bangla romantic kobita status

Bangla romantic kobita status


Bangla romantic kobita app,bangla romantic kobita status,romantic bangla kobita audio,bangla romantic kobita photo,bangla romantic short kobita,bengali romantic love kobita,bangla romantic kobita for wife,bangla romantic kobita photo download,bangla romantic love kobita,romantic poem in bangla sad kobita,


bangla romantic kobita status
Bangla romantic kobita status

আমাকে দূরে চলে যেতে হবে, দূরে অনেক দূরে; 

 এই লোকালয় থেকে নির্জনে অজানা কোন অন্তপুরে!

 যেখানে কেউ কোন ভাবেই পাবে না আমার দেখা,

 যেখানের দিন ক্ষন তারিখ কিছুই রবে না লেখা!

 

 জানি না আমি এমন জায়গার মিল্বে কি সন্ধান?

 যদি পেতাম তাহলে অবিলম্বেই করতাম প্রস্থান!

 এমন জায়গা যেটা কিনা হবে সমুদ্রের কাছাকাছি,

 যেখানে আকাশ ছুঁয়েছে মাটিকে পানির পাশাপাশি!

 

 বাতাসে দোলা যেথা আনে পাতায় পাতায় আলোড়ন,

 আমি একা সেই সব দৃশ্য করতে চাই অবলোকন!

 মর্মর ধ্বনি যেথা মনে এনে দেবে এক চাঞ্চলতা,

 সমুদ্রের সাথে যেথা হবে আকাশের কথকতা!

 

 পাখিরা উড়ে যাবে যেথা শুন্যে রঙ্গিন ডানা মেলে,

 সেখানেই যেতে চাই আমি সবকিছুকে পিছনে ফেলে।

 যেখানে থাকবে না কোন দুঃখ হতাশার দৈন্য দশা,

 থাকবে না কোন জরা, ব্যাধি, শোক আর নিরাশা!

 

 একা একা থাকবো, যেখানে কেউ পাবে না খুঁজে,

 যেথায় থাকতে হবে না আমার দুঃখে মুখটি গুজে!

 তাইত আমাকে চলে যেতে হবে দূরে, অনেক দূরে-

 যেখানে তুমি পাবে না আমায় সারা পৃথিবী ঘুরে

 

তোমার চেয়ে কোন কিছুই বেশী দামী নয় ভাই- 

 তোমার সাথে কেউ তুলনীয় নয় যে তাই!

 তুমি একই রকম আছো, আমাদের হৃদয়ে সর্বদা.

 কোন ভাষা দিয়েই বর্ণিতে পারিনা তোমার কথা।

 

 যখন তুমি জড়িয়ে ধর আমায় তোমার আলিঙ্গনে,

 সেইসব কথা মিশে আছে মনের স্মৃতির প্রাঙ্গনে।

 আমাদের সাথে তুমি নাই ভাবতেই পারি না এ কথা,

 তোমার ভাস্বর স্মৃতি নিয়ে বুকে জমে আছে কত ব্যথা।

 

 আমার জীবনে তুমি হয়ে আছ অমূল্য যে সম্পদ-

 তোমার মুখের দিকে তাকায়ে লড়তে পারি সব বিপদ।

 অতুলনীয় তুমি, সকলের চাইতে অসাধারণ সুনিশ্চয়,

 হতেই হবে! আমার ভাই যে! তাইতো সকলে কয়।

 

একজন পুরুষের জীবনে রয়ে গেছে কিছু ভাগ, 

 যার মধ্যে কোনটার জন্য মনে থাকে অনুরাগ!

 যখন সেটা পার হয়ে যায়, মনে থাকে কষ্ট;

 

 কভু ফেরানো যাবে না সেটা, তা তো সুস্পষ্ট!

 মাত্র একবারই জীবনে আসে সেই সুবর্ণ সময়,

 কুমার জীবনই সেটা, যদি কেউ তার নাগাল পায়!

 

 এটা সেই জীবন যেথা মানুষ পায় কিছু উত্তালতা,

 এটাই সেই সময় যখন সে পায় ‘না’ বলার স্বাধীনতা।

 

 কুমার জীবন উপভোগ্য কিন্তু যে ভোগ করতে পারে,

 বিয়ের পরে যা হারিয়ে যেতে পারে কিন্তু চিরতরে!

 জীবনের সুবর্ণ সময়গুলো তো আসে না বারবার,

 তাই চেষ্টা কর এর পরিপূর্ণ সদ্ব্যবহার করার!

 

 বৈবাহিক জীবনে অনেক সময় এসে যায় জটিলতা,

 নিজের দিকে নজর দেবার তখন আর সময় কোথা?

 অনেক ছেলেই আগে ভাগে বুঝতে পারে না এটা,

 বুঝে তখনই যখন জটিল আকার ধারণ করে সেটা!

 

 বিয়ের পরে একটা ছেলের জীবনে আসে পরিবর্তন,

 কিন্তু সেটা সে বোঝে না যখন সময়ের হয় সংক্ষেপন!

 নিজের আবেগ অনুভুতিগুলোর দিও না অকাল সমাধি,

 মুল্যায়ন করতে শেখ কুমার জীবনের সংক্ষিপ্ত কালবিধি।

 

বাসার গেটে এসে থামলো 

 নীল রঙের একটা গাড়ী,

 দেরী হয়নি মোটেও

 আসতে তার বাড়ী!

 

 একজন মানুষ নেলে এল

 হাতে ব্যাগের বোঝা,

 মাঝবয়সী মানুষ উনি,

 দেখতে সরল সোজা!

 

 ধীর পায়ে হেটে চলেন

 সামনে বন্ধ দুয়ার-

 নিঃশব্দে এগিয়ে যান,

 লোক আসবে খোলার।

 

 মৃদু চাপে উনি যখন

 বাজিয়ে দিলেন ঘন্টা,

 রহস্যময় এক ঘটনা

 যা চঞ্চল করবে মনটা!

 

 বয়স্কা এক মহিলে বলেন,

 ‘কে আছে ওখানে?’

 লোকটা তখন বলে ওঠে,

 ‘মা! আমিই দাঁড়িয়ে এখানে’।

 

 আনন্দের আতিশয্যে মা তখন

 হয়ে যান বোকা,

 খুশি হয়ে বলে ওঠেন,

 ‘আয় রে আমার খোকা!

 

 অশ্রুসজল নয়নে মা বলে,

 ‘এতদিন পর এলি খোকা?

 এতদিন কোথায় ছিলি তুই?

 দিয়ে আমায় ধোঁকা?’

 মাকে জড়িয়ে ধরে লোকটি,

 কপালে দেয় চুম!

 ‘তোমাকে ছেড়ে মা আমার

 চোখে ছিলনা ঘুম’।

 

 ‘বাবা, রিশ্রাম নে’।

 মা ওঠেন বলে,

 ঠিক যেন ছোট্ট পাখি

 সাঝেঁ নীড়ে ফেরে।

 

 গোসল সেরে উনি

 হয়ে ওঠেন সতেজ,

 সারা বাড়ীজুড়ে যেন

 ফুলের সুরভী আমেজ!

 এরপর উনি যখন

 সেরে ওঠেন প্রার্থনা,

 মা তখন নিয়ে আসেন

 খাবার ভর্তি খাঞ্ছা।

 

 মা তো বানিয়েছেন

 অনেক রকম খাদ্য,

 অতুলনীয় সেগুলো যে

 সবকিছুই অনবদ্য!

 

 মা বলেন, ‘২০ বছর আগের

 চিঠি একটা আছে পুরান,

 তুই হয়ত বুঝবি,

 জানবি কার নাম’।

 

 ‘বহু বছর হয়ে গেল

 যখন আমি গেলাম,

 অনেক বছর পার করে

 ঠিকি ফিরে এলাম’।

 

 ‘ঠিক’, মা বললেন

 দিয়ে একটু হাসি।

 ‘চিঠি টা দাও তো,

 খুলে তবে দেখি!’

 হলুদ খামে মোড়া চিঠি

 লেখাগুলো ঝাপ্সা-

 মনে পড়ছে না কিছু

 ক্লান্তিতে সব আবসা!

 বালিসে হেলান দিয়ে ওটা

 চেষ্টা করেন দেখা-

 লেখা দেখে মনে হয় যেন

 কোন কাঁচা হাতের লেখা!

 ভাল করে দেখার পরেও

 ঠাহর হল না কিছুই,

 স্মৃতির পাতা হাতড়ে গিয়ে

 হতাশ হলেন শুধুই!

 এক ঝটকা আলোর মত

 কি যেন এল মনে,

 দুঃখে ছেয়ে গেল মুখ

 চিঠির পানে চেয়ে।

 

 কেউ তো জানে না

 কি ছিল লেখা,

 জানে শুধুই সে-

 যে পেয়েছে দেখা।

 

 এরপর যে কি হল

 তা নেই কারো জানা,

 কবিতায় যে সব কথা

 বলতে আছে মানা।

 

একদিন দেখেছিলাম সুন্দর এক স্বপ্ন, 

 নদীর তীরে আমরা বসেছিলাম মগ্ন!

 যখন তুমি ধরেছিলে আমার হাত-

 পুষ্পসম প্রস্ফুটিত হয়েছিল প্রভাত!

 

 কানে কানে বলেছিলে চুপি চুপি-

 মৃদু বাতাস করেনি কোন কারচুপি!

 

 আমার হৃদয়ে লেগেছিল এক সাড়া-

 তুমিই আমার অন্তরে দিয়েছিলে নাড়া!

 তোমার জন্য ফুল তুলতে চাইলাম একটি,

 তখন শুরু হয়ে গেল মুশল ধারে বৃষ্টি!

 আমি তোমাকে বলেছিলাম, ‘এস প্রিয়তম!’

 

 লজ্জা পেয়ে তুমি হয়েছিলে অবনত!

 আমার জীবনে তুমি দিয়ে দিয়েছো দোলা

 আমার জীবনে যদিও ছিল কত ঝামেলা!

 তোমাকে কত ভালবাসি, এটা রেখ স্মরণ,

 তোমার তরে হাসিমুখে মৃত্যু করবো বরণ।


100% LikesVS
0% Dislikes