bangla love story shayari photo download

bangla love story shayari photo download


bangla love story shayari photo download,bangla love funny shayari,bangla love story shayari photo download,love shayari bangla photo 2020,bengali love shayari image hd download,bangla love story bhalobasa shayari,bangla love shayari ringtone download,


bangla love story shayari photo download (16)


bangla love story shayari photo download (15)


bangla love story shayari photo download (14)


bangla love story shayari photo download (13)


bangla love story shayari photo download (12)


bangla love story shayari photo download (11)


bangla love story shayari photo download (10)


bangla love story shayari photo download (9)


bangla love story shayari photo download (8)


bangla love story shayari photo download (7)


bangla love story shayari photo download (6)


bangla love story shayari photo download (5)


bangla love story shayari photo download (4)


bangla love story shayari photo download (20)


bangla love story shayari photo download (19)


bangla love story shayari photo download (18)


bangla love story shayari photo download (17)


bangla love story shayari photo download (3)


bangla love story shayari photo download (2)


bangla love story shayari photo download (1)


Sms হয়ে থাকবো আমি তোমার হৃদয় জুড়ে,, রিংটোন হয়ে বাজবো আমি মিষ্টি মধুর সুরে,, কখনো ভেবোনা আমি তোমার থেকে দুরে,, বন্ধু হয়ে আছি আমি তোমার নয়ন জুড়ে,,

 

কাউকে আবেগের ভালোবাসা দিওনা, মনের ভালোবাসা দিও ! কারন আবেগের ভালোবাসা একদিন বিবেকের কাছে হেরে যাবে আর মনের ভালোবাসা চিরদিন থেকে যাবে… ___এলটন ডি


 

মনারে মনা কোথায় যাস?

বিলের ধারে কাটব ঘাস।

ঘাস কি হবে?

বেচব কাল,

চিকন সুতোর কিনব জাল।

জাল কি হবে?

নদীর বাঁকে

মাছ ধরব ঝাঁকে ঝাঁকে।

মাছ কি হবে?

বেচব হাটে,

কিনব শাড়ি পাটে পাটে।

বোনকে দেব পাটের শাড়ি,

মাকে দেব রঙ্গিন হাঁড়ি।


 

ঝাউয়ের শাখায় শন শন শন

মাটিতে লাটিম বন বন বন

বাদলার নদী থৈ থৈ থৈ

মাছের বাজার হৈ হৈ হৈ।

ঢাকিদের ঢাক ডুমডুমাডুম

মেঘে আর মেঘে গুড়ুমগুড়ুম

দুধকলাভাত সড়াত সড়াত

আকাশে বাজে চড়াৎ চড়াৎ।

ঘাস বনে সাপ হিস হিস হিস

কানে কানে কথা ফিস ফিস ফিস

কড়কড়ে চটি চটাস চটাস

রেগেমেগে চড় ঠাস ঠাস ঠাস।

খোপের পায়রা বকম বকম

বিয়েমজলিশ গম গম গম

ঘাটের কলসি বুট বুট বুট

আঁধাঁরে ইঁদুর কুট কুট কুট।

বেড়ালের ছানা ম্যাও ম্যাও ম্যাও

দু দিনের খুকু ওঁয়াও ওঁয়াও।

 


তারা- একটি দুটি তিনটি করে এলো

তখন- বৃষ্টি-ভেজা শীতের হাওয়া

বইছে এলোমেলো,

তারা- একটি দু’টি তিনটি করে এলো।

থই থই থই অন্ধকারে

ঝাউয়ের শাখা দোলে

সেই- অন্ধকারে শন শন শন

আওয়াজ শুধু তোলে।

ভয়েতে বুক চেপে

ঝাউয়ের শাখা , পাখির পাখাউঠছে কেঁপে কেঁপে ।

তখন- একটি দু’টি তিনটি করে এসে

এক শো দু শো তিন শো করে

ঝাঁক বেঁধে যায় শেষে

তারা- বললে ও ভাই, ঝাউয়ের শাখা,

বললে, ও ভাই পাখি,

অন্ধকারে ভয় পেয়েছো নাকি ?

যখন- বললে, তখন পাতার ফাঁকে

কী যেন চমকালো।

অবাক অবাক চোখের চাওয়ায়

একটুখানি আলো।

যখন- ছড়িয়ে গেলো ডালপালাতে

সবাই দলে দলে

তখন- ঝাউয়ের শাখায়- পাখির পাখায়

হীরে-মানিক জ্বলে।

যখন- হীরে-মানিক জ্বলে

তখন- থমকে দাঁড়াঁয় শীতের হাওয়া

চমকে গিয়ে বলে-

খুশি খুশি মুখটি নিয়ে

তোমরা এলে কারা?

তোমরা কি ভাই নীল আকাশের তারা ?আলোর পাখি নাম জোনাকি

জাগি রাতের বেলা,

নিজকে জ্বেলে এই আমাদের

ভালোবাসার খেলা।

তারা নইকো- নইকো তারা

নই আকাশের চাঁদ

ছোট বুকে আছে শুধুই

ভালোবাসার সাধ।

 


আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে

আমি মেঘনা নদীর নেয়ে।

মেঘনা নদীর ঢেউয়ের বুকে

তালের নৌকা বেয়ে

আমি বেড়াই হেসে খেলে-

আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে।

মেঘনা নদীর নেয়ে আমি মেঘনা পাড়ে বাড়ি

ইচ্ছে হ’লেই এপার থেকে ওপারে দেই পাড়ি।

তালে তালে তালের নৌকা

দু’হাতে যাই বেয়ে

আমি মেঘনা নদীর নেয়ে।

পাহাড় সমান ঢেউয়ের বুকে নৌকো আমার ভাসে

মেঘমুলুকের পাহাড় থেকে ঝড়ের ঝাপটা আসে-

মাথার ওপর মুচকি হাসে

বিজলি নামের মেয়ে

আমি মেঘনা নদীর নেয়ে।

আমার ঢেউয়ের সঙ্গে গলাগলি ঢেউয়ের সঙ্গে খেলা

ঝড়ের সঙ্গে লড়াই ক’রে কাটাই সারাবেলা।

দেশ থেকে যাই দেশান্তরে

মনের নৌকা বেয়ে-

আমি মেঘনা নদীর ছেলে

আমি মেঘনা নদীর নেয়ে।

 


খেলাঘর পাতা আছে এই এখানে,

স্বপ্নের ঝিকিমিকি আঁকা যেখানে।

এখানে রাতের ছায়া ঘুমের নগর,

চোখের পাতায় ঘুম ঝরে ঝরঝর।

এইখানে খেলাঘর পাতা আমাদের,

আকাশের নীল রং ছাউনিতে এর।

পরীদের ডানা দিয়ে তৈরি দেয়াল,

প্রজাপতি রং মাখা জানালার জাল।

তারা ঝিকিমিকি পথ ঘুমের দেশের,

এইখানে খেলাঘর পাতা আমাদের।

ছোট বোন পারুলের হাতে রেখে হাত,

সাতভাই চম্পার কেটে যায় রাত।

কখনও ঘোড়ায় চড়ে হাতে নিয়ে তীর,

ঘুরে আসি সেই দেশ চম্পাবতীর।

এই খানে আমাদের মানা কিছু নাই,

নিজেদের খুশি মত কাহিনী বানাই।

 


এই যে নদী

নদীর জোয়ার

নৌকা সারে সারে,

একলা বসে আপন মনে

বসে নদীর ধারে

এই ছবিটি চেনা৷

মনের মধ্যে যখন খুশি

এই ছবিটি আঁকি

এক পাশে তার জারুল গাছে

দুটি হলুদ পাখি,

এমনি পাওয়া এই ছবিটি

কড়িতে নয় কেনা৷

কাঠের পরে মাঠ চলেছে

নেই যেন এর শেষ

নানা কাজের মানুষগুলো

আছে নানান বেশ,

মাঠের মানুষ যায় মাঠে আর

হাটের মানুষ হাটে,

দেখে দেখে একটি ছেলের

সারাটা দিন কাটে৷

এই ছেলেটির মুখ

সারা দেশের সব ছেলেদের

মুখেতে টুকটুক

কে তুমি ভাই,

প্রশ্ন করি যখন,

ভালোবাসার শিল্পী আমি,

বলবে হেসে তখন৷

এই যে ছবি এমনি আকা

ছবির মতো দেশ,

দেশের মাটি দেশের মানুষ

নানান রকম বেশ,

বাড়ি বাগান পাখ-পাখালি

সব মিলে এক ছবি,

নেই তুলি নেই রং, তবুও

আঁকতে পারি সবই

 


 

Leave a Comment