাইকপাড়ার রাজবাড়িতে। কী হত সেখানে ? রাজাদের সঙ্গে তিনি সেখানে রঙ্গরসিকতা, সরস কথোপকথনে, কাব্য, নাটক বিষয়ক আলোচনা ও নাট্য রচনা করে সময় কাটাতেন। তার উপস্থিতি রাজারা বেশ উপভোগ করতেন।

 

একদিন সন্ধ্যায় মহাকবি লিখতে লিখতে হঠাৎ কলম থামিয়ে রাজার উদ্দেশ্যে হেসে হেসে বললেন, ‘রাজামশাই, আমার সন্ধ্যা-আহ্নিকের সময় হল যে, সন্ধ্যা আহ্নিকের ব্যবস্থা করুন।

 

মধুকবির কথা শুনে অবাক রাজা ভাবলেন, এ কী বলে! খ্ৰীষ্টানের আবার সন্ধ্যা-আহ্নিক কী?

 

তখন মধুসূদন হাসতে হাসতে রাজা ঈশ্বরচন্দ্ৰকে বললেন, ‘গেলাশরূপ কোশায় দুই আউন্স পেগরূপ গঙ্গাজল, আচমন কার্য সমাপন করে আহ্নিককৃত অনুষ্ঠান করতে হবে।

 

রসিকতা রসিকতা শুনে রাজা হাসতে হাসতে কবির অপরূপ সন্ধ্যা-আহ্নিকের ব্যবস্থা করলেন।


 

 

 

৮.সম্মানসূচক ডিগ্রি

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বাছবিচারহীন সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানকে নিরুৎসাহিত করতেন। তিনি এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শোনাতেন। গল্পটি এ রকম—একদিন এক নৈশভোজে অতিসাধারণ এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হলো আমার, যিনি তিন তিনটে সম্মানসূচক ডিগ্রির অধিকারী। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে আমার এক বন্ধু জানাল, তাঁকে তৃতীয় ডিগ্রিটি দেওয়া হয়েছিল কারণ তাঁর দুটো ডিগ্রি আছে। দ্বিতীয়টি দেওয়া হয়েছিল, কারণ ইতিমধ্যেই তাঁর একটা ডিগ্রি আছে। আর প্রথমটা দেওয়া হয়েছিল তাঁর একটাও ডিগ্রি ছিল না বলে।


Leave a Comment