bengali funny jokes boltu

Bengali funny jokes boltu


Bengali funny jokes boltu, Bangla funny dubbing jokes, funny Bengali jokes audio download, Bangla funny jokes lyrics, Bengali funny jokes teacher vs student,Bangla funny jokes and pictures,


 

বল্টুর বাবাঃ রেজাল্ট কি বল্টু?

 

বল্টু স্কুল থেকে S.S.C. পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে বাড়ি ফিরেছে..

বল্টুর বাবাঃ রেজাল্ট কি বল্টু?

বল্টুঃ বাবা, আমার এক ফ্রেন্ড B পাইছে, ওর বাবা ওরে Brazil- এ ঘুরতে নিয়া যাইবো!

বাবাঃ বুঝলাম, তোর রেজাল্ট কি….?

বল্টুঃআমার আরেক ফ্রেন্ড C পাইছে, ওর বাবা ওরে Canada-তে ঘুরতে নিয়া যাইবো..!!

বাবাঃ বুঝলাম, এইবার তোরটা বল….।

বল্টুঃ আমার আরেক বন্ধু A পাইছে ওর বাবা ওরে America- তে ঘুরতে নিয়া যাইবো…!!

বাবাঃ হারামজাদা..!!থাপ্পড় খাবি, নিজের রেজাল্টের খবর নাই?

.

.

↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓ ↓

বল্টুঃ বাবা, আমারে তোমার France-এ ঘুরতে নিয়া যাইতে হইবো….!!!

কি বুঝলেন? বল্টু কি পাইছে বলেন তো দেখি?~~

 

 

বল্টু: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?

 

 

পল্টু: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।

 

বল্টু: বলিস কী! তারপর? \n\nপল্টু: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’~~

 

 

বল্টু বাসে করে যাচ্ছিল। এক লোক পকেট থেকে লেবু বের করে নাকে শুকতে লাগল।

বল্টু : লেবু শুকছেন কেন..?

লোক : বমি না আসার জন্য। (কিছুক্ষন পরেই লোকটি বমি করে দিল।)

বল্টু : লেবু শুকেও বমি করে দিলেন..?

লোক : ভাই,

.

.

.

১ সপ্তাহ ধরে আমি লেবুটা শুকছি। মনে হয় লেবুর মেয়াদ শেয।~~

 

 

বল্টু তার মেয়ের জন্য মাস্টার ঠিক করলো

প্রথম দিনে বল্টু দরজার পাশে দাড়িয়ে থেকে দেখছে মাস্টার কি রকম পড়ায় | কিন্তু মাস্টার জানে না | তারপর কি হয় দেখেন

*******

মাস্টার:ধর*তোমার কাছে আছে 2টা গোলাপ আমি তোমাকে 5 টি দিলাম*তাহলে কত হলো?

ছাত্রী:»7টি***

মাস্টার:এটা হলো যোগ|কি মজা না!

ছাত্রী:জ্বী স্যার|

মাস্টার:তোমার 7টি গোলাপ থেকে 2টি আমাকে দিলে*তাহলে কত হলো?

ছাত্রী:5টি***

মাস্টার:এটা হলো বিয়োগ|কি মজা না!

ছাত্রী:জ্বী স্যার**

মাস্টার:ধর তুমি আমাকে 3টা চুমু দিলে**আর আমি তোমাকে 4গুন দিলাম|তার মানে 12টি|এটা হলো গুন|কি মজা না!

ছাত্রী:জ্বী স্যার|

 

এদিকে বল্টু খেপে একাকার

বল্টু গিয়ে মাস্টারের ঘাড় ধরে টেনে এনে দরজার সামনে এন এক লাথি দিয়ে বললো,”এটা হলো ভাগ~~

 

 

স্যারঃ বলতো বল্টু কোন জিনিসটা জ্যান্ত থাকলে দাম কম কিন্তু মারা গেলে দাম বেড়ে যায়?

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বল্টুঃ মুরগি স্যার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্যারঃ মুরগি!!!কিভাবে বুঝা আমারে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বল্টুঃস্যার জ্যান্ত মুরগি কেজি ১৬০ টাকা।আর গ্রিল করা মরা মুরগি ৩২০ টাকা।

স্যার বোল্ড।~~

 

 

শিক্ষকঃ বল্টু,বল সন্ধি

কাকে বলে???

বল্টুঃ স্যার, প্রথমটুকু পারি না………

শেষের টুকু পারি………।

শিক্ষকঃ মনে মনে বলছেন..(বল্টুর মতন খারাপ ছাত্র সন্ধি শেষের টুকু পারলেও ভাল) তাই তিনি বললেন, বল শেষের টুকুই বল।

.

.

.

.

বল্টুঃ স্যার,

শেষেরটুকু হল………

তাকে সন্ধি বলে……~~

 

 

স্যারঃ বলতো ভালবাসার ওজন কত কেজি?

বল্টু : ৮০ কেজি স্যার।

স্যারঃ হা হা হা….. কিভাবে?

বল্টু :’ভালবাসা হচ্ছে ২টি মনের মিলন, আর আমরা জানি যে…১মন=৪০ কেজি

সুতারাং,

২মন=৪০+৪০কেজি=৮০ কেজি।’ (প্রমাণিত)~~

 

 

স্যার: যদি একটা বাস ঘন্টায় ১০ কি.মি. যায়, তাহলে আমার বয়স কত?

সবাই তো অবাক এইটা কোনো প্রশ্ন হইলো।

পিছন খেকে বল্টু হাত তুললো।

স্যার: বল বল্টু।

বল্টু: আপনার বয়স ৫০।

স্যার: good, কিভাবে পারলি।

বলটু: স্যার আমাদের এলাকার হাফ পাগল আছে। তার বয়স ২৫ আর আপনি হয়লো ফুল পাগল তাই আপনার বয়স ৫০।। ~~

 

 

বল্টু এখন ভবিষ্যত বলে দেওয়ার ব্যাবসা শুরু করছে।।

.

.

তাই এক মেয়ে তার কাছে গিয়ে বলল..

.

.

.

মেয়েঃ বাবা, আমাকে ভবিষ্যত্ দেখানো শিখিয়ে দিন।

.

.

বল্টুঃ- চোখ বন্ধ করে তোমার গাল আমার কাছে নিয়ে আসো বালিকা।

.

.

মেয়েঃ- না।

.

.

বল্টুঃ- কেন? . .

মেয়েঃ- আপনি আমাকে Kiss করবেন।

বল্টুঃ- আরে বাহ, তুমি তো ভবিষ্যত্ দেখা শিখে গেছো।।। ~~

 

 

বল্টু গেছে এক কোল্ড ড্রিঙ্কস এর দোকানে সেখানে গিয়ে বলছে

-একটা পেপসি এর বোতল খুলো ভাই!!

দোকানদার খুলল

.

আবার বলল “একটা 7- Up ও খোল,

দোকানদার খুলল

.

আবার বলল “

একটা স্প্রাইট এর বোতল খুলো,

দোকানদার খুলল

.

আবার বলল

একটা মাউন্টেন ডিউ এর বোতল খুলো,

দোকানদার এখন রাগ হয়ে গেলো আর বলল “ আরে তুই খাবি কোনটা??

.

.

.

বল্টু : ভাইজান খামুনা !

আমার এই বোতলের ঢাকনা খুলার ঠুস ঠুস আওয়াজ শুনতে খুব মজা লাগে~~

 

 

মেয়ে:জানু একটা গান শোনাও Plz

বল্টু:কি গান??

মেয়ে:তোমার ইচ্ছা

বল্টু:তাইলে শোন…

.

.

তু খিচ মেরি ফটো

তর বাপে চালায় অটো,

তর চাচা চালায় হুন্ডা

তর চৌদ্দ গুষ্টি গুন্ডা!!

মেয়ে তো পুরাই~~

 

 

বল্টু মারা গেছে…

বল্টু, র্স্বগতে গিয়ে দেখলো ওখানে প্রচুর ঘড়ি রাখা আছে।

বল্টু দেবদুত কে জিজ্ঞাসা করল, এখানে এত ঘড়ি কেন রাখা আছে?

দেবদুত : এগুলো হল মিথ্যা ঘড়ি, সবার জন্য একটা করে ঘড়ি আছে। যখনই কেউ মিথ্যা বলবে, তখনই তার ঘড়ি ঘুরবে।

বল্টু তখন একটা ঘড়ি দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করল, এটা কার ঘড়ি, একদমই ঘোরেনি?

দেবদুত : এটা মাদার তেরেসার ঘড়ি, এটা কখনই ঘোরেনা। কারন উনি কখনো মিথ্যা বলেন না।

বল্টু তখন খুব উৎসাহিত হল এবং জিজ্ঞাসা করল : আচ্ছা, আমার ঘড়িটা কোথায়? এখানে দেখতে পাচ্ছিনা তো !!

দেবদুত : ওটা আমাদের অফিসে রাখা আছে, ওটা আমরা এখন টেবিল ফ্যান হিসাবে ব্যবহার করি~~

 

 

শিক্ষক:- বল্টু, তুই কয়টা গান পারস ??

বল্টু:- ৪ টা গান পারি ।

শিক্ষক:- দেখি কি কি গান জানস, গা একটু

বল্টু:-

1′ ® ও কালী, পকেট খালি, জানু তুই আমারে কি ভাবে ছ্যাকা দিলি??

2′ ® ধাক ধাক কার নে লাগা, হালা রে ধইরা গালে 2 টা থাপ্পর লাগা!!

3′ ® দিল তুহি হে বাতা, কেনো তোমার বাথরুমের বদনা ফাঁটা! ??

4′ ® ধুম মা চালে ধুম মা চালে ধুম, কাল অবরোধ দিবো সেই লেভেলের ঘুম!!

শিক্ষক:- বেহুশ …..~~

 

 

শিক্ষক:- বল্টু, বলত এই পৃথিবীতে মোট কয়টি দেশ?

বল্টু:- ১ টা স্যার।

শিক্ষক:- মানে !??

বল্টু:- জী স্যার , বাকি গুলিতো সব বিদেশ।

শিক্ষক:- বেহুশ …~~

 

 

মা : শুনলাম তুমি নাকি ইদানিং সিগারেট খাওয়া শুরু করেছো। কথাটা কি সত্যি ?

বল্টু : হ্যাঁ মা সত্যি কথা।

মা : শুনে ভালো লাগলো যে তুমি সত্যি কথা বলা শুরু করেছো। আচ্ছা যা খেয়েছো খেয়েছো, আর খেয়ো না। আচ্ছা আমি কি জানতে পারি যে, তুমি হঠাত্ সিগারেট খাওয়া শুরু করলে কেন ?

বল্টু : এটা আমি দেশ ও দশের কথা ভেবে খাওয়া শুরু করেছি মা।

মা : মানে ?

বল্টু : সিগারেট হলো দেশের শত্রু ঠিক কিনা বল ?

মা : হ্যাঁ ঠিক ।

বল্টু : সিগারেট হলো পরিবেশের শত্রু ঠিক কিনা বল ?

মা : হ্যাঁ ঠিক।

বল্টু : সিগারেট হলো যুব সমাজের শত্রু ঠিক কিনা বল ?

মা : হ্যাঁ ঠিক।

বল্টু : এই জন্যই তো এটাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে নিঃশেষ করে ফেলছি।

ভাবছি, মদটাকেও এবার শেষ করা শুরু করব।

মা : দারা রে হতচ্ছারা আজ তোর এক দিন কি আমার এক দিন~~

 

 

বল্টুঃ- দয়া করে তাড়াতাড়ি ৫০৬ নম্বর কক্ষে চলে আসুন।

হোটেল ম্যানেজারঃ কেন, সমস্যা কী?

বল্টুঃ- আমার স্ত্রী জানালা দিয়ে লাফ মেরে আত্মহত্যা করতে চাচ্ছে।

হোটেল ম্যানেজারঃ- আপনি স্বামী হয়ে কিছু করছেন না। আর আমি কী করতে পারি?

বল্টুঃ-আরে ভাই, এখন কথা বলার সময় নয়। আমার স্ত্রী কিছুতেই জানালা খুলতে পারছে না। জানালাটা খুলে দিয়ে যান।~~

 

 

বল্টু সিনেমা দেখে বারি ফিরছিলো তখন প্রায় রাত ৩টা বাজে। তখন বল্টুর বুক ভয়ে ঢিপঢিপ করছে। এমন সময় দেখেন, তার পাশে আরও একজন লোক হাঁটছে।

বল্টু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, ওহ্, ভাই,আপনাকে দেখে কিছুটা সাহস পেলাম। কী যে ভয় করছিল।

লোকটা বললঃ কেন? ভয় কিসের?

বল্টু ফিসফিস করে বললঃ কিসের আবার? ভূতের! শুনেছি, এখানে খুব ভূতের উপদ্রব!

লোকটার উত্তরঃ আরে, নাহ্! কে বলেছে?

আমার মৃত্যুর পর প্রায় ৩০ বছর ধরে এখানে আছি, কই,একটাকেও তো দেখলাম না!~~

 

 

 

 

 

বল্টু পরীক্ষায় ফেল করল।

কিন্তু তার কাছে মনে হয় সবগুলো উত্তর ঠিক আছে।

দেখা যাক কতটা সঠিক-

:

:

১। বরকত কোন আন্দোলনে শহীদ হন?

উ:- তার জীবনের শেষ আন্দোলনে।

:

২। কাজী নজরুল ইসলামকে কোথায় দাফন করা হয়?

উ:- কবরস্থানে।

:

৩। স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন শহীদ হন?

উ:- পাকিস্তান বাহিনী যত জনকে হত্যা করেন।

:

৪। শহীদ মিনার কোথায় অবস্থিত?

উ:- যেখানে নিমার্ন করা হয়েছে।

:

৫। পৃথিবী সবচেয়ে ধনী লোক কে?

উ:- যার কাছে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি আছে।

.

বল্টুকে আপনি হলে কত নাম্বার দিতেন??~~

 

 

একবার বল্টু এক মেয়েকে বল্লো??

বল্টু: আই লাভ ইউ??

মেয়ে: আমি অন্য একজনকে ভালোবাসি।

বল্টু: দিল ভোঁ দৌড়??

মেয়ে: এ ছেলে কই যাস??

বল্টু: তোর মার কাছে বলে দিতে??

:

:

:

মেয়ে: ঐ ছেলে দাড়া আই লাভ ইউ টু~~

 

 

বল্টু ও পল্টু পিকনিকে গেছে।

রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল।

:

:

:

মাঝরাতে বল্টু ..পল্টুকে ডেকে তুলল।

.

বল্টু : দোস্ত, আকাশ দেখতাছস?

.

পল্টু : হ দোস্ত। দেখতাছিতো।

.

বল্টু : কি বুঝলি?

;

পল্টু : আকাশে কোন মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে। তারমানে, আজ বৃষ্টি হবে না।

.

.

বল্টু : ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা!!

.

.

.

আমাগোর তাবুডা চুরি হইয়া গেছে, এই জন্যই আকাশ দেহা যাইতাছে |~~

 

 

শিক্ষক আর বল্টুর মধ্যে কথা হচ্ছে :-

.

শিক্ষক : হেরে বল্টু ইদানিং নাকি তুই জ্ঞানী লোকদের মতো কথাবার্তা বলিস , তো আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবি ?

.

.

বল্টু :- বলেন স্যার , চেস্টা করে দেখি!

.

.

শিক্ষক :- এমন একটা সমস্যার কথা বলতো , যা করলেও বিপদ না করলেও বিপদ ?

.

.

বল্টু :- লুঙ্গিতে আগুন লাগলে!

.

.

শিক্ষক :- মানে ?

.

.

বল্টু :- স্যার , লুঙ্গিতে আগুন লাগলে লুঙ্গি খুললেও বিপদ না খুললেও বিপদ l

.

.

.

শিক্ষক :- হারামজাদা ফাইজলামি করস ?

.

.

বল্টু :-বিশ্বাস না করলে আপনার লুঙ্গিতে আগুন লাগাইয়া দেখেন l~~

 

 

বল্টুর প্রাইভেট ক্লাস….

শিক্ষক : বলতো আম উপরের দিকে না পরে নিচের দিকে পরে কেন?

বল্টু : স্যার,উপরে খাওয়ার মানুষনেই তাই।

শিক্ষক (একটু রেগে) :এই শিখছিস ?

আচ্ছা বল, লোহার তৈরি জাহাজ পানিতে ভাসে, কিন্তু লোহার টুকরা পানিতে ডুবে যায় কেন?

বল্টু : লোহার তৈরি জাহাজ ভেসে থাকে কারন এর চালক আছে, কিন্তু লোহার টুকরার চালক নেই তাইএটা ডুবে যায়।

শিক্ষক : তোর মাথায় ডাস্টার মারব হারামি। আচ্ছা এবার বাংলা ২য় পত্র বের করে ক্রিকেট রচনাটা লেখ।

সময়:-৩০মিনিট।

কিছক্ষন পর বল্টু খাতা জমা দিল.

স্যার তো অবাক এত তাড়াতাড়ি বল্টুর রচনা লেখা হয়ে গেল।

শিক্ষক কৌতূহল সহকারে পড়ল।

বল্টু লিখেছে- খেলা শুরুএবং আকাশে মেঘলা মেঘলা ভাব। বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যক্ত।

শিক্ষক বেহুষ।~~

 

 

বল্টুঃ- কি রে কুদ্দুস । লিফট বন্ধ ক্যান ?

কুদ্দুসঃ- মনে হয় লিফট নষ্ট হইছে ।

বল্টুঃ- হায় হায় ! এহন তাইলে ১৯০ তলায় উঠমু ক্যামনে ?

কুদ্দুসঃ- সমস্যা নাই । সিঁড়ি দিয়া উঠমু !

বল্টুঃ- আমি পারমু না ?

কুদ্দুসঃ- শোন , আমি একটা মজার কথা কমু আর সিঁড়ি দিয়া উপরে উঠতে থাকমু । আমার মজার কথা শেষ হইলে তুই একটা দুঃখের কথা বলবি । এইভাবে কথা কইতে কইতে আমরা ১৯০ তলায় উইঠা যামু ।

বল্টুঃ- আইচ্ছা ঠিক আছে ।(কুদ্দুসের মজার কথা শুরু)

কুদ্দুসঃ- (মজার কথা শেষ কইরা ) দেখছস আমরা এহন কথা কইতে কইতে ১৬০ তলায় আইসা পড়ছি । এহন তুই একটা দুঃখের কথা কইতে থাক ।

বল্টুঃ- দুঃখের কথা আর কি কমু , ফ্ল্যাটের চাবি তো নিচে গাড়িতে রাইখা আইছি।~~

 

 

বল্টুঃআপনার নাম কি?

মেয়ে:আমার নাম চাপা চৌধুরী ।

বল্টুঃবাড়ী কোথায়?

মেয়েঃচাপাইনবাবগঞ্জ।

বল্টুঃআপনার প্রিয় ফুল কি?

মেয়েঃচাপা ফুল ।

বল্টুঃপ্রিয় ফল কি?

মেয়েঃচাপা কলা।

বল্টুঃপ্রিয় তরকারী?

মেয়েঃচাপা শুটকি ।

বল্টুঃঅবসর সময় কি করেন?

মেয়েঃচা–পাতার গন্ধ শুকি।

বল্টুঃপ্রিয় চলচ্চিত্র কি ?

মেয়েঃচাপা ডাঙ্গার বউ ।

বল্টুঃপ্রিয় সখ কি ?

মেয়েঃচাপা মারা।

বল্টুঃরাগেন কখন?

মেয়েঃচাপা উত্তেজনায় ।

বল্টুঃআনন্দে কি করেন ?

মেয়েঃচাপা হাসি দেই ।

বল্টুঃকষ্ট পেলে কি করেন?

মেয়েঃচাপা কান্না করি ।

বল্টুঃআপনার প্রিয় ব্যক্তিত্ব কারা?

মেয়েঃচাপাবাজরা ।

বল্টুঃআপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

মেয়েঃট্রাক চাপা পড়ে কেউ যেন না মরে তার ব্যবস্থা করা।

বল্টুঃ(হাতের আঙ্গুলে ব্যান্ডেজ বাধা দেখে জিঙ্গেস করলাম)আঙ্গুলে ব্যাথা পেলেন কি করে ?

মেয়েঃদরজায় একটু চাপা খাইছিলাম ।আর কিছু?

বল্টু অজ্ঞান!!~~

 

 

বল্টু গেল বাজারে ডাব কিনতে,

বল্টু :ডাব কয় টাকা???

দোকানদার : ৩০টাকা,

বল্টু ::৩০টাকা দিয়ে কি ডাব খাব নাকি???

দোকানদার ::না খাইলে,,,গাছ থেকে পেরে খান,,টাকা লাগবে,,,না,।।।

বল্টু ::রেগে,,বলল,,গাছ থেকে পেরেই খাব, এই বলে বল্টু গাছে উঠতে শুরু করল

হঠাৎ পা পিছলে ডাব ধরে,,ঝূলে থাকল, বল্টু কিছুক্ষণ ঝূলে থাকল,, হঠাৎ একলোক হাতি নিয়া যাইতে ছিল

বল্টু বলল ভাই আমাকে নামাইয়া দিবেন,,

হাতি ওয়ালা ৫০০ টাকা লাগবে,,

বল্টু আচ্ছা দিব,, আগে নামান,

যখনি হাতি ওয়ালা বল্টুর পা ধরল,

তখন হাতি নিচ দিয়া চলে যায়,

এখন দুজনেই ঝূলে আছে,

তার কিছু খন পর এক ঘোড়া ওয়ালা যাচ্ছিল ঘোড়া নিয়ে

তখন হাতি ওয়ালা বলল,ভাই আমাদের দুজন কে নামাইয়া দিবেন??

ঘোড়া ওয়ালা নামাইতে পারি ১০০০ টাকা লাগবে,,,

বল্টু আচ্ছা দেব,,,

যখনি ঘোড়া ওয়ালা, হাতি ওয়ালার পা ধরল, তখনি ঘোড়া নিচ দিয়ে চলে যায়

এখন ৩জনেই ঝূলে আছে,

তখন বল্টু বলল,তুই কত চাইছিলি ৫০০ আর তুই ১০০০

এখন তরা দুজনেই ২০০০ করে বাহির কর, নইলে হাত দিলাম ছাইরা~~

 

 

একবার ক্লাসে গানের প্রতিযোগীতা হচ্ছে !!

প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করবে তিন জন :

১. আবুল

২. পল্টু

৩. বল্টু

\

/

স্যার প্রথমে আবুলকে গান গাইতে বললো :

তখন , আবুল গান বললো :

১ . . .

এই . . .

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ,

বদনা হাতে আব্দুল গফুর ,

আঁকা-বাঁকা গ্রাম্য পথে ,

লুঙ্গি তুইলা হাইটা যায় !!

তাই দেখিয়া বুকটা আমার

বেলুনের মত ফাইটা যায় .

\

/

আবুলের গান শুনে

স্যার বেইজ্জতি !!

২ . . . .

এবার পল্টুর পালা ,

পল্টু গান বললো :

হৈ হৈ বাশের পাতা খসখসে ,

লাউয়ের পাতা নরম ,

ছকিনার মুখে চুমু দিতে

আমার লাগে শরম

\

/

এবার স্যারের

মাথা পুরাই হ্যাং .

৩ . . .

এবার বল্টুর পালা . .

বল্টু স্যারের মেয়েকে ভালবাসতো !!

স্যারের মেয়ের নাম ছিলো জরিনা !!

তাই , ক্লাসে জরিনাকে লক্ষ্য করে ,

বল্টু ব্যান্ডের গান বললো :

চাঁদ উঠেছে আকাশে ,

জরিনা আমার বাম পাশে ,

আমি সমুদ্র জরিনা ঢেউ ,

জরিনা কুত্তা আমি ঘেউ ,

ভ্রক ভ্রউউউউউউঊউ . .

\

/

স্যার , এবার পুরাই বেহুশ !~~

 

 

বল্টুঃ দোস্ত আমাকে ১০০০টাকা ধার দিবি? ৭দিন পরেই দিয়ে দেবো

আবুলঃ এই নে ১০০০টাকা।

বল্টুঃ টাকা হাতে পেয়ে, দোস্ত তুই। আমার অনেক বড় উপকার করলি-তোর এই ঋণ কোনদিন শোধ করতে পারবোনা! দুই মাস হয়ে যায় বল্টু আর টাকা দেয় না।

আবুলঃ কিরে আমার টাকাটা তো আর দিলি না।

বল্টুঃ কিসের টাকা?

আবুলঃ এর মধ্যেই সব ভুলে গেলি? দুই মাস আগে ১০০০ টাকা নিয়েছিস

বল্টুঃ তোকে না টাকা নেয়ার সময়ই বলছি তোর এই ঋণ আমি কোন দিন শোধ করতে পারবোনা, আবার কিসের টাকা?~~

 

 

বল্টু আর পল্টু দুই বন্ধু বেড়াতে গেল জাপান। তারা সেখানে বড় একটা হোটেলে উঠল।

পল্টুঃ খুব খিদে পেয়েছে দোস্ত।

:

বল্টুঃ তোর এই খাই খাই সভাবটা আর গেলনা।

পল্টুঃ চল না, দোস্ত

:

বল্টুঃ বল কি খাবি ?

:

পল্টুঃ তুই ওর্ডার দে।

বল্টু ওয়েটার কে ডাকল ওয়েটার খাবারের মেনু বইটা দিল। বল্টু ভাষা না বুঝে আন্দাজে একটা টিক দিয়ে দিল। একটু পরে খাবার আসল, পরাটা আর মাংস দু’জনে খুব মজা করে খাচ্ছে

:

বল্টুঃ খুব টেস্ট, এটা খাসির মাংস :

পল্টুঃ আরে দুর ব্যাটা এটা গরুর মাংস

:

এই নিয়ে দু’জনের মাঝে ভিশন ঝগড়া লোকজন জরো হয়ে গেল,ওয়েটার কে ডাকল। ওয়েটার ত এদের ভাষা বোঝেনা। তাই এরা মাংসের টুকরা হাতে নিয়ে।

বল্টুঃ এইটা,,, ম্যা ম্যা,,,

:

পল্টুঃ এইটা,,, হাম্বা হাম্বা,,,

ওয়েটার কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল

:

:

ইট’স,,,,ঘেউ ঘেউ,,,~~

 

 

বল্টুর বউ মারা গেছে, তাকে ভিসন কাঁদতে দেখে এলাকার মুরুব্বিরা এসে কইলো!!

মুরুব্বিরা :- কি বেপার বল্টু তোমার মা মারা গেলো, বোন মারা গেলো, এতোটা কাঁদোনি, আর বউ মারা যাওয়াতে এতো কান্না??

বল্টু :- আমিতো বউ এর জন্নো কাদছি না…!!

মুরুব্বিরা :- তাহলে কেনো কাদছো…??

বল্টু :- যখন আমার মা মারা গেলো তখন এলাকার মহিলারা এসে বল্লো এতো কাদিস না, বল্টু তোর মা মারা গেলে কি হয়েছে আমরা আছি না আমারাই তোর মা ।

মুরুব্বিরা :- ঠিকিতো আছে তাতে কি হয়েছে…??

বল্টু :- আমার বোন যখন মারা গেলো, এলাকার মেয়েরা এসে বল্লো আমরাই তোমার বোন ।

মুরুব্বিরা :- এটাতো ঠিক আসে তাহলে তোর কান্নার কারন কি…??

বল্টু :- কিন্তু আমার বউ মরলো তিন দিন, এখনো কেউ এসে বল্লো না আমারাই তোর বউ…!!~~

 

 

বল্টু একটা মোবাইল এর দোকানে গিয়ে বলল-

.

বল্টু;ওই মিয়া, কি মোবাইল দিচেন…?

.

আপনে না কইছিলেন ১বৎসরের আগে মোবাইল কিছুই হইব না..?

দোকানদার;ক্যান..! কী হইচে?.

.

.

বল্টু;আরে মোবাইল চুরি হইয়া গেছে.~~

 

 

বল্টু বিয়া করসে। বউকে বাসায় নিয়া আসার পর থেইকাই বউয়ের মনটা খুব খারাপ। এই দেখে বল্টুর মা বল্টুর বউকে বলতেসে, “বউমা, তুমি একদমই মন খারাপ করবানা। বাবা-মা ছাইড়া আসছো তো কি হইসে, মনে করবা আমি তোমার মা, আর তোমার শশুড়কে মনে করবা তোমার বাবা। আজ থেকে আমরাই তোমার বাবা-মা।” তো বল্টু সেদিন অফিস থেকে বাসায় ফিরে কলিং বেল চাপতেসে। বল্টুর বউ দরজা খুলেই খুসিতে লাফ দিয়া বলতেসে,”আম্মা, আম্মা দেখ…… ভাইয়া অফিস থেকে আইসা পরসে।” বল্টু shocked……… শশুর-শাশুরী স্ট্রোক..~~

বল্টু ‘র কাছে একবার যমদূত আসলো, বলল, “তোমার পরপারে যাওয়ার সময় হয়েছে”

বল্টুঃ কিন্তু আমি এখন যেতে চাই না !!

যমদূতঃ কিন্তু আমার লিস্টের সবার উপরে তোমার নাম লেখা আছে..

বল্টুঃ ঠিক আছে। তুমি একটু খেয়ে দেয়ে আরাম করো, এরপর আমাকে নিয়ে যেও তো যমদূত খেয়ে দেয়ে আরামের একটা ঘুম দিলো। বল্টু তখন যমদূতের লিস্ট থেকে উপরের নিজের নামটা কেটে দিয়ে সবার শেষে লিখে দিলো…

.

.

যমদূত যখন ঘুম থেকে উঠলো; বলল, “তোমার ব্যাবহারে আমি খুশি হয়েছি, এখন আমি লিস্টের নিচ থেকে শুরু করবো…~~

 

 

বল্টু এক শপিংমলে চুরি করতে গেল…

চুরি করার সময় দারোয়ান বল্টুকে দেখে ফেলে এবং ধরার চেষ্টা করে। কিন্তু বল্টুপালিয়ে যায়।

.

.

পরের দিন বল্টু আবার সেখানে চুরি করতে যায়। দারোয়ান আবার তাকে ধরার চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়। পরে দারোয়ান বুঝতে পারে যে চোরটা যখন দুবার এসেছে তাহলে আবার আসবে।

.

.

তৃতীয় দিন

বল্টু চুরি করতে যাওয়ার সময় দারোয়ান বল্টুকে ধরে ফেলে এবং পুলিশে দেয়। তারপর বল্টুকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালতে জর্জ বল্টুকে জিজ্ঞেস করলেন…

“তুমি একই শপিংমলে তিনবার চুরি করতে গিয়েছিলে কেন..?”

বল্টু : আমার কি দোষ?

যখনই চুরি কইরা বার হই .

.

.

.

গেইটে লেখা থাকে, *ধন্যবাদ, আবার আসবেন*~~

 

 

বল্টু মাতাল বন্ধুদের সাথে পিকনিক করার জন্য নিজের বাড়ি থেকেই ছাগল চুরি করল। রাত ভর খুব আনন্দ করল। খুব মজা করে খাওয়া দাওয়া। সকালে যখন বাড়িতে ফিরল দেখল হায় হায় ছাগলতো বাড়িতেই। বল্টু বউকে জিজ্ঞাসা করলঃ- ওই, ছাগল আইলো কই থিকা ??

.

.

.

.

.

বউঃ ” আরে রাখ তোমার ছাগল। আগে কও, কাল রাইতে তুমি চোরের মত আমাদের কুত্তাডারে লইয়া কই গেছিলা~~

 

 

বল্টুঃ আমার একটা সমস্যা হচ্ছে।

ডাক্তারঃ কি?

বল্টুঃ যখন যার সাথে কথা বলি তাকে দেখতে পাইনা।

ডাক্তারঃ কখন এরকম হয়?

বল্টুঃ যখন ফোনে কথা বলি।~~

 

 

 

 

 

খুব মশা কামড়াচ্ছে বলে রেগে গিয়ে বল্টু বিষ খেয়ে নিলেন। বললেন, নে এবার রক্ত খা, খেলেই মরবি।~~

 

 

 

 

 

জেলকর্তাঃ কাল তোমার ভোর ৫ টায় ফাঁসি হবে।

এটাশুনে বল্টু হেসে ফেললেন।

জেলকর্তাঃ হাসছ কেন..?

বল্টুঃ আরে ধুর! আমি সকাল ৯ টার আগে উঠিই না।~~

 

 

 

 

 

বল্টু সবজি কিনতে বাজারে গেছেন…

সবজি ওয়ালা সবজির ওপর জল ছেটাচ্ছিলেন। তা দেখে বল্টু বলল, ‘ওদের জ্ঞান যদি ফিরে আসে, তাহলে ওখান থেকে এক কিলো দিয়েন তো।~~

 

 

 

 

 

বল্টু এটিএম থেকে টাকা তুলছিলেন। পিছন থেকে আরেক জন বললেন,

হে…হে ! আমি আপনার পাসওয়ার্ড দেখে নিয়েছি, ওটা হলো চারটে star

 

বল্টুঃ ‘হা হা হা- আপনি ভুল, ওটা হলো ২৭৮৬~~

 

 

 

 

 

পুলিশঃ আপনি বিবাহিত..?

বল্টুঃ হ্যা, একজন মহিলার সাথে।

পুলিশঃ আরে! সে তো বটেই, কেউ কি ছেলের সাথে বিয়ে করে নাকি?

বল্টুঃ হ্যা,করেছে তো! আমার বোন।~~

 

 

 

 

 

হাসপাতালে নার্সঃ অভিনন্দন, আপনার ঘরে ছেলে হয়েছে।

বল্টুঃ আরিবাবা! কি টেকনোলজির যুগ, বউ হাসপাতালে আর ছেলে হয়েছে ঘরে।~~

 

 

 

 

 

বল্টু একটা মাছির ডানা কেটে দিয়ে তাকে উড়তে বললেন, কিন্তু মাছি উড়ল না।

বল্টুঃ তাহলে এখান থেকে প্রমানিত হলো যে, ডানা কেটে দিলে মাছি শুনতে পায় না।~~

 

 

 

 

 

ম্যারাথন দেখতে গিয়ে

বল্টুঃ আচ্ছা এত লোক দৌড়াচ্ছে কেন..?

ব্যক্তিঃ এটা ম্যারাথন হচ্ছে, সবাই দৌড়াচ্ছে, চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার পাবে।

বল্টুঃ শুধু চ্যাম্পিয়নই যদি পুরস্কার পায়, তাহলে বাকিরা দৌড়চ্ছে কেন..?~~

 

 

 

 

 

বল্টু একটা পিজ্জা অর্ডার দিয়েছেন।

বেয়ারাঃ স্যার, এটাকে আট পিস করব, না চার পিস..?

বল্টুঃ চারই করে দেন, আটটা বড্ড বেশি হয়ে যাবে, খেতে পারব না~~

 

 

বল্টু নতুন প্রেমে পড়ছে।

তো চান্দু বল্টুকে বলছে,

চান্দুঃ কিরে, তুই নাকি প্রেম করছিস?

বল্টুঃ হ্যাঁ…

চান্দুঃ মেয়েটিকে দেখাবি না…???

বল্টুঃ নিশ্চয়ই, এখনই চল….

(কিছুদুর যাওয়ার পর, একটা বাড়ির দু’তলায় দাঁড়িয়ে থাকা একটা মেয়ে কে দেখিয়ে)

বল্টুঃ ওই যে দেখ বারান্দায় দাড়িয়ে আছে…

(মেয়েটির দিকে তাকানোর সঙ্গে সঙ্গে বল্টুকে আর চান্দুকে সে পায়ের জুতা দেখালো)

চান্দুর মাথা পুরাই গরম তাকে জুতা দেখিয়ে লজ্জা দিলো….

চান্দুঃ কেন, মিথ্যা কথা বললি? তুই না বললি মেয়েটি তোকে ভালোবাসে? মেয়েটি তো তোকে জুতা দেখাইতেছে..

বল্টুঃ তুই বুঝবি না, এই ভাষা কেবল প্রেমিকরাই বুঝে, ও আমাকে বাটার(Bata) দোকানের সামনে দাঁড়াতে বলছে….~~

 

 

বল্টু যে বাড়িতে কাজ করে, ঐ বাড়ীর মালিকের হুইস্কির বোতল থেকে দু -এক পেগ চুরি করে খায় আবার সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে রেখে দেয়। মালিকের সন্দেহ হত কিন্তু কিছু বলত না। কিন্তু যখন এটা রোজ হতে লাগলো,,

তখন একদিন ড্রইংরুমে বৌয়ের সাথে বসে চিৎকার করে বল্টুকে ডাকতে লাগল। বল্টু তখন রান্না ঘরে রান্না করছিল। বল্টু জবাব দিন -জি মালিক। আমার হুইস্কির বোতল থেকে হুইস্কি খেয়ে পানি মিশিয়ে কে রাখে?

রান্না ঘর থেকে কোনউত্তর এল না মালিক চিৎকার করে একই প্রশ্ন আবার. করলেন কিন্তু কোন জবাব. নেই।

মালিক রেগে রান্না ঘরে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন এসব কি হচ্ছে, যখন তোর নাম ধরে ডাকছি উত্তর দিচ্ছিস আর যখন অন্য কিছু জিজ্ঞস করছি তো উত্তর দিচ্ছিস না?

বল্টু: -মালিক রান্না ঘর থেকে শুধু নাম শোনা যায় অন্য কিছু শোনা যায় না।

মালিক: চুপ মিথ্যাবাদী এরকম আবার হয় নাকি?

তুই ড্রইংরুমে যা সেখান থেকে আমাকে প্রশ্ন কর আমিউত্তর দিচ্ছি…

বল্টু ড্রইংরুমে গিয়ে মালিকের বউয়ের পাশে বসে আওয়াজ দিল…মালিক

মালিক: হ্যাঁ বল্টু শুনতে পাচ্ছি!

বল্টু :বাড়িতে কাজের মেয়েকে মোবাইল কে কিনে দিছে?

কোন উত্তর নেই …

আবার প্রশ্ন করল কাজের মেয়েকে পার্কে ঘুরাতে কে নিয়ে গেছিল?

ওপাশ থেকে তখনো কোন উত্তর নেই।

মালিক বেরিয়ে এসে তুই ঠিক বলছিস তো বল্টু ?

রান্না ঘর থেকে শুধু নামটাই শোনা যায় , আর অন্য কিছু শোনা যায় না আজব ব্যাপার…~~

 

 

বিয়ের আগেঃ-

বল্টুর প্রেমিকা তাকে বলছে” ডার্লিং চাঁদ কোথায়?

.

বল্টুঃ একটা আকাশে আরেক টা আমারপাশেই বসে আছে।

.

বিয়ের পর:-

.

বউঃ এই শুন না, চাঁদ কোথায়??

.

বল্টুঃ ওই তুই কানা নাকি!!!??

আকাশে কি তোর বাপ “ফিলিপস” বাত্তি জালাইয়া রাখছে ?~~

 

 

বল্টু আদালতে গেছে তার বউ তালাক দিবো সেই মামলায়।

,

,

,

জজঃ তোমার তিনটা বাচ্চা আছে। তাদেরকিভাবে ভাগ করবে?

,

,

,

,

বল্টুঃ (অনেক সময় চিন্তা করার পর) ঠিক আছে জজ সাহেব আমরা আগামী বছর আসবো। আর একটা বাচ্চা জন্ম দিয়ে।

,

,

,

,

১০ মাস পরে বল্টুর যমজ বাচ্চা হইছে।~~

 

 

বল্টু আর চান্দুর সবসময় লেগেই থাকে শত্রু শত্রু খেলা। তো একদিন তুমুল ঝগড়ার এক পর্যায়ে একটি দৈত্য হাজির হলো। দৈত্য বল্টুকে বলল : “হু হো হা হা হা !!

আমি তোমার তিনটি ইচ্ছা পূরণ করব। কিন্তু একটা শর্তআছে।”

বল্টু : কী শর্ত..?

দৈত্য : প্রতিটা ইচ্ছার সঙ্গে তুমি যা পাবে, তোমার শত্রু চান্দু তার দ্বিগুণ পাবে।(চান্দু মহা খুসি)

বল্টু : আচ্ছা আমি রাজি।

প্রথমত, আমাকে একটা দামি গাড়ি দাও।

দৈত্য : এই নাও গাড়ি।

(চান্দু ইতোমধ্যে দুইটা গাড়ি পেয়ে চরম খুশি)

বল্টু : আমি এক কোটি টাকা চাই।

দৈত্য : এই নাও,তোমাকে কোটিপতি করে দিলাম।

(অন্যদিকে চান্দুরে ঠেকায় কে চান্দু দুই কোটি টাকা পেয়ে বল্টুকে ব্যঙ্গ করছে আর কি খুশি)

বল্টু : আমার অনেক দিনের ইচ্ছা,

.

.

.

আমার একটা কিডনি গরিব মানুষকে দান করব।

(এবার চান্দুর কান্না আটকায় কে)~~

 

 

বল্টু মন খারাপ করে বাড়ি ফিরেছে । তার বাবা জিজ্ঞেস করলো,

বাবা: কিরে বল্টু? কি হয়েছে তোর?

বল্টু: স্কুলে স্যার মেরেছে ।

বাবা: কেনো? পড়া পারিসনি বুঝি?

বল্টু: পেরেছি ।

বাবা: তাহলে?

বল্টু: স্যার প্রথমে জিজ্ঞাসা করলো,

‘৫আর ২ এ কত হয়?’

আমি বললাম, ‘৭ হয় ।’

এরপর স্যার বললো,

‘তাহলে বল্ তো,

৪ আর ৩ এ কত হয়?’

বাবা: আরেহ গাধা, একই তো হবে উত্তর!

বল্টু: আমিও যে স্যারকে ঠিক এ কথাটাই বলেছিলাম..!~~

 

 

বল্টুর চার বন্ধুর ডিনার

বল্টু, পল্টু, আবুল,মফিজ, ৪ জন 5 star হেটেলে ডিনার করছে

 

ডিনার শেষে ৪ জনই বিল দেওয়া নিয়ে তর্ক করছে

এ বলে আমি বিল দেব,ও বলে আমি বিল দিব

হোটেল ম্যানেজার এই কান্ড দেখে মনে মনে হাসছে আর বলছে

→ পৃথিবীতে এখনো এরকম বন্ধুত্ব দেখা যায়!? বিশ্বাস হয় না

এক পর্যায়ে ৪ জন মিলে সিদ্ধান্ত নিল যে

→ একটি দৌড় প্রতিযোগিতা হবে

প্রতিযোগিতায় যে জয়ী হবে, সে বিল পরিশোধ করবে

– হেটেলে ম্যানেজার হুইসেল বাজলো

৪জন একসাথে দৌড় দিল

ম্যানেজার তাদের উৎসাহ দিতে লাগল

.

.

.

.

সেই যে তারা দৌড় দিল আর আজও ফিরে আসেনি~~

 

 

ইন্টারভিউ কক্ষে বল্টু মিয়া

অফিসারঃ আপনার “ওয়ার্ড পাওয়ার” দেখা যাক।”ভালো”র বিপরীত?

বল্টুঃ খারাপ…

অফিসারঃ যাওয়া.

বল্টুঃ আসা.

অফিসারঃ কুৎসিত.

বল্টুঃ সুৎসিত!!

অফিসারঃ সুৎসিত???

বল্টুঃ কুৎসিত.

অফিসার (রাগান্বিত হয়ে)ঃ চুপ করেন মিয়া.

বল্টুঃ বলতে থাকেন বিবি!!

অফিসার (আরো রেগে)ঃ অনেক হয়েছে। আপনি যেতে পারেন।

বল্টুঃ কিছুই হয়নি! আপনি আসতে অক্ষম!!

অফিসার (ততোধিক রাগান্বিত স্বরে)ঃ হোয়াট দা হেল ইজ রং উইদ ইউ?

বল্টুঃ হোয়াট দা হেভেন ইজ রাইট উইদ ইউ!!

অফিসার (চিৎকার করে)ঃ বেরিয়ে যাও!

বল্টু (আরো নরম স্বরে)ঃ ভিতরে আসো!!

অফিসার (হতাশ হয়ে)ঃ ওহ মাই গড!

বল্টুঃ ওহ ইউর ডেভিল!!

অফিসার (নরম স্বরে): আপনি “রিজেক্টেড”!

বল্টু (চিৎকার করে): আমি “সিলেক্টেড”;

ধন্যবাদ স্যার~~

 

 

বল্টুর GF বল্টুকে বলছে…

জান…..

আমি আর থাকতে পারছি না। তুমি আমাকে তোমার স্ত্রী ভেবে যা খুশি চাও করতে পারো।

বল্টু সাথে সাথে উত্তেজিত হয়ে বললো.. সত্যি?

.

বল্টুর প্রেমিকা: হ্যাঁ

.

বল্টু সুযোগ বুঝে দ্রুত শার্ট-প্যান্ট খুলে বললো …

.

.

.

জলদি আমার এই শার্ট-প্যান্টগুলো ধুয়ে দাও, অনেকদিন যাবৎ ধোয়া হয়নি~~

 

 

একরাতে রাজা আর রানী গল্প করতে করতে কথায় কথায় রানী বলে ফেললেন….

রানীঃ সব স্বামীরাই বউয়ের কথা শোনে। রাজা রানীর কথায় একমত হলেন না । তখন তারা একে অপরের সাথে তর্ক করতে শুরু করে দিল । এক পর্যায় রাজা রানীকে বললেন রাজাঃ ঠিক আছে কালই প্রমাণ হয়ে যাবে কে কার কথা শোনে ।

পরের দিন রাজ্যে ঘোষণা করা হল “সব বিবাহিত প্রজাদের জন্য রাজা এক বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছেন”। তখন সব বিবাহিত প্রজার হুড়োহুড়ি দিয়ে রাজপ্রসাদের সামনে হাজির হলো । রাজদরবারের সামনে দুইটা সাইনবোর্ড লাগানো হলো ১টা যারা বউয়ের কথা শোনে তাদের লাইন আরেকটা যারা বউয়ের কথা শোনে না তাদের লাইন । তখন সবাই ঠেলাঠেলি করে যারা বউয়ের কথা শোনে সেই লাইনে গিয়ে দাড়ালো । কিন্তু বল্টু বেচারা যারা বউয়ের কথা শোনে না সেই লাইনে গিয়ে দাড়ালো । রাজা হেরে গিয়েও একদিক থেকে খুশি হলেন যাক রাজ্যে এক বান্দা তো আছে যে বউয়ের কথা শোনে না । তখন রাজা কৌতুহলি হয়ে বল্টুকে জিজ্ঞাসা,

রাজাঃ কি ব্যাপার তুমি এই লাইনে এসে দাড়ালে কেনো ?

তখন বল্টু বললো…

“আমার বউ আমাকে বেশি হুড়োহুড়ির মধ্যে যেতে মানা করেছে।”~~

 

 

একদিন ক্লাসে টিচার

প্রশ্ন করলঃ যারা নিজেকে বোকা ভাব তারা উঠে দাঁড়াও !!

তো, কেউই উঠে দাঁড়াল না। কিন্তু কিছুক্ষণ পর মুখে একটা শয়তানি হাসি নিয়ে উঠ ক্লাসের সবচেয়ে পাজি ছাত্র বল্টু।

টিচারঃ ওওও . . .

তাহলে তুই নিজেকে বোকা ভাবিস?

বল্টুঃ স্যার, ঠিক তা নয়।

.

.

.

আসলে আপনি একাই শূধু দাঁড়িয়ে আছেন, ব্যাপারটা কেমন দেখা যায় না”!~~

 

 

শিক্ষকঃ বলতো বল্টু মেয়েদের লজ্জা বেশি না, ছেলেদের বেশি..?

বল্টুঃ ছেলেদের।

শিক্ষকঃ কিভাবে..?

বল্টুঃ স্যার, সব ফিল্মে মেয়েরা হাফ প্যান্ট পরে আর ছেলেরা পরে ফুল প্যান্ট।

শিক্ষকঃ হারামজাদা দাড়া শয়তান।

2) শিক্ষকঃ বলতো বল্টু তুমি বড় না তোমার বাবা বড় ?

বল্টুঃ আমি স্যার।

শিক্ষকঃ কিভাবে..?

বল্টুঃ স্যার, আমি এখন আর আমার মায়ের সাথে ঘুমাই না,কিন্তু বাবা এখনও মায়ের সাথেঘুমায়।

3) শিক্ষকঃ বলতো বল্টু , আকবর জন্মেছিলেন কবে..?

বল্টুঃ স্যার, এটা তো বইয়ে নেই।

শিক্ষকঃ কে বলেছে বইয়ে নেই। এই যে আকবরেরনামের পাশে লেখা আছে ১৫৪২-১৬০৫.

বল্টুঃ ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ, আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন?

শিক্ষকঃ বেঁহুশ,,,,,~~

 

 

ছেলেটিকে তার মা বলেছিলেন খারাপ ছেলেদের সাথে মিশবি না ;

ছেলেটি তার মায়ের কথা রেখেছে তাই এখন তার অন্নেক গুলা গার্লফ্রেন্ড।….বল্টু মিয়া~~

 

 

বল্টু সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখল তার বিছানার পাশে টেবিলএ জেলি মাখানো আস্ত একটা নরম পাউরুটি পরে আছে।

.

বল্টু অনেক খুশিমনে পাউরুটিটা খেয়ে ফেললো।

.

একটু পরে বল্টুর বউ এসে তাকে জিজ্ঞাসা করল, “হ্যাঁ গো এখানে একটা পাউরুটি ছিল তুমি দেখেছ..?”

.

বল্টু একটু মজা করে বলল, “নাতো..দেখিনি।”

.

বল্টুর বউ বলল,

.

“ঠিক আছে, দেখলে বাইরে ফেলে দিও। কাল রাতে টিসু শেষ হয়ে গেছিল বলে বাচ্চার পায়খানা পাউরুটি দিয়ে কাজ চালিয়ে দিয়েছি।~~

 

 

বল্টু স্কুলে দেরি করে এসেছে। ইংরেজি ক্লাস শূরু হয়ে গেছে।

ইংরেজি স্যার বল্টুকে দেখে বললঃ

বল্টু, ইউ আর লেট! হোয়াই ??

বল্টুঃ স্যার, আমাদের গাড়ি কাদার মধ্যে আটকে পড়েছিল।

স্যারঃ নো-নো, টেল মি ইন ইংলিশ।

.

বল্টুঃ স্যার, Our গাড়ি was পড়িং in কাদা। No নড়িং-চড়িং, only ভুম-ভুম sound করিং !!!

স্যার বেহুঁশ~~

 

 

বাবা বল্টুকে ইংরেজি শিখাচ্ছে

.

বাবা: মাই হেড মানে আমার মাথা

.

বল্টু: মাই হেড মানে বাবার মাথা

.

পাশ থেকে ভাইয়া বললো..

দূর বোকা মাই হেড মানে আমার মাথা

.

বল্টু: মাই হেড মানে ভাইয়ার মাথা

.

বল্টুর বড় বোন্ শুনে বললো..

এই ছোটন..

মাই হেড মানে ভাইয়ার মাথা না.

আমার মাথা, আমার মাথা..

.

বল্টু: ও বুঝছি মাই হেড মানে আপার মাথা

.

মা রান্নাঘর থেকে শুনতে পেয়ে চেঁচিয়ে বলল..

.

কি যা তা বলছিস !!

মাই হেড মানে আমার মাথা..

পড় তাড়াতাড়ি

.

.

বল্টু বিরক্ত হয়ে বলল….

বুঝছি

.

.

মাই হেড মানে আমার চোদ্দ গুষ্টির মাথা।~~

 

 

বাংলা ক্লাসের ম্যাডাম ক্লাসে এসে সবাইকে বললো :

“কপাল ” – শব্দ দিয়ে একটা বাক্য রচনা করতে

.

.

.

বল্টু তার খাতায় লিখলো :

কপাল আমার ভিজে গেলো চোখেরই জলে

এই লেখা দেখে ম্যাডাম বল্টুকে একটা জোড়ে থাপ্পর দিলো এবংজিঙ্গেস করলো

.

.

.

ম্যাডাম : গাঁধা , চোখের জলে কি কখনো কপাল ভিজে ?

.

.

.

বল্টু : ম্যাডাম পরের লাইনটা হলো :

পা দুটি বাধা ছিলো

গাছের ঐ ডালে !!

\

/

ম্যাডাম : বেহুশ !!~~

 

 

বসঃ যেদিন থেকে আমি তোকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছি, সেদিন থেকে প্রতিদিন তুই আমার বাড়ির সামনে পায়খানা করিস! কারন কি? তোকে পুলিশে দেয়া উচিত!

.

.

.

বল্টুঃ স্যার, আমি শুধু আপনাকে এতটুকু মনে করিয়ে দিতে চাই যে, বরখাস্ত করেছেন বলে আমি না খেয়ে মরে যাইনি!!!~~

 

 

বল্টু এক পীর বাবার কাছে গিয়ে জিগ্যেস করল:

বল্টু :- আচ্ছা বাবা, বিয়ের আগে যদি প্রেমিক প্রেমিকা রাতে এক বিছানায় ঘুমায় তাহলে কি পাপ হয়???

`

`

পীর বাবা- ঘুমালে তো পাপ হয় না বৎস, কিন্তু সমস্যা হল তোরাতো ঘুমাস না!!!~~

 

 

বল্টু রাতে বাড়িতে ফিরে ঘুমাতে গেলো, ঘুমাতে ঘুমাতে দেখল সে মারা গিয়েছে! সে পরজগতে গিয়ে ঈশ্বরকে অনুরোধ করল !

তাকে দুনিয়ায় আরেক বার ফেরত পাঠানোর জন্য।

!

ঈশ্বর তাকে আরেকটা সুযোগ দিলো আর মুরগী বানিয়ে দুনিয়ায় ফিরে পাঠাল

!

মুরগী হয়ে সে একটা ডিম দিল ডিম দেখে সে হতভম্ব হয়ে গেলো

!

ডিমটা ছিল সোনার

!

খুশিতে সে জোর দিয়ে আরেকটা ডিম দিল সেটাও সোনার ডিম

!

সে আরও খুশিতে জোশের সাথে ৩য় বারের ডিম পাড়ার জন্য জোর দেয়া শুরু করতেই কেউ একজন তাকে জুতা মারলো।

!

সে চোখ খুলে দেখলো

! !

! !

তার স্ত্রী নাক ধরে চিৎকার করে যাচ্ছে-

!

!

উঠ বদমাইশ,

.

বিছানায় বাথরুম করেই যাচ্ছো তো করেই যাচ্ছো….~~

 

 

বাচ্চারা শিক্ষা সফরে গেছে থানায়। বুলেটিন বোর্ডে “ওয়ান্টেড’ ক্রিমিনালদের এক গাদা ছবি ঝুলছে দেখে একটি ছোট মেয়ে পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করল, তোমরা কি আসলেই ওদেরকে ধরতে চাও?

নিশ্চয়ই! পুলিশ অফিসার জানাল।

ছোট মেয়েটি আশ্চর্য হয়ে আবার জিজ্ঞেস করল, তাহলে ছবি তোলার সময়ই ওদের রেখে দিলে না কেন?~~

 

 

বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী কবিতারমাধ্যমে ঝগড়া করছেঃ

স্বামীঃ আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম গাছে মৌ,

আগে জানলে আনতাম না ঘরে এমন ঝগড়াটে বউ।।

স্ত্রীঃ নোটন নোটন পায়রা গুলি ঝোটন বেঁধেছে ,

আমাকে বিয়ে করতে তোমায় কে বলেছে?

স্বামীঃ ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের গাঁ,

বিয়ের আগে লক্ষী মেয়ে, কিছুই চাইতো না।

স্ত্রীঃ হাড়- কিপ্টা………।

স্বামীঃ আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই,

বিয়ের পরে এখন শুধু করে যে খাই খাই।।

স্ত্রীঃ ছিপখান তিন দাঁড় তিন জন মাল্লা,

কি আছে কপালে জানেন শুধু আল্লাহ।।

স্বামীঃ ভোঁর হল দোড় খোল খুকুমনি উঠোরে,

ভালো যদি না লাগে বাপের বাড়ী ছোটরে।।

স্ত্রীঃ আগডুম বাগডুম ঘড়ারডুম সাঁজে,

আগে বুঝি নাই তুমি এত বাজে।।

স্বামীঃ আয় বৃষ্টি ঝেঁপে ধান দিবো মেপে,

আর বেশি চিল্লাইলে ধরবো গলা চেপে।।

স্ত্রীঃ আগে কি বলতে মনে আছে ??

পূরণ করতে তোমার মনের সাধ,

আকাশ থেকে আইনা দিমু চাঁদ।।

এখন বাজার থেকে শাড়ি আনাও বাদ,

কে জানত আগে, প্রেমে এত খাঁদ।~~

 

 

বিয়ের তিন মাস পর দম্পতির সন্তান হলো.

স্বামী তো বিশাল ক্ষেপা ও চিন্তিত.

তো বউ তারে বলতেসে.

এই শুনো তোমার বিয়ের বয়স কত?

স্বামী- তিন মাস

আমার বিয়ের বয়স কত?

স্বামী-তিন মাস.

বাচ্চা বিয়ের কতদিন পর হইসে?

স্বামী- তিন মাস.

তো বল total কয় মাস হইলো???

স্বামী- আরে তাই তো total তো নয় মাস হয়.

আমি এতক্ষণ হুদাই তোমার চরিত্র নিয়ে চিন্তা করতেছিলাম~~

 

 

বিয়ের আগে-

,

মেয়ে: আহ, অবশেষে। আর অপেক্ষা করতে পারছিলাম না।

,

ছেলে: তুমি কি চাও আমি এখান থেকে চলে যাই?

,

মেয়ে: একদম না! এমনটা চিন্তাও করো না।

,

ছেলে: তুমি কি আমাকে ভালোবাসো?

,

মেয়ে: অবশ্যই! সবসময়।

,

ছেলে: তুমি কি আমাকে কখনো ধোঁকা দিয়েছো?

,

মেয়ে: কক্ষনো না! এটা জিজ্ঞেস করছো কেন?

,

ছেলে: তুমি কি আমাকে কিস দেবে?

,

মেয়ে: যখনই সুযোগ পাবো।

,

ছেলে: তুমি কি আমাকে আঘাত করবে?

,

মেয়ে: তুমি কি পাগল? আমি সেরকম মেয়ে নই।

,

ছেলে: আমি কি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি?

,

মেয়ে: হ্যাঁ।

,

ছেলে: ডার্লিং!

,

বিয়ের পরে-

=

এবার নিচ থেকে উপরে পড়ুন।~~

 

 

বিদেশ থেকে দুবছর পর বাড়ি ফিরে বল্টু দেখল তার বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা।

বল্টু বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?

: কার আবার, আমার।

: কী! বল, তার নাম বল! কে আমার এত সর্বনাশ করেছে!

– বউ চুপ।

: বল, কে সে? নিশ্চয়ই শয়তান জামাল!

: না

: তা হলে নিশ্চয়ই শয়তান জাফর!

: না, তাও না।

: তা হলে কে?

: তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ আমার কি কোনো বন্ধু থাকতে পারে না।~~

 

 

বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল,

”এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।”

আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল,

”এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি”

পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল,

“কি, তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না?”

“হুমমমম…তোরা বুঝোস না কিছুই। এমন কাম করছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না!~~

 

 

বায়োমেটট্রিক এর সেরা জোকস

 

ময়মন্সিংগের এক লুক কাস্টমার কেয়ার এ ফুন দিছেঃ

-হ্যালো অমুক কাস্টমার কেয়ার থেকে তমুক বলছি। স্যার কিভাবে সাহায্য করতে পারি?

:আইন্নেগর সিম বায়োমেস্টিক রেজিস্টেশন করলে না বুলে ফেসবুক ফিরি দেইন?

.

-স্যার ফেসবুক না ঠিক, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্টেশন করলে এক গিগা ডাটা ফ্রী দিচ্ছি।

:এক আডি ডেংগা ফিরি? অই বেডা ডেংগা দিয়া আমি কি করাম?

.

-সরি স্যার ডেংগা না ডাটা। এটা দিয়ে ইন্টারনেট এর যাবতিয় কাজ করতে পারবেন?।

:ফেসবুক চালাইবার পাইবাম নাহি হেইডা কইন?

.

– জি স্যার পারবেন।

:এইডা আগে কইতাইন না। আইন্নে মিয়া কামের কথা ছাড়া হুদাই বের বের করুইন।

-সরি স্যার,আপনাকে আর কোন ভাবে সাহায্য করতে পারি?.

.

:আইন্নের লগে ত আসল গফ টাই করলাম না।আমি ফ্রি ফেসবুক পাইছি হগলে নেট কানেকশন দিলে বেক টিহা কাইট্টা নেগা ।

-আপনার সমস্যাটার জন্যে আমরা দুঃখিত। স্যার আমরা দেখতে পাচ্ছি আপনি বায়োমেট্রিক রেজিস্টেশন এর জন্যে ১ গিগাবাইট ডাটা পেয়েছেন

.

-তে টিহা কাডে কে?

: দিনে দুইটার পরে ইন্টারনেট ব্যাবহার করেছেন যার জন্যে চার্জ কেটে রাখা হয়েছে। বুঝেছেন?

.

:কিচ্ছু বুজ্জি না বাও মত কইন।

-স্যার আমাদের অফারের কিছু শর্ত আছে, আপনি রাত দুইটা থেকে দুপুর বারোটো(2 am- 11:59am) পর্যন্ত ইন্টারনেট উপভোগ করতে পারবেন।

.

:এইতা অফার কাগর লাইজ্ঞা দিছোস?

আমগর লাইজ্ঞা নাকি আমিরিকার লুহের লাইজ্ঞা?

-স্যার আমাদের জন্যে।

কেন স্যার?

:হালারগরে হালা,রাইত দুইড্ডা সুমু হজাগ থাকতাম তগর হয়েন্নী মার্কা অফার লাইজ্ঞা? এত রাইতে বালা মাইষের পুতাইন হজাক থাকে? তরাই দেশের মাইষেরে খারাপ বানাইতাছোস, তগরে সামনে পাইলে চরায়া মুতায়ালিনি দরহার।।~~


Leave a Comment