bangla kobita romantic

bangla kobita romantic


bangla kobita romantic,premer kobita bangla pdf,valobashar kobita bengali pic,valobashar romantic kobita bangla,valobashar kobita bangla font,ভালবাসার কবিতা,লবাসার কবিতা সমগ্র,ভালবাসার কবিতা sms,বাবা মেয়ের ভালবাসার কবিতাসুনীলের ভালবাসার কবিতা,ভালবাসার কবিতা 


কবির জন্য কবিতা নাহ্

মনিরুজ্জামান অনিক


কবির জন্য কবিতা না, 

পাঠকের জন্য কবিতা।

কবি শুধু লিখে যান, 

গোপনে নিঃসৃত অভিমান। 

পাঠক তা পাঠ করে , 

খুঁজে পায় কিছু,গোপন ব্যাথার সন্ধান।

কবি শুধুই লিখে যায় , 

ভুলে যায় দিন রাত।

একদিন কবি মারা যায়, 

থেমে যায় কলম আর ক্লান্তিমাখা হাত।

 

সেদিন বিকেলে, 

হয়তোবা রমনার বটমূলে

শোক সভার আয়োজন চলে..

দু’চার  চরণ পাঠ করা হলে, 

কবিকে নিয়ে কেউ কেউ মন্তব্য তোলে, 

কেউ বলে বেশ ছিলো লোকটি…

কেউবা আবার পাংশু মুখে বলেই ফেলে,

অ-কবি! কিছুদিন করে গেলো মানবতার ক্ষতি।

 

চুপচাপ শুনে যায় বটবৃক্ষ আর জুগালি বাতাস…

উপর থেকে কবি তখন গুনে যায়, 

অদেখা কিছু গোপন দীর্ঘশ্বাস! 

এভাবেই কবি হারিয়ে যায়…

হারায় না তার কবিতা।

 

কোন এক গুমোট সন্ধ্যা বেলায়,

ডুবে থাকা বিষন্নতায়…. 

 

কেউবা পাঠ করে সেই কবিতা—

 

“ফিরে এসো নগরী তোমার অভূতপূর্ব রূপে..

ফিরে এসো তুমি বালিকার শাড়ির আঁচল ধরে।

আরেকটি বার ঝুম বৃষ্টি নামুক তোমার কামুক বুকে।

শান্ত হোক অশান্ত মন, 

ভেসে যাক অন্যায় জাগরনের শ্লোকে।”


তোমার চোখ

মনিরুজ্জামান অনিক


তোমার চোখ!!

গোপন ব্যথার সিন্দুক।

 

তোমার চোখ!!

জেগে আছে নাবিক পথহারা উন্মুখ।

 

তোমার চোখ!!

বুকে বাড়ায় কাঁপন, মনেতে অজানা অসুখ।

 

তোমার চোখ!!

ধুকধুক করে বুক, ভুলে যাই আমি সব 

যতো জমা গোছালো কথার শ্লোক।

 

তোমার চোখ!!

শহরময় বৃষ্টি নামুক,

ভিজে যাই আমি দূরে বহুদূরে অনাকাঙ্ক্ষিত এক নগরে।

 

তোমার চোখ!!

আমি হয়ে যাই হিমশীতল মানব,

 

তোমার চোখ!!

আমি রাস্তার হেঁটে চলা অচেনা এক যুবক।


নিষ্পেষিত অনল

মনিরুজ্জামান অনিক


আমাকে তুমি যতই পুড়াও ধ্বংসাবশেষ রেখেই যাই।

আমি যে কলম পথিক,মুক্তির শিঙ্গা আমি ফুকাই।

আমার রক্তে ভিজে ওঠে মাটি বিদীর্ণ হাহাকার..

আমার হাতে ধারালো কলম শকুনের বুক ছিঁড়বার।

উড়িয়েছি সাদা পতাকা আর কপালে বেঁধেছি শাড়ি।

যে শাড়িতে লেগে আছে আজ ধর্ষিতা বোনের আহাজারি। 

শোষকের সামনে বুক পেতে ধরি রুদ্ধ কারাগার।

কলমে আজ প্রতিবাদ তুলি সব করে ছারখার।

আমি আগুনের সাথে সখ্যতা করে লিখে যাই দু’চার চরণ।

 

আমি কবি!!

 

আমি পুড়ে যাই,উড়ে যাই তবু মাথা নাওয়াই না__

ধেয়ে আসুক ঘূর্ণি আর হুংকার মাখা যতো কারন।


বিষ ফোঁড়া 

মনিরুজ্জামান অনিক


মাটির বিষ ফোঁড়া ফেঁড়ে মাথা তুলেছে নবাগত বৃক্ষ।

যে বিষ ফোঁড়া ছিড়ে তার জন্ম, তার রক্ত তামাটে বর্ণ।শোষকের জিহ্বা কুকুরের গলায় ঝুলছে আজ।

রাজপথে বিজ্ঞাপনে ঠাঁসা, 

প্রভুত্ব মেনে নিয়েছে বেকুব জনতা।

 

তাক করা থাকে কামানের নল।

লোডেড পিস্তল এখন রক্ত খাদক।

পায়ের তলায় পিষিয়ে মারছে শতো সহস্র সত্য।

মাতালেরা ভুলেছে সব গিলছে উদরপূর্তি মদ।

 

চাঁদ ও আজ ধর্ষিত বারেবার…

রক্তাক্ত দেহ নিয়ে আবারো চলছে স্বতীত্ব আবিষ্কার।

লুটেরা নিচ্ছে লুটে সব…

অবুঝ শিশুর খাদ্যেও তাদের মিটেনা আক্রোশ।

 

সময় সাক্ষী রেখে বানানো যেই রঙ্গ মঞ্চ…

ঠাঁই নেই তাদের— বুকের হাড় দিয়ে জোড়ে যাচ্ছে যারা সমাজ।

তাদের পেছনে ফেলে জয়ধ্বনি উঠে সাম্যের। 

দু ‘একটা চিৎকার তারপর ভাষণ।

নেতা কাঁপিয়ে দেয় মঞ্চ,কাঁপিয়ে দেয় বোবা পুতুলের হৃদয়।

দাউদাউ করে জ্বলে উঠে আগুন, সমাজ বদলাও।

 

চায়ের দোকান অব্দিই সেই আওয়াজ স্থায়ী হয়।

তারপর ভুলে যায় সব — 

নেতার কন্ঠ নেমে যায় খাঁদে।

মনে মনে ভাবে , 

কি হবে সমাজ পাল্টালে। 

আমাকে কি সমাজ মনে রাখবে?

 

এভাবেই চাপা পড়ে মেহনতি মানুষ…

কন্ঠনালী পুড়ে যায় জ্বলন্ত কয়লায়।

নির্বাক চোখ,হৃদস্পন্দন থেমে যায় শ্বশ্মানের চিতায়।

সময় মুছে ফেলে গতরাতের ক্লান্তি

তারতো  ছুটতে হবে মহাকাল অব্দি।


Recent Posts

50% LikesVS
50% Dislikes