bangla funny dirty jokes

Bangla funny dirty jokes


 

Bangla funny dirty jokes, Bengali Funny jokes quotes, Bangla funny jokes book pdf download, Bangla funny jokes 2016, funny jokes teacher vs student, Bengali funny husband-wife jokes, Bengali funny jokes for friends,


 

বল্টু আর পল্টু জোকস

 

একদিন বল্টু আর পল্টু কিছু আম চুড়ি করল,

কিন্তু তারা সেগুলো ভাগাভাগি করার জায়গা পাচ্ছিলো না,

খুজতে খুজতে শেষে একটি কবরস্থানের কাছে গেল

এবং দেয়াল টপকে কবরস্থান এর ভিতর ঢুকলো।

কবরস্থানে ঢোকার সময় দুইটা আম পরে গেল…

সেই সময় কবরস্থানের পাশ দিয়ে এক মাতাল যাচ্ছিল…

সে যেতে যেতে শুনতে পেল, “এটা তোর এটা আমার”

শুনে মাতাল সামনে গিয়ে পুলিশকে বলল যে, কবরস্থানে ভুত আছে আর তারা লাশ ভাগাভাগি করছে…

তখন পুলিশ বলল চলো দেখি কথায় ভুত, আর কোথায় লাশ ভাগাভাগি করছে…

কবরস্থানের পাশে গিয়ে পুলিশও শুনতে পেল, “এটা তোর এটা আমার, এটা তোর এটা আমার”

আর ঠিক সেই সময় বল্টু বলে উঠলো “দেয়ালের ওইপাশের দুইডারে কি করবি?”

পুলিশ আর মাতাল অজ্ঞান…


 

 

 

 

 

 

বল্টু ও তার গার্লফ্রেন্ড

.

.

.

গার্লফ্রেন্ড : প্লিজ… আমাকে মাফ

করেদিও

জানু , আজ আমি তোমাকে একটাকথা

বলতে চাই।

.

বল্টু ভাই : হ্যাঁ সুইটহার্ট, বলো বলো

,কি বলতে চাও…??

.

গার্লফ্রেন্ড : আমি তোমার কাছে

কিছু গোপন করছি। আসলে হয়েছে কি….

. অন্য একজনের সাথে আমার বিয়ে ঠিক

হয়ে গেছে, সামনে সপ্তাহে আমাদের

বিয়ে।

আমি তোমার সাথে এতটা সময়

একসাথে

কাটিয়েছি, ফেসবুকে কতো কতো কথা

বলেছি, কতো সিনেমা দেখেছি,

ডেটিং করেছি, শপিং করেছি, আর….

.

.

বল্টু ভাই : ব্যাস, ডার্লিং…ব্যাস

তুমি দেখছি আমাকে emotional করেই

ছাড়বে…। এটা কোনো ব্যাপারই না,

চলো…..

.

.

.

আজ আমিও তোমার সাথে আমার

বউ আর বাচ্চাদের পরিচয় করিয়ে

.

দিই…


 

 

একটি অসাধারণ সুন্দরী যুবতী

 

 

 

একটি অসাধারণ সুন্দরী যুবতী

একটা ওষুধের দোকানের সামনে

চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল।

মনে হচ্ছিল যেন সে দোকানের

ভীড় কমার অপেক্ষায় ছিল।

দোকানের মালিক তার দিকে

বেশ সন্দেহের দৃষ্টিতে

তাকাচ্ছিল মাঝে মাঝে।

ভাবছিল, সে এমন কিছু জিনিষ

কিনতে এসেছে সেটা নিতান্ত

গোপনীয়। কারুর সামনে সে বলতে

বোধহয় লজ্জা বোধ করছে।

ভেবেই যাচ্ছে আর নিজেও

চাইছে যেন ভীড়টা তাড়াতাড়ি

কমে যায়।

ওষুধের বিক্রী কমে কমুক, সুন্দরী

যুবতীটির কী প্রয়োজন আর সেটা

সে মেটাতে পারবে কিনা, সেই

ভেবেই তার হাঁকপাকানি

অবস্থা।

যাই হোক, অনেকক্ষণ দাঁড়ানোর

পর অবশেষে দোকানটা একটু

ফাঁকা হল।

কোন গ্রাহকই আর ছিলনা।

মেয়েটি দোকানে ঢুকল আর

মালিককে একটু আস্তে ঈশারায়

ডাকল, একেবারে মৃদু সুরে সলজ্জ

ভঙ্গীতে একটা কাগজ দোকান-

মালিকের দিকে এগিয়ে দিল আর

অতি সুরেলা ভঙ্গীতে, প্রায়

ফিসফিস করে বলল,

.

“কাকু, আমার না……..আমার না

…….কি যে বলি…….

আমার না এক ডাক্তারের সঙ্গে

বিয়ে পাকা হয়ে গেছে। আর আজ

না ওনার প্রথম চিঠি পেয়েছি।

ডাক্তারদের হাতের লেখা তো

আপনারাই পড়তে পারেন, তাই

একটু এটা পড়ে শোনাবেন..? আমি

কিচ্ছু বুঝতে পারছিনা কাকু।”


 

 

এক বন্ধু রাত ২ টায়

 

 

 

এক বন্ধু রাত ২ টায়

আরেক বন্ধুর কাছে

ফোন করেছে—

১ম বন্ধুঃ দোস্ত, একটু

আমার বাসায়

আয় জরুরী কাজ

আছে।

২য় বন্ধুঃ আমি এখন

আসতে পারব না,

ঘুম পাচ্ছে।

১ম বন্ধুঃ প্লিজ আয়

না, জরুরী

কাজ আছে।

২য় বন্ধুঃ আসতে পারব

না, ঘুমাব। গুড

নাইট (ফোন অফ)।

কিছুক্ষণ পর সে

ভাবল হয়তো খুব

জরুরী কাজ হবে, তা

ভেবে সে

বন্ধুর বাসায় গেল।

২য় বন্ধুঃ কিরে কি

জরুরী কাজ তোর

এত রাতে..?

১ম বন্ধুঃ দোস্ত,

.

 

.

.

টিভি আর লাইটের

সুইচটা একটু

অফ করে দিয়ে যা, খুব

শীত লাগছে,

লেপ ছেরে উঠতে

পারছিনা, তাই

তোকে ফোন দিলাম।


 

 

দুই মেয়ে দাবা খেলতেছে.

 

 

 

দুই মেয়ে দাবা খেলতেছে.

মেয়ে ১ : বাদ দে yaar, আর খেলব না.

মেয়ে ২ : ঠিক আছে. তোর তো শুধু

একটা হাতি বেঁচে আছে আর আমার

একটা ঘোড়া

.

.

এমন সময় একটা ছেলে আসল. :[email protected]

ছেলে : চল দাবা খেলি.

২ জন মেয়ে : না না তুমি তো

জিতবা-ই.

ছেলে : তাহলে তোমরা দুইজন আমি

একা.

২ জন মেয়ে :

তাও তুমি আমাদের সহজে হারিয়ে

দেবে.

ছেলে : তাহলে এক কাজ করি আমি

বা-

হাতে খেলব আর তোমরা ডানহাতে.

২ জন মেয়ে(অনেকক্ষণ

চিন্তা করে মনে মনে অনেক খুশি

হয়ে) :

ঠিক আছে.

তারপর যা হওয়া উচিত ছিল ঠিক তা-ই

হল কোন ব্যতিক্রম হল না.

মেয়েরা পাঁচ মিনিটের মধ্যেই

ছেলেটার কাছে হেরে গেল.

তারপর ছেলেটি চলে গেল.

মেয়ে ১ :

দেখলি ছেলেটা বা হাতে খেলেই

আমাদের হারিয়ে দিল!!!

মেয়ে ২(কিছুক্ষণ চিন্তা ভাবনা

করে) :

ছেলেটা নিশ্চয় আমাদের

বোকা বানিয়ে গেছে.

মেয়ে ১ : কীভাবে??

মেয়ে ২ : ছেলেটা নিশ্চয় বা-হাতি .

মেয়ে ১ :

ইসসস!! ছেলেটা কি বাটপার!!


 

 

দুই মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত

 

 

 

দুই মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত

আসামীর

একজনকে ফাঁসি দিয়ে

নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে।

তাহা দেখে অপরজন হু হু

করে কাদতে লাগল।

বিচারক : রায় তো হয়েই

গেল।

এখন কেঁদেই বা কি লাভ।

আসামী: আমাকে আপনারা

ফাঁসী দিতে চান তো দিন।

কিন্তু দয়া করে ফাসী দেয়ার

পর নদীতে ফেলবেন না।

কারণ, আমি সাঁতার জানিনা


 

 

বল্টু গত ১০মাস ধরে প্রেমে পরছে….

 

 

 

বল্টু গত ১০মাস ধরে প্রেমে পরছে….

কিন্তু সে কিছুতেই

বলতে পারছে না,যে

তাকে খুব ভালবাসে।

তো বল্টু ভাবলো

মেয়েটির জন্মদিনে

সবার আগে wish করবে।

কথা মত একটা messege

লিখে ঠিক

১২টা ১

মিনিটে send করল।

সঙ্গে সঙ্গে বল্টুর মোবাইলে riplay এল।

বল্টু তো আনন্দে

আটখানা হয়ে ভাবলো

এখনে messege টা

দেখে আনন্দের মুহুর্ত

টা শেষ না করে কাল

সকালে দেখবে।

সকাল হলে বল্টু messege

টা খুলতেই দেখল….

Messege sending

failed.due to

insufficient balance.

বল্টুরে কেও কডা টাকা ধার দে


 

 

ভাইভা বোর্ডে যখন একটি মেয়ে

 

 

 

 

ভাইভা বোর্ডে যখন একটি মেয়ে

থাকে; তখন—

.

প্রশ্নকর্তাঃ আপনার নাম কি?

.

মেয়েঃ মরিয়ম বেগম ।

.

প্রশ্নকর্তাঃ আপনার ফেসবুক

আইডির

নাম কি?

.

মেয়েঃ এঞ্জেল মারিয়া ।

.

প্রশ্নকর্তাঃ আপনি কোন

অপারেটরের

সিম

ব্যবহার করেন?

.

মেয়েঃ এয়ারটেল ।

.

প্রশ্নকর্তাঃ আপনার নাম্বারটা

কি

এখানে দেয়া যাবে?

.

মেয়েঃ অবশ্যই । ০১৬…।

.

প্রশ্নকর্তাঃ ওকে; আপনি পাশ ।

আপনাকে

অভিনন্দন !

.

মেয়েঃ ধন্যবাদ স্যার ।

.

আর ভাইভা বোর্ডে যখন একটি

ছেলে

থাকে; তখন—

.

প্রশ্নকর্তাঃ উইলিয়াম

শেক্সপিয়ারের

বেয়াইয়ের নাম

কি?

.

ছেলেঃ জানি না স্যার ।

.

প্রশ্নকর্তাঃ ফেসবুকর

প্রতিষ্ঠাতার

পাসওয়ার্ড কী?

.

ছেলেঃ বলতে পারবো না

স্যার ।

.

প্রশ্নকর্তাঃ এয়ারটেল অফিসের

সুইপার

কোনমডেলের

ফোন ব্যবহার করে?

.

ছেলেটিঃ জানা নেই স্যার ।

.

প্রশ্নকর্তাঃ বারাক ওবামার

বউয়ের

ফোন নাম্বারটা কি

দিতে পারবেন?

.

ছেলেঃ পারবো না স্যার ।

.

প্রশ্নকর্তাঃ আপনি তো কিছুই

পারেন

না ! আপনি ফেল ।

যান; রাস্তা মাপেন !

.

ছেলেঃ ওকে স্যার ।

.

…আর এভাবেই প্রতিটা

ক্ষেত্রেই

ভাইভায়

ছেলেরা বঞ্চিত হচ্ছে !

.

শুধু ভাইভায় নয় পরীক্ষার হলে

সুন্দরী

মেয়ে

দেখলেও কিছু স্যারেরা লুতুপুতু

আরাম্ভ

করে,মেয়েদের

৪০ টা নৈবিত্তিকই

কারেক্ট করে দেয়।

.

এমনকি কলেজের কেরানী পর্যন্ত

মেয়েদের মুখ দেখে

পরীক্ষার ফি,বেতন কম রাখে

.

**বি:দ্র: উচিত কথা সর্বদা তিতা হয়…..!!!


 

 

বল্টু গিয়েছে নকিয়া

 

 

 

বল্টু গিয়েছে নকিয়া

মোবাইলের শোরুমে ।

ওখানে গিয়ে

দোকানদারকে :- ভাই

স্ক্রিন টাচ মোবাইল

দেখান ,,,!

*

দোকানদার কথা মতো

একটি স্ক্রিন টাচ মোবাইল

দেখাইলেন ,,,!

*

বল্টু মোবাইলটা বেটারীর

ফিট করে অন্ করে কিছু

দেখে আবার বললেন :- ভাই

,,,? এর থেকে একটু বর

মোবাইল দিন ।

*

দোকানদার কথা মতো

আরো একটি মোবাইল বের

করে দিলেন ।

*

বল্টু ঐরকমে আগের মতো

বেটারী ফিট করে অন্ করে

দেখে বললেন :- ভাই এর

চেয়ে আরো বর স্ক্রিন

থাকা মোবাইল দেখান ,,,?

*

এবার একটু দোকানদার

রেগে :- এর চেয়ে বর

স্ক্রিনের মোবাইল তো

এখনও নকিয়া কোম্পানিই

বের করে নি ,,,? তোমাকে

কত বর মোবাইলের দরকার

বলুনতো এবং কেন ,,,?

*

বল্টু :- আরে ভাই যত বেশি

বর তত বেশি ভাল । কারণ

আপনি দেখানো মোবাইলে

চিনতে পারলাম নাতো ।

*

দোকানদার :- কি চিনতে

পারলেন না ,,,?

*

বল্টু :- আরে ঐ যে নকিয়া

মোবাইল যখনই অন্ করা হয়

তখনই দেখি একটা হাতের

উপর আরেকটি হাত

বেরিয়ে এসে ধরাধরি করে

। আমি অনেক দিন থেকে

চিনার জন্য চেষ্টা

করিতেছি যে আসলে ঐ

হাত দুইটি কার ,,,!!! তাই

আমি বর মোবাইল খুঁজতেছি

*

দোকানদার বেহুঁশ ,,,! এখনও

কোমায় ,,,!!!

,

আরে কেউ বল্টুরে পানীতে

চুবাইসনা কেরে ,,,???


 

 

কাস্টমার কেয়ারে ফোন

 

 

কাস্টমার কেয়ারে ফোন

দিয়ে “আমি আপনাকে বিয়ে

করতে চাই”!

.

.

মেয়ে এক্সিকিউটিভ:

“হ্যালো স্যার, বলুন

আপনাকে কি সাহায্য

করতে পারি?”

জলিল: “আমি আপনাকে

বিয়ে করতে চাই”

মেয়েঃ “সরি স্যার,

আপনি মনে হয় ভুল নাম্বারে

কল দিয়েছেন”

জলিল: “না আমি ঠিক

নাম্বারেই ফোন দিয়েছি।

প্লিজ আমাকে বিয়ে করুন”

মেয়েঃ “সরি স্যার। আমি এখন

বিয়ে করতে আগ্রহী না।“

জলিল: “আরে শুনুন না। বিয়ের

পর হানিমুনে সেইন্ট

মার্টিনে নিয়ে যাবো আপনাকে”

মেয়েঃ “স্যার,

বলছি আমি আগ্রহী না। তবুও

আপনি কেন এরকম করছেন?”

জলিল: “আচ্ছা আপনি হানিমুনে

বিদেশে যেতে চান??

ঠিক আছে তাহলে মালয়েশিয়া

থাইল্যান্ডে হানিমুন হবে”

মেয়েটি ফোন কেটে ব্লক

করে দিল এবার জলিল মেসেজ

পাঠানো শুরু করল

“আপনি যেখানে চান

সেখানে বিয়ের অনুষ্ঠান হবে।“

একটু পর আবার মেসেজ

“বিয়ের জন্যে শপিং সব

আপনার ইচ্ছাতেই হবে”

.

.

শেষমেশ মেয়ে এক্সিকিউটিভ

বিরক্ত হয়ে ফোন করল

জলিলকে … .

মেয়েঃ “স্যার বুঝার

চেষ্টা করুন, আমি বারবার

বলছি যে আমি আগ্রহী না।

তবুও কেন আপনি এরকম

করছেন??”

জলিলঃ “তাহলে আপনারা কেন

সারাদিন আমাকে মেসেজ পাঠান?

কল করেন আপনাদের

দুনিয়ার সব সার্ভিস নিয়ে,

আমি আগ্রহী না হওয়া সত্ত্বেও


Leave a Comment